বড় সুখবর- এবার আরও এক অভাবনীয় উদ্যাগকে বাস্তবায়িত করতে চলেছে মোদী সরকার!

সম্প্রতি ভারতের সাথে চিনের সীমান্তে উদ্ভূত সমস্যার নিরিখে ভারত তাঁর প্রতিরক্ষা ব্যবস্থাকে ঢেলে সাজানোর জন্য নানান পরিকল্পনা গ্রহণ করেছে। রাশিয়া, আমেরিকা, ইজরায়েলের থেকে ভারত বহু টাকা মূল্যের অত্যাধুনিক অ-স্ত্রশ-স্ত্র কিনেছে। এমনিতেই ভারতীয় সেনাবাহিনী বিশ্বের চতুর্থ শক্তিশালী সে-নাবাহিনী বলে পরিগণিত হয়েছে।

এবার জানা গিয়েছে, কেন্দ্র সরকার ব্রম্ভপুত্র নদের নীচে ১৪.৮৫ কিমি দীর্ঘ টানেল বানানোর ছাড়পত্র প্রদান করেছে। সরকার অসমের গোহপুর থেকে নুমালীগড় কে সংযুক্ত করার জন্য ব্রম্ভপুত্র নদীর নীচে চার লেনের সড়ক টানেল বানানো ছাড়পত্র দেওয়া হয়েছে। আমেরিকার লুইস বার্জার কোম্পানি ব্রম্ভপুত্র নদের নীচে এই ১৪.৮৫ কিমি দীর্ঘ টানেলটি বানানোর প্রক্রিয়ায় প্রি-ফিজিবিলিটি রিপোর্ট আর ডিপিআর গঠন করেছে।

আরও পড়ুন – অতিবৃষ্টিতে বন্যা পরিস্থিতি হতে পারে মালদা সহ চার জেলায়, সতর্কতা জারি করলো মৌসম ভবন

এই টানেলের সবথেকে উল্লেখযোগ্য বিষয় এটাই যে, এর ভিতর দিতে সেনা যানবাহন, হাতিয়ার দ্বারা সুসজ্জিত বাহনগুলি এবং অন্যান্য প্রতিরক্ষা বাহন গু-লি প্রায় ৮০ কিমি/ঘণ্টা গতিবেগে ছুটতে সক্ষম হবে। জানা গিয়েছে এই দীর্ঘ টানেলটি আসাম আর অরুণাচল প্রদেশকে যুক্ত করতে সক্ষম হবে। জানা গিয়েছে যে আগামী ডিসেম্বর মাস থেকেই এই গুরুত্বপূর্ণ টানেলের গঠনের প্রক্রিয়া শুরু হয়ে হবে।

আরও পড়ুন – সূর্যের সবচেয়ে কাছে গিয়ে ছবি তুলে ইতিহাস গড়ার পথে NASA, হাতে মাত্র দুদিন!

প্রসঙ্গত, পূর্ব চীনের তাইহু লেকের নীচে নির্মিত হতে থাকা সড়ক পরিবহণ টানেলটির দীর্ঘতা হতে চলেছে ১০.৭৯ কিলোমিটার। ভারতের এই লম্বা টানেল তার থেকেও বেশী দীর্ঘ হতে চলেছে। এই টানেলটিতে আসা যাওয়া করার জন্য আলাদা আলাদা লেন বানানো হবে। উন্নত বৈজ্ঞানিক পদ্ধতিতে সুব্যবস্থা করা হবে যাতে কোনোভাবেই টানেলের ভিতরে জল প্রবেশ না করতে পারে।

আরও পড়ুন –রেশন কার্ড নিয়ে বড় সিদ্ধান্ত সরকারের, বড় পদক্ষেপ নিলো খাদ্য দফতর!

তবে সমস্যাও হতে চলেছে। এই ব্রম্ভপুত্র নদের ভিতরের এই টানেলে হাওয়ার প্রেসার অনেক কম হতে চলেছে। তবে এই সমস্যার সমাধানের জন্যে উন্নত ভেন্টিলেশন সিস্টেম, লাইটিং সিস্টেম, ফায়ার ফাইটিং সিস্টেম, এবং এমার্জেন্সি এক্সিটের মতো গুরুত্বপূর্ণ ব্যবস্থাগুলি রাখা হবে বলে জানা গিয়েছে।

এখানে আপনার মতামত জানান