নিউজদেশপলিটিক্স

“শ্রীরামকে নিয়ে প্রথম পাঠ হল সত্যি কথা বলা, যেটা রাহুল গান্ধী কখনোই করেননি।”- রাহুলকে আক্রমণ করলেন যোগী আদিত্যনাথ।

নিজস্ব প্রতিবেদন: উত্তরপ্রদেশের মাটিতে আগামী ৩ রা জুলাই হতে চলেছে পঞ্চায়েতের জেলা সভাপতি নির্বাচন। আগামী ২০২২ এর উত্তরপ্রদেশে বিধানসভা ভোট রয়েছে। তার আগেই এই পঞ্চায়েত জেলা সভাপতি নির্বাচনের উপরে যথেষ্ট গুরুত্ব দিচ্ছে যোগী সরকার।উত্তরপ্রদেশের গ্রাম পঞ্চায়েত ভোটে বিজেপি যথেষ্ট ধাক্কা খেয়েছে।

যোগী আদিত্যনাথ এর কাছে এই পরাজয়ের জন্য জবাব চেয়েছে কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব। এমনিতেই যোগী আদিত্যনাথ এর বিরুদ্ধে দলীয় নেতৃত্ব বেশ কয়েকবার সরব হয়েছে। করোনার মোকাবিলায় যোগী প্রশাসনের ব্যর্থতা’ সর্বসমক্ষে প্রকাশিত হয়েছে। এই আবহে আরো তৎপরতা বৃদ্ধি করছে অখিলেশ যাদবের দল।

আরও পড়ুন-পাঁচ রাজ্যে ভোটের প্রস্তুতি শুরু করে দিল বিজেপি

তাই এই আবহের মধ্যে মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথ আবার রীতিমতো রণ সজ্জায় সজ্জিত হয়ে ফরমান জারি করেছেন যে, ‘রাজ্যের প্রতিটি মন্ত্রীকে প্রত্যেকটা ব্লকে গিয়ে জনসাধারণের কাছে আরও বেশি করে পৌঁছাতে হবে। সেইসব মন্ত্রীরা যে জেলার দায়িত্বে রয়েছেন সেখানকার সমস্ত মানুষের সুবিধা অসুবিধার কথা কর্ণগোচর করতে হবে।’এদিকে যোগী আদিত্যনাথের সাথে শুরু হয়েছে কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধীর টুইট যুদ্ধ।

আরও পড়ুন-যোগী আদিত্যনাথ আসরে নামালেন নিজের টিম। এদিকে লড়াইয়ে নামছেন অখিলেশ যাদব‌ও।

গত ৫ ই জুন এক বৃদ্ধকে ভারত সীমান্তে পাকিস্তানি চর সন্দেহে একদল ব্যক্তি ছুরি দেখিয়ে তুলে নিয়ে গিয়ে তাঁকে মারধর করে এবং তাঁর দাড়ি কেটে নেয়, ওই বৃদ্ধকে দিয়ে জোর করে জয় শ্রীরাম, বন্দে মাতরম বলানো হয়।সোশ্যাল মিডিয়ায় এই ভাইরাল ভিডিও দেখে কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধী টুইট করে বলেছেন, “যারা সত্যিকারে রাম ভক্ত হয় তারা কখনই ঘৃণ্য কাজ করতে পারে বলে আমার বিশ্বাস নেই। এই নৃশংস ঘটনা সমগ্র সমাজ এবং ধর্মের পক্ষে যথেষ্ট লজ্জাজনক।”

আরও পড়ুন-“ভারতীয়দের কাছে মাটি মায়ের মতো।”- মৃত্তিকা অবনমন রোধ করতে রাষ্ট্রপুঞ্জে বার্তা প্রধানমন্ত্রীর

রাহুল গান্ধীর এই টুইট এর পরিপ্রেক্ষিতে উত্তরপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথ লিখেছেন, “ভগবান শ্রী রাম কে নিয়ে প্রথম পাঠ হলো সত্যি কথা বলা, যেটা আপনি কখনোই বলেননি। পুলিশ সত্য ঘটনা প্রকাশ করেছে তাও আপনি সমাজে কমাগত বিষ ছড়িয়ে চলেছেন এটাও খুব লজ্জাজনক। ক্ষমতার লোভে মানবতাকে ধুলোয় মিশিয়ে দেওয়া হচ্ছে। দয়া করে উত্তর প্রদেশের মানুষকে অপমান করা বন্ধ করুন।”

Related Articles

Back to top button