নিউজপলিটিক্সরাজ্য

ক্রমশ‌ই প্রকট হয়ে উঠছে রাজ্যপাল এবং রাজ্যের সংঘাত। তোপ দাগলেন কুণাল ঘোষ

নিজস্ব প্রতিবেদন: বাংলায় ভোট পরবর্তী হিংসার পরিপ্রেক্ষিতে মুখ্যমন্ত্রী কে চিঠি লিখেছিলেন রাজ্যপাল জগদীপ ধনখড়। তিনি এই চিঠিতে লিখেছিলেন, “বাংলায় ভোট পরবর্তী হিংসার ঘটনায় মানবাধিকার লঙ্ঘিত হয়েছে, মহিলাদের উপরে অত্যাচার করা হয়েছে, বিরোধীদের উপরে অত্যাচার করা হয়েছে। স্বাধীনতার পরবর্তী সময়ে বাংলায় কখনো এরকম পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়নি। কিন্তু এই পরিস্থিতি দেখেও আপনি নীরব হয়ে রয়েছেন কোন পদক্ষেপ আপনি গ্রহণ করেননি ।

আপনার প্রশাসন কোনো রকম ব্যবস্থা নিচ্ছে না।”এদিকে পরপর ৫ টি টুইটের মাধ্যমে রাজ্যের স্বরাষ্ট্র দপ্তর রাজ্যপাল কে কড়া জবাব দিয়েছে। রাজ্যের স্বরাষ্ট্র দপ্তরের তরফ থেকে টুইট করে বলা হয়েছে, “পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী কে রাজ্যপাল যে চিঠি লিখেছেন তা অত্যন্ত হতাশাজনক এবং গর্হিত। কোন বাস্তবিক ভিত্তি নেই এই চিঠির।”

আরও পড়ুন-“মানুষ বিশ্বাস করে ভোট দিয়েছেন। তাদের কাছে উদাহরণ হয়ে উঠুন।”- মুকুল রায়কে বললেন দিলীপ ঘোষ

এরপর মুখ্যমন্ত্রী কে লেখা চিঠি রিটুইট করেছেন রাজ্যপাল। এদিকে এর বিরোধিতা করে রাজ্য সরকার টুইট করে লিখেছে, “চিঠি পাঠানোর ধরন প্রতিষ্ঠানিক রীতিকে লঙ্ঘন করা হয়েছে। মুখ্যমন্ত্রী কে যে চিঠি পাঠানো হয়েছে তা টুইট করা হয়েছে জন মাধ্যমে। এই বিষয়টি প্রকাশ্যে আনা কখনোই সমীচীন নয়।

আরও পড়ুন-এবার রাজ্য সভাপতি পদে বাংলার মেয়েকে চাইছেন কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব।

এই চিঠির বিষয়বস্তুটিও সম্পূর্ণ কাল্পনিক।”এদিকে তৃণমূলের রাজ্য সাধারণ সম্পাদক কুনাল ঘোষ রাজ্যপালের এই চিঠির পরিপ্রেক্ষিতে বলেছেন,”প্রকৃতপক্ষে রাজ্যপাল বিজেপির হয়ে কাজ করছেন। রাজভবন টা বর্তমানে বিজেপির পার্টি অফিস হয়ে উঠেছে। কেন্দ্রের নির্দেশ অনুযায়ী কাজ করছেন রাজ্যপাল।

আরও পড়ুন-“মনগড়া চিঠি দিয়েছেন রাজ্যপাল”- ভোট পরবর্তী হিংসার পরিপ্রেক্ষিতে রাজ্যপালকে জবাব দিলো রাজ্য।

কিন্তু যখন কেন্দ্র থেকেই করোনার ওষুধ, ভ্যাকসিন, অক্সিজেন আসছে না, তখন রাজ্যপালের প্রতিবাদ দেখা যায়না। নির্বাচনের আবহের রাজ্যের আইন শৃঙ্খলার সমস্ত দায়িত্ব নিয়েছিল নির্বাচন কমিশন। ওই সময় বিজেপির বহু নেতারা বাংলা হিংসাত্মক ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে উস্কানিমূলক মন্তব্য করেছিলেন। মুখ্যমন্ত্রীর হাতে প্রশাসনিক দায়িত্ব আসার পরেই এই ধরনের ঘটনা বাংলায় আর ঘটেনি।

যদি কেউ হিংসাত্মক পরিস্থিতির শিকার হয়ে থাকেন তাহলে তাদের তালিকা আমাদেরকে রাজ্যপাল দিতে পারেন।”

Related Articles

Back to top button