“পাহাড়ি এলাকায় ভারতীয় সেনার সাথে লড়াই করার মতো যথেষ্ট প্রশিক্ষণ নেই চীনাদের”- বললেন সেনাপ্রধান বিপিন রাওয়াত

“পাহাড়ি এলাকায় ভারতীয় সেনার সাথে লড়াই করার মতো যথেষ্ট প্রশিক্ষণ নেই চীনাদের”- বললেন সেনাপ্রধান বিপিন রাওয়াত

নিজস্ব প্রতিবেদন: সীমান্তে চীনের সাথে ভারতের যথেষ্ট উত্তেজনাপূর্ণ পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে। এক বছর আগে লাদাখের গালওয়ান উপত্যকায় ভারতীয় এবং চীনা সেনার মধ্যে সংঘর্ষে প্রাণ গিয়েছিলো বেশ কয়েকজন ভারতীয় এবং চিনা সেনার। এই ঘটনায় যথেষ্ট উত্তপ্ত হয়েছিল দুটি দেশ। ‌ প্রায় যুদ্ধঘন পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছিলো সীমান্তে।

ভারত এবং চীন যথেষ্ট পরিমাণে সেনা মোতায়েন করেছিল লাদাখ সীমান্তে। কিন্তু বর্তমানে দুটি দেশের সীমান্ত থেকে ব্যাপক পরিমাণে সেনা সরিয়ে নিলেও এখনো অশান্তির রয়ে গিয়েছে লাদাখ উপত্যাকায় । এক বছর আগের সেই ঘটনা স্মরণ করে চিফ অফ ডিফেন্স বিপিন রাওয়াত বলেছেন,”লাদাখ উপত্যাকা থেকে অনেকটাই সেনা সরিয়ে নিয়েছে চীন। গত ২০২০ সালের মে এবং জুন মাসে ভারতীয় সেনার সাথে সংঘর্ষ হওয়ার পর চীনা সেনা বিলক্ষণ বুঝতে পেরেছে যে ভারতীয় সেনাবাহিনীর সাথে তারা উঁচু পার্বত্য অঞ্চলের যুদ্ধে এঁটে উঠতে পারবে না।

আরও পড়ুন-খাবার ডেলিভারি দিতে যাওয়া জুমাটো ডেলিভারি বয় কে বাইক কিনে দিলেন ক্রেতা।

কারণ চীনা সেনার উঁচু পাহাড়ি এলাকায় লড়াই করার মতো যথেষ্ট প্রশিক্ষণ নেই। ভারতীয় জওয়ানদের এর আগে কারগিল যুদ্ধের পর থেকেই উঁচু পাহাড়ি এলাকায় যুদ্ধ করার যথেষ্ট অভিজ্ঞতা রয়েছে এবং ভারতীয় সেনাকে বিশেষভাবে প্রশিক্ষণ দেওয়া হয় এই পাহাড়ী এলাকায় যুদ্ধ করার জন্য। ভারতীয় সেনারা লাদাখের এই হাড় হিম করা ঠান্ডা অনায়াসেই মানিয়ে নিতে সক্ষম, চীনা সেনারা সমতল থেকে কয়েকদিনের জন্য পাহাড়ী এলাকায় মোতায়েন থাকে। তারা ঠান্ডায় সহজেই কাবু হয়ে যায়।

আরও পড়ুন-“স্বল্প পোশাকের পুরুষ দেখলে মেয়েদের মন‌ও চঞ্চল হয়ে ওঠে।”- ইমরান খানের মন্তব্যের পাল্টা দিলেন তসলিমা নাসরিন।

ভারতীয় সেনারা দিনের পর দিন মাইনাসের নিচে ঠান্ডায় মোতায়েন থেকে তাদের কর্তব্য পালন করে যায়। তাই চীন বিলক্ষণ বুঝতে পেরেছি যে লাদাখের এই ঠান্ডায় তাদের ভারতীয় সেনার সঙ্গে যুদ্ধ করা কখনোই সম্ভব নয়। তাই সীমান্ত থেকে তারা অনেকটাই সৈন্য সরিয়ে দিয়েছে। কিন্তু তবুও সর্বদা চীনা সেনাদের গতিবিধির উপর লক্ষ্য রাখা হচ্ছে।