নিউজপলিটিক্সরাজ্য

“মুখ্যমন্ত্রী ন্যায় চাইছেন ঠিক আছে, কিন্তু নন্দীগ্রামের রায় সঠিক‌ই”- মন্তব্য দিলীপ ঘোষের।

নিজস্ব প্রতিবেদন: একুশের ভোটে যথেষ্ট লড়াই হয়েছে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এবং বিজেপি প্রার্থী শুভেন্দু অধিকারীর মধ্যে। একুশের ভোটে সকলের পাখির চোখ ছিল নন্দীগ্রাম। এই নন্দীগ্রামের মাটিতে মুখ্যমন্ত্রী কে ১ হাজার ৯৫৬ টি ভোটে হারিয়ে দিয়েছেন শুভেন্দু অধিকারী। কিন্তু মুখ্যমন্ত্রী এই হার দূর্নীতিগ্রস্ত বলে প্রথম থেকেই দাবী করে এসেছেন।

ভোটের সময় থেকেই নন্দীগ্রামে যথেষ্ট উত্তপ্ত পরিস্থিতি বিরাজ করছে। শুভেন্দু অধিকারী নন্দীগ্রামের মাটিতে চ্যালেঞ্জ জানিয়েছিলেন যে তিনি মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় কে অনায়াসে হারিয়ে দেবেন। ফল ঘোষণার ৪৫ দিন পরে নন্দীগ্রামের ভোটের ফলাফলকে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে হাইকোর্টে আপিল করেছিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।তিনি ইলেকশন পিটিশন দায়ের করেছেন।

আরও পড়ুন-অমিত শাহের সাথে বৈঠক সম্পন্ন করেই দিল্লিতে অধীর চৌধুরীর বাড়িতে গেলেন রাজ্যপাল।

গণনায় কারচুপির অভিযোগ এর পাশাপাশি নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে বেশ কয়েকটি অভিযোগ এনেছেন মুখ্যমন্ত্রী। আজ সকাল ১১ টায় হাইকোর্টের বিচারপতি কৌশিক চন্দ্রের এজলাসে এই মামলার শুনানি হবে এমনটাই জানা গিয়েছিলো।কিন্তু অবশেষে জানা গেছে এই মামলার শুনানি আজকে হচ্ছে না। পিছিয়ে দেওয়া হয়েছে এই মামলার শুনানি।

আরও পড়ুন-বিজেপির দখলে থাকা মালদা জেলা পরিষদে অনাস্থা প্রস্তাব আনল তৃণমূল কংগ্রেস।

আদালত ঘোষণা করেছে আগামী সপ্তাহে বৃহস্পতিবার এই মামলার শুনানি হতে চলেছে। বিজেপি রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ এই প্রসঙ্গে মুখ্যমন্ত্রীর প্রতি কটাক্ষের তীর ছুঁড়ে বলেছেন,”মুখ্যমন্ত্রী কোর্টে গিয়ে ন্যায় বিচার চাইতেই পারেন। সকলের অধিকার রয়েছে ন্যায়বিচার চাওয়ার। কিন্তু উনি হেরে গিয়েছেন আবার অন্য জায়গায় তিনি প্রার্থী পদে দাঁড়াবেন সেই বিষয়টিও তিনি স্থির করেছেন।

আরও পড়ুন-নন্দীগ্রামে ভোটের রায়কে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে আদালতে আবেদন করেছিলেন মুখ্যমন্ত্রী। পিছিয়ে গেলো শুনানি।

তার কারণ তিনি নিজে জানেন যে তিনি হেরে গিয়েছেন। ফিরহাদ হাকিম বেহালায় ১ বছরের সময় চেয়েছেন। যারা ১০ বছরে কলকাতার বুকে জল জমার নিষ্পত্তি করতে পারেনি , তারা আগামী ১ বছরে এই সমস্যার সমাধান কিভাবে করবে? আমফানের পরবর্তী সময়ে এক সপ্তাহ শহরে অন্ধকার ছিল। এখন উনি সেচমন্ত্রীর দোষ দিচ্ছেন, রাজ্যপালের দোষ দিচ্ছেন।

এখনো পর্যন্ত ইয়াসের কবলে পড়ে যাদের ঘর বাড়ি ভেঙে পড়েছে তাদের এখনো ত্রিপল দেয়নি রাজ্য সরকার। ভ্যাকসিন আসলেও মানুষকে দেওয়া হচ্ছেনা। রাজ্য সরকার যেটা প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল সেটা আগে পালন করুক। মুখ্যমন্ত্রী শুধু শুধু আদালতে গিয়ে সময় নষ্ট করছেন।”

Related Articles

Back to top button