“বাংলার মুসলমান সমাজকে অশিক্ষিত করে রেখে ভোটের জন্য ব্যবহার করছেন মুখ্যমন্ত্রী”- বিস্ফোরক দিলীপ ঘোষ।

“বাংলার মুসলমান সমাজকে অশিক্ষিত করে রেখে ভোটের জন্য ব্যবহার করছেন মুখ্যমন্ত্রী”- বিস্ফোরক দিলীপ ঘোষ।

নিজস্ব প্রতিবেদন: একুশের ভোটের আগে তপ্ত হচ্ছে রাজনৈতিক পরিস্থিতি । বাংলার আকাশে বাতাসে বারুদের গন্ধ, রক্তের দাগ একুশের ভোটকে করে তুলেছে বিভীষিকাময়। নির্বাচন কমিশন যদিও তৎপর রয়েছে রাজ্যের বুকে ভোটের এই আবহে শান্তি-শৃঙ্খলা বজায় রাখতে, কিন্তু নির্বাচন কমিশনের নির্দেশকে বুড়ো আঙুল দেখিয়েই রাজ্যের বিভিন্ন জায়গায় রাজনৈতিক সংগঠনের নেতাকর্মীরা হিংসা হানাহানি তে মত্ত হয়ে উঠছে।

যার জন্য অকালে ঝরে যাচ্ছে বেশ কিছু তরুণ প্রাণ। কোচবিহারের শীতলকুচি তে কেন্দ্রীয় বাহিনীর জওয়ানদের গুলিতে প্রাণ দিয়েছে চার তরুণ তৃণমূল সমর্থকের। এই ঘটনায় ব্যাপক উত্তেজনা বাংলার রাজ্য রাজনীতির বুকে। এছাড়াও বিভিন্ন জায়গায় রাজনৈতিক সংগঠনের পার্টি অফিস ভাঙচুর, কর্মী-সমর্থকদের বাড়ি ভাঙচুর, মারধরের ঘটনা ঘটছে।

বিজেপি রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ জঙ্গিপুরের জনসভা থেকে বলেছেন, “মুসলিম সমাজের চাকরি হোক, লেখাপড়া হোক এটা মমতা চাননা, তাই মুসলিম সমাজকে অশিক্ষিত করে রেখে, তাদের ক্রিমিনাল বানিয়ে রেখে ভোটের জন্য ব্যবহার করতে চাইছেন মুখ্যমন্ত্রী। এখানকার হাজার হাজার যুবক রাজ্যের বাইরে যাচ্ছেন চাকরির জন্য । এখানকার তরুণেরা রাজমিস্ত্রির কাজের জন্য কেরালা, কর্ণাটকে যাচ্ছেন। লকডাউন এর সময় প্রতিটি রাজ্য ও তাদের পরিচয় শ্রমিকদের স্পেশাল ট্রেনের মাধ্যমে ফিরিয়ে নিয়ে গিয়েছিলো।

আরও পড়ুন-“বিজেপি মনে করছে রাজনীতি করা মানে গুলি চালানোর অধিকার”- রানাঘাটের জনসভা থেকে বিজেপিকে বিঁধলেন মুখ্যমন্ত্রী

কিন্তু দিদি সরকার শ্রমিক স্পেশাল ট্রেন কে করোনা স্পেশাল ট্রেন বলে কটাক্ষ করেছিল। কষ্টের দিনগুলোতে আমাদের ছেলেদের বাড়ি আসতে দিলেন না। আর দিদিমণি বলছেন তাকে আবার সরকারে বসাতে। আমরা উনাকে সাদা শাড়ি আর হাওয়াই চটি দেখে দশ বছর সরকারে বসিয়েছি, আপনি আমাদের জন্য কি করেছেন? মোদীর চাল আসছে আর দিদি নাম কিনছেন।

কেন্দ্রীয় সরকার ভালো চাল পাঠাচ্ছে আর এখানকার তৃণমূল সরকার সেই চাল পরিবর্তন করে পচা চাল দিচ্ছে বাংলার মানুষকে আর ভালো চাল পাঠিয়ে দেওয়া হচ্ছে বাংলাদেশ, ওড়িশায়। নারী নিরাপত্তা নেই বাংলায়। এই নোংরা রাজনীতি দিদি বন্ধ করতে পারছেন না। আজ মহিলারা সবথেকে বেশী কষ্টে রয়েছে। তাই বিজেপি সরকার বাংলায় এলে নারীদের শিক্ষা সম্পূর্ণ ফ্রি করে দেওয়া হবে।”