“মুখ্যমন্ত্রী সর্তকতা না দিয়ে আতঙ্ক ছড়াচ্ছেন মানুষের মধ্যে।”- মুখ্যমন্ত্রীর সমালোচনা করে বললেন বিজেপি নেতা শমীক ভট্টাচার্য।

“মুখ্যমন্ত্রী সর্তকতা না দিয়ে আতঙ্ক ছড়াচ্ছেন মানুষের মধ্যে।”- মুখ্যমন্ত্রীর সমালোচনা করে বললেন বিজেপি নেতা শমীক ভট্টাচার্য।

নিজস্ব প্রতিবেদন: ভারতে সন্ত্রাসের জাল বিস্তার করেছে করোনা ভাইরাস। এই আবহে যেখানে দেশের প্রতিটি মানুষের উচিৎ একে অপরের কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে লড়াই করা এই মহামারীর বিরুদ্ধে, সেখানে এই ভয়াবহ পরিস্থিতিতেও অব্যাহত রাজনৈতিক দলাদলি। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় রাজ্যের কোভিড পরিস্থিতির জন্য সরাসরি দায়ী করেছেন প্রধানমন্ত্রীকে। তিনি বলেছেন, “বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা অক্সিজেন সম্পর্কে কেন্দ্রকে পরিকল্পনা করার পরামর্শ দিয়েছিল, কিন্তু প্রধানমন্ত্রী কোন রাজ্যকে এই বিষয়টি জানানোর প্রয়োজন বোধ করেননি।

আজ শুনলাম উনি ভার্চুয়ালি মিটিং করেছেন, আমাকে যা মন্ত্রণ জানানো হলে অবশ্যই আমি মিটিংয়ে যোগদান করতাম। আমরা গতবারের মতো এবারের কোভিড ঝড় আবার সামলে নিতে পারবো। ভোটের থেকেও করোনা আমার কাছে অগ্রাধিকার। প্রধানমন্ত্রী তাঁর পিএম কেয়ার ফান্ড থেকে ২০ হাজার কোটি টাকা রাজ্যকে দিতে পারছেন না। ৬০% ফ্রি ভ্যাকসিন গুজরাটে পাঠানো হয়েছে, আর আমাদের দিয়েছে মাত্র ১০% থেকে ১৫% ভ্যাকসিন। অক্সিজেন, ভ্যাকসিন সব বিদেশে পাঠিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী। গুজরাটে বিজেপির কার্যালয় থেকে বন্টন করা হচ্ছে ভ্যাকসিন।

আরও পড়ুন-আমেদাবাদে আটদিনে তৈরি হল ৯০০ টি বেড বিশিষ্ট কোভিড হাসপাতাল

“মুখ্যমন্ত্রী এই মন্তব্যের প্রসঙ্গে বিজেপি নেতা শমীক ভট্টাচার্য বলেছেন, “ভারতের সর্বত্র সমানভাবে ভ্যাকসিন পাঠানো হচ্ছে , এই ভ্যাকসিন নিয়ে কোথাও কোনরকম বৈষম্যমূলক আচরণ করেনি কেন্দ্রীয় সরকার। মুখ্যমন্ত্রী বলছেন যে তাকে নাকি আমন্ত্রণ জানানো হয়নি বৈঠকে অংশ নেওয়ার জন্য, এটাই যদি হয়ে থাকে তাহলে উনার মুখ্যসচিব এই বৈঠক সম্পর্কে জানলেন কিভাবে?

দেশের কি ভয়াবহ পরিস্থিতিতে প্রশাসনের উচিৎ মানুষের পাশে দাঁড়িয়ে তাদের সাহস যোগানো, তাদের সতর্ক করা। কিন্তু মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় তাঁর রাজ্যের মানুষের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে দিচ্ছেন। উনি করোনা নিয়ে রাজনীতি শুরু করেছেন।”প্রসঙ্গত প্রথম থেকেই করোনা ইস্যুতে বহিরাগত তত্ত্ব তুলে বিজেপিকে আক্রমণ করে এসেছেন মুখ্যমন্ত্রী। বিজেপির নেতারাও তাঁর বিভিন্ন মন্তব্যের প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন।