“সম্পূর্ণ পরিকল্পনা করে প্রধানমন্ত্রীর বৈঠক বয়কট করেছেন মুখ্যমন্ত্রী”- অভিযোগ ধনখড়ের

“সম্পূর্ণ পরিকল্পনা করে প্রধানমন্ত্রীর বৈঠক বয়কট করেছেন মুখ্যমন্ত্রী”- অভিযোগ ধনখড়ের

নিজস্ব প্রতিবেদন: বাংলার মাটিতে ইয়াস পরবর্তী পর্যায়ে ক্ষয়ক্ষতি নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর ডাকা বৈঠকে হাজির হননি মুখ্যমন্ত্রী। তিনি ওই বৈঠক ওয়ান ইস্টু ওয়ান করতে চেয়েছিলেন। বৈঠকে একবার উপস্থিত হয়েই তিনি শুধুমাত্র ইয়াসের প্রভাবে বাংলার ক্ষয়ক্ষতির রিপোর্ট প্রধানমন্ত্রীর হাতে তুলে দিয়ে এসেছেন। এই প্রসঙ্গে বিজেপি নেতারা এবং রাজ্যপাল মুখ্যমন্ত্রীর কড়া সমালোচনা করেছেন।এদিকে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সম্পূর্ণ বিপরীত অভিযোগ করেছেন। তিনি বলেছেন,”সংবাদমাধ্যমকে অসত্য তথ্য পরিবেশন করছে প্রধানমন্ত্রী এবং স্বরাষ্ট্র মন্ত্রীর দপ্তর।

আমাদের হেলিকপ্টার আকাশে ২০ মিনিট ধরে চক্কর কেটেছিল কারণ এটিসি থেকে জানানো হয়েছিল প্রধানমন্ত্রীর কপ্টার নামবে । তারপর প্রধানমন্ত্রীর সাথে দেখা করতে গেলেই তার এসপিজি আমাদের বলেছিল ‘এক ঘন্টা পর বলবেন, এখন বলা যাবেনা।’ তারপর দীর্ঘক্ষন আমরা অপেক্ষা করেছি। আগেই বলা হয়েছিল যে আমার সাথে শুধুমাত্র প্রধানমন্ত্রীর বৈঠক হবে। কিন্তু দেখা গেল বিরোধী দল নেতা থেকে শুরু করে বিজেপির সকলেই রয়েছে আর আমি একা আছি। তাই আমি প্রধানমন্ত্রীর হাতে ক্ষয়ক্ষতির রিপোর্ট তুলে দিয়ে প্রধামন্ত্রীর অনুমতি নিয়ে বেরিয়ে এসেছি।

আরও পড়ুন-“যারা এসব করছে তাদেরকেই জিজ্ঞাসা করুন।”- আলাপন ইস্যুতে বললেন দিলীপ ঘোষ।

“কিন্তু এই আবহে রাজ্যপাল জগদীপ ধনখড় বলেছেন যে, প্রধানমন্ত্রীর সাথে বৈঠক বাতিল করার পরিকল্পনা আগেই করেছিলেন মুখ্যমন্ত্রী। রাজ্যপাল বলেছেন, “আমাকে মেসেজ করে এই বৈঠক বয়কট করার ইঙ্গিত দিয়েছিলেন মুখ্যমন্ত্রী।“গতকাল রাতে টুইট করে জগদীপ ধনখড় বলেছেন, ‘মুখ্যমন্ত্রী জানিয়েছিলেন যে প্রধানমন্ত্রীর সাথে প্রশাসনিক বৈঠকের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী থাকলে তিনি ওই বৈঠকে যাবেন না।

আরও পড়ুন-“শুধুমাত্র মুখ্যমন্ত্রী পদ ধরে রাখার জন্যই কেন্দ্রের বিরোধিতা করেননা নবীন পট্টনায়ক।”- চাঞ্চল্যকর মন্তব্য দেবাংশু ভট্টাচার্যের।

কিন্তু এই ব্যাখ্যাটি ভুল। গত ২৭ শে মে রাত ১১.১৬ মিনিটে মুখ্যমন্ত্রী আমাকে মেসেজ করে বলেছিলেন তার জরুরি কথা রয়েছে আমার সাথে।’এছাড়াও আরেকটি টুইটে রাজ্যপাল জগদীপ ধনখড় আলাপন ইস্যুতে বলেছেন, “যুক্তরাষ্ট্রীয় ব্যবস্থায় ২৮ শে মে একটি কালো দিন হিসাবে বিবেচিত হয়ে থাকবে। অহংকার হারিয়ে দিলো নাগরিক পরিষেবাকে।”