নিউজপলিটিক্সরাজ্য

নন্দীগ্রামে ভোটের রায়কে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে আদালতে আবেদন করেছিলেন মুখ্যমন্ত্রী। পিছিয়ে গেলো শুনানি।

নিজস্ব প্রতিবেদন: এবারের একুশের ভোটে সকলেরই নজরে ছিল নন্দীগ্রাম। একুশের ভোটের হটস্পট ছিল নন্দীগ্রাম। কারণ এবারে নন্দীগ্রামে হয়েছে দুই হেভিওয়েট এর লড়াই। তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সাথে সম্মুখ সমরে অবতীর্ণ হয়েছিলেন একদা তার দলের সেনাপতি তথা বর্তমান বিজেপি নেতা শুভেন্দু অধিকারী।

টানটান উত্তেজনার শেষে নন্দীগ্রামে জয়লাভ করেছেন শুভেন্দু অধিকারী। ভোটের সময় থেকেই নন্দীগ্রামে যথেষ্ট উত্তপ্ত পরিস্থিতি বিরাজ করছে। শুভেন্দু অধিকারী নন্দীগ্রামের মাটিতে চ্যালেঞ্জ জানিয়েছিলেন যে তিনি মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় কে অনায়াসে হারিয়ে দেবেন। তবে সামান্য ভোটের ব্যবধানে নন্দীগ্রামে জয় পেয়েছেন শুভেন্দু অধিকারী।

আরও পড়ুন-বিজেপির দখলে থাকা মালদা জেলা পরিষদে অনাস্থা প্রস্তাব আনল তৃণমূল কংগ্রেস।

মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর এই জয়কে প্রথম থেকেই দুর্নীতিগ্রস্ত বলে অভিহিত করে আসছেন। নির্বাচন কমিশনকেও তিনি কাঠগড়ায় দাঁড় করিয়েছেন। ফল ঘোষণার ৪৫ দিন পরে নন্দীগ্রামের ভোটের ফলাফলকে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে হাইকোর্টে আপিল করেছিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।তিনি ইলেকশন পিটিশন দায়ের করেছেন।

আরও পড়ুন-“এখনই চালু করা যাবেনা গণপরিবহন। গাড়ির ব্যবস্থা করেই খুলতে হবে অফিস।”- জানালেন ফিরহাদ হাকিম

গণনায় কারচুপির অভিযোগ এর পাশাপাশি নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে বেশ কয়েকটি অভিযোগ এনেছেন মুখ্যমন্ত্রী। আজ সকাল ১১ টায় হাইকোর্টের বিচারপতি কৌশিক চন্দ্রের এজলাসে এই মামলার শুনানি হবে এমনটাই জানা গিয়েছিলো।কিন্তু অবশেষে জানা গেছে এই মামলার শুনানি আজকে হচ্ছে না। পিছিয়ে দেওয়া হয়েছে এই মামলার শুনানি।

আরও পড়ুন-রাষ্ট্রপতি রামনাথ কোবিন্দের সাথে দেখা করে, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের সাথে বৈঠক রাজ্যপালের।

আদালত ঘোষণা করেছে আগামী সপ্তাহে বৃহস্পতিবার এই মামলার শুনানি হতে চলেছে।নন্দীগ্রামে ফলাফল ঘোষণার দিনে যথেষ্ট নাটকীয়তার সৃষ্টি হয়েছিল। প্রথমেই ঘোষণা করা হয়েছিল যে জিতে গিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী কিন্তু তার পরেই জানা যায় যে ১ হাজার ৯৫৬ ভোটে জয়লাভ করেছেন শুভেন্দু অধিকারী। তারপর থেকেই ক্রমাগত তৃণমূল এই ভোটের ফলাফলের বিরুদ্ধে সরব হয়েছে।

তৃণমূলের পক্ষ থেকে পুনর্গণনার আবেদন জানানো হলেও নির্বাচন কমিশন তা খারিজ করে দিয়েছিলো।

Related Articles

Back to top button