ধর্ণায় বসে ছবি আঁকলেন মুখ্যমন্ত্রী

ধর্ণায় বসে ছবি আঁকলেন মুখ্যমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদন: একুশের ভোট ঘিরে থমথমে পরিবেশ বাংলার রাজনৈতিক পটভূমিতে। প্রথম দফার ভোট শান্তিপূর্ণ হওয়ার পর অনেকেই আশ্বস্ত হয়েছিলেন যে বাকি সাতটি দফার ভোট হয়তো শান্তিপূর্ণভাবে সম্পন্ন হতে চলেছে, কিন্তু অচিরেই বাংলার জনসাধারণের ভুল ভেঙে হিংসার বাতাবরণ আরো গাঢ় হয়ে উঠেছে বাকি নির্বাচনী দফা গুলিতে। নন্দীগ্রাম সহ বিভিন্ন প্রান্তে যথেষ্ট হিংসা হানাহানির ঘটনা ঘটেছে।

কোচবিহারের শীতলকুচিতে কেন্দ্রীয় বাহিনীর উপর হামলা করতে গিয়ে তাদের গুলিতে প্রাণ গিয়েছে চারজন তৃণমূল সমর্থকের। এই ঘটনায় সারা রাজ্য জুড়ে প্রবল চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এই ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে সরাসরি দায় চাপিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রক থেকে শুরু করে নির্বাচন কমিশন এবং কেন্দ্রীয় বাহিনীর উপরে। ‌ তিনি অভিযোগ করে বলেছেন যে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রকের নির্দেশে কাজ করছে নির্বাচন কমিশন এবং কেন্দ্রীয় বাহিনী।

আরও পড়ুন-গান্ধী মূর্তির পাদদেশে ধরনা শুরু করলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়

‌ তার এই মন্তব্যকে সম্পূর্ণ নির্বাচনী বিধির বিরোধী বলে ২৪ ঘন্টা মুখ্যমন্ত্রীর জনসভা তথা নির্বাচনী কর্মসূচি বাতিল করে দিয়েছে নির্বাচন কমিশন। নির্বাচন কমিশনের এই সিদ্ধান্তকে অগণতান্ত্রিক আখ্যা দিয়ে আজ বেলা ১২ টার পর গান্ধী মূর্তির পাদদেশে ধর্নায় বসবেন বলেছিলেন মুখ্যমন্ত্রী।

সেইমতো আজ সকাল ৯:৪০ নাগাদ সেনাবাহিনীর ইস্টার্ন কমান্ডের কাছ থেকে গান্ধী মূর্তির পাদদেশে ধর্নায় বসার অনুমতি চেয়েছিল তৃণমূল কংগ্রেস। কিন্তু সময় অনেক কম থাকায় অনুমতি দেয়নি সেনাবাহিনী এমনটাই জানা গিয়েছিল। তারপরে জানা গিয়েছে অনুমতি পেয়ে ধরনায় বসেছেন মুখ্যমন্ত্রী।ধর্নায় বসেই মুখ্যমন্ত্রী নির্বাচন কমিশনের সিদ্ধান্তের প্রতিবাদে কড়া প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন । সেই সাথে তাকে দেখা গিয়েছে ধরনায় বসে ছবি আঁকতে। সেই ছবি তিনি তুলে ধরেছেন সকলের সামনে।