নিউজপলিটিক্সরাজ্য

“বাংলার প্রশাসনকে দুর্বল করতেই রাজনৈতিক চক্রান্ত করছে কেন্দ্রীয় সরকার।”- আলাপন ইস্যুতে সরব হলেন সুখেন্দু শেখর রায়।

নিজস্ব প্রতিবেদন: সম্প্রতি আলাপন বন্দ্যোপাধ্যায় এর আচরণ এবং ব্যবহার নিয়ে প্রশ্ন চিহ্ন তুলে নিয়ে অল ইন্ডিয়া সার্ভিসের ৮ নম্বর ধারা অনুযায়ী তার বিরুদ্ধে শাস্তি মূলক ব্যবস্থা গ্রহণে সচেষ্ট হয়েছে কেন্দ্রের কর্মীবর্গ দপ্তর। এই মর্মে আলাপন বন্দ্যোপাধ্যায়কে চিঠি দিয়ে জানানো হয়েছে যে এই চিঠি পাওয়ার আগামী ৩০ দিনের মধ্যে তাঁকে আত্মপক্ষ সমর্থন করতে হবে এবং তিনি সশরীরে হাজির আজকে এই চিঠির উত্তর দেবেন কিনা তাও জানাতে হবে। তিনি যদি এই চিঠির নির্ধারিত সময়ের মধ্যে উত্তর না দেন তাহলে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ কড়া ব্যবস্থা নেবে। এর ফলে তার অবসরকালীন সুযোগ-সুবিধার উপরে কোপ পড়তে পারে বলে সতর্ক করেছে কেন্দ্রীয় কর্মীবর্গ দপ্তর।

আর এই চিঠির প্রাপ্তির পরেই রাজ্য তৃণমূল নেতারা যথেষ্ট ক্ষোভ উগড়ে দিয়েছেন কেন্দ্রীয় সরকারের উপরে। তৃণমূল নেতা সৌগত রায়, সুখেন্দু শেখর রায় সহ অনেকেই তীব্র বিরোধিতা করেছে কেন্দ্রীয় সরকারের এই চিঠির। তৎকালীন মুখ্যসচিব আলাপন বন্দ্যোপাধ্যায় তাঁর পদ থেকে রিটায়ার করেছেন। বর্তমানে তিনি মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের মুখ্য উপদেষ্টা পদে নিযুক্ত রয়েছেন।

আরও পড়ুন-আজ‌ই জমা পড়তে পারে মনোনয়ন পত্র। পিএসি চেয়ারম্যান কি হবেন মুকুল রায়? তুঙ্গে উঠলো জল্পনা

এবার আলাপনকে কেন্দ্রীয় সরকারের দেওয়া এই চিঠির পরিপ্রেক্ষিতে সরব হয়েছেন কুণাল ঘোষ, পার্থ চট্টোপাধ্যায়, সৌগত রায় থেকে শুরু করে তৃণমূলের নেতারা। এমনকি প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি অধীর চৌধুরীও আলাপন ইস্যুতে কেন্দ্রীয় সরকারের সমালোচনা করেছেন। তৃণমূল নেতা সুখেন্দু শেখর রায় বলেছেন,”আপনারা সকলেই দেখছেন, কেন্দ্রীয় সরকার কিভাবে বাংলার প্রাক্তন মুখ্যসচিবের উপরে একটা নিষ্ঠুর সিদ্ধান্ত জোর করে চাপিয়ে দিয়েছেন । আসলে এই সমস্ত কান্ড করে কেন্দ্রীয় সরকার বাংলার প্রশাসনিক ব্যবস্থাকে দূর্বল করে দিতে চাইছে।

আরও পড়ুন-“ধনখড় হল ভয়ঙ্কর”- রাজ্যপাল পদ অবলুপ্ত করার স‌ওয়াল করলেন প্রসূন বন্দোপাধ্যায়

এটাই একমাত্র ওদের রাজনৈতিক উদ্দেশ্য। আমরা জানতে পেরেছি তাঁর বিরুদ্ধে বিভাগীয় তদন্তের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এমন একজনের বিরুদ্ধে কেন্দ্রীয় সরকার এই নিষ্ঠুর আচরণ করছেন যিনি নিজেকে একজন সৎ, অভিজ্ঞ, ন্যায়পরায়ণ শাসক হিসাবে প্রতিষ্ঠিত করেছেন। উনি একজন সুলেখক।

কয়েকদিন আগেই তিনি মা’কে হারিয়েছেন। আবার ভোটের সময়ে তাঁর ভাইকেও হারিয়েছেন। একজন অবসরপ্রাপ্ত আইএএস অফিসারের বিরুদ্ধে বিভাগীয় তদন্তের নির্দেশ দেওয়া যায়না। আমরা আইন সম্পর্কে জানি।”

Related Articles

Back to top button