“গুলি করে মানুষ গুলোকে মেরে দিয়ে এখন আত্মরক্ষার কথা বলছে কেন্দ্রীয় বাহিনী”- শীতলকুচি কাণ্ডে আবার সরব মুখ্যমন্ত্রী।

“গুলি করে মানুষ গুলোকে মেরে দিয়ে এখন আত্মরক্ষার কথা বলছে কেন্দ্রীয় বাহিনী”- শীতলকুচি কাণ্ডে আবার সরব মুখ্যমন্ত্রী।

নিজস্ব প্রতিবেদন: শীতলকুচি কান্ডে উত্তপ্ত সারা বাংলা। কেন্দ্রীয় বাহিনীর জওয়ানদের ঘেরাও করে আক্রমণ করার অভিযোগে কেন্দ্রীয় বাহিনীর জওয়ানরা গুলি চালিয়েছে যার দরুন প্রাণ গিয়েছে ৪ তৃণমূল সমর্থকের। এই ঘটনায় গত রবিবার সারা রাজ্য জুড়ে কালা দিবস পালন করেছে তৃণমূল। ‌ মুখ্যমন্ত্রীকে নির্বাচন কমিশন অনুমতি দেয়নি কোচবিহারে নিহতদের বাড়িতে যাওয়ার জন্য। ভিডিও কলে নিহত তৃণমূল সমর্থক দের পরিবারের সাথে কথা বলেছেন মুখ্যমন্ত্রী।

ওদিকে ওই বুথেই গুলি করে হত্যা করা হয়েছে আনন্দ বর্মনকে। এই হত্যার অভিযোগ উঠেছে তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতীদের বিরুদ্ধে। এই ঘটনাকে ঘিরে ক্রমেই পারদ চড়ছে বঙ্গ রাজনীতিতে। বিজেপি নেতা রাহুল সিন্‌হা বলেছেন, “সিআরপিএফের ওইদিন চারজনকে না মেরে আটজনকে মারা উচিৎ ছিলো। কারণ যারা আতঙ্কবাদী, মানুষের অধিকার হরণ করে, তাদের যা প্রাপ্য তাই সিআরপিএফ দিয়েছে।

আরও পড়ুন-“আমরা যে কাজ করেছি তার একটাও বিজেপি করে দেখাক।”- বিজেপিকে চ্যালেঞ্জ ছুঁড়লেন মুখ্যমন্ত্রী

“এই প্রসঙ্গে মুখ্যমন্ত্রী বলেছেন, “যারা গুলি চালানোর পক্ষে কথা বলে তাদের নিষিদ্ধ করে দেওয়া উচিৎ।”মুখ্যমন্ত্রী বলেছেন, “কেন্দ্রীয় বাহিনীকে ঢাল হিসেবে ব্যবহার করে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ ষড়যন্ত্র করছেন বাংলার মাটিতে। ভোটারদের গুলি করে মেরে দেওয়া হচ্ছে। ‌ অবিলম্বে অমিত শাহ পদত্যাগ করুন । কেন্দ্রীয় বাহিনীকে আমরা শত্রু বলে মনে করছি না কিন্তু আমরা বিলক্ষণ জানি স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ চক্রান্ত করছেন।

গুলি করে ভোটারদের মেরে দিয়ে এখন আত্মরক্ষার কথা বলছে বাহিনী। বিজেপি জানে তারা হেরে গিয়েছে তাই এখন ভোটারদের গুলি করছে। ‌ বিজেপি হলো একটা রাক্ষসের দল। আমি আপনাদের অনুরোধ করবো এতোসব কিছুর মধ্যেও আপনারা নির্বিঘ্নে ভোট দিতে যান, অযথা কোনো অশান্তির মধ্যে আপনারা যাবেন না।”