নিউজপলিটিক্স

ভোটের আগেই মল্লারপুরে বিজেপি নেতার বাড়িতে পাওয়া গেল বোমা। এছাড়াও বোমা মিলেছে নানুরেও।

নিজস্ব প্রতিবেদন: একুশের ভোট দিলেই যথেষ্ট হিংসা হানাহানি ঘটনা ঘটেছে রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তে। প্রথম পর্যায়ের ভোট যথেষ্ট শান্তিপূর্ণভাবে সমাপন হওয়ার পর অনেকেই ভেবেছিলেন যে বাকি সাতটি দফাও হয়তো এবারে শান্তিপূর্ণভাবে সমাপ্ত হতে চলেছে। কিন্তু অচিরেই মানুষের এই ধারণাকে ভুল প্রমাণ করে দ্বিতীয় দফা থেকে শুরু হয়েছে রক্তারক্তির খেলা। রাজনৈতিক হিংসার শিকার হয়েছেন বেশ কয়েকজন। কোচবিহারেরশীতলকুচিতে ১২৬ নম্বর বুথে কেন্দ্রীয় বাহিনীর গুলিতে মারা গিয়েছেন ৪ তৃণমূল সমর্থক।আজ রাজ্যে অষ্টম দফা অর্থাৎ শেষ দফার ভোটগ্রহণ সম্পন্ন হতে চলেছে।

বীরভূমের মাটিতে আজ ভোট রয়েছে। ভোটে যাতে হিংসা হানাহানি না ছড়ায় তার জন্য বীরভূমের তৃণমূলের রাজ্য সভাপতি অনুব্রত মণ্ডল কে আগামীকাল পর্যন্ত নজর বন্দি করার নির্দেশ দিয়েছে নির্বাচন কমিশন। কিন্তু গতকাল কেন্দ্রীয় বাহিনীর সামনে দিয়েই গাড়ি নিয়ে উধাও হয়ে গিয়েছিলেন অনুব্রত মণ্ডল। অনেক কষ্টে তার নাগাল পেয়েছে কেন্দ্রীয় বাহিনী। কিন্তু অনুব্রত মণ্ডল কে নজর বন্দী করা হলেও বীরভূমের মাটিতে গতকাল উদ্ধার হয়েছে বোমা।

আরও পড়ুন-করোনায় মৃত্যু খড়দার তৃণমূল প্রার্থীর। নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে অনিচ্ছাকৃত খুনের অভিযোগ করলেন তাঁর স্ত্রী।

রাজনৈতিক সন্ত্রাস’ সরানোর জন্যই এই বোমা-গুলি মজুত করে রাখা হয়েছিল। বেশ কয়েকটি জায়গা থেকেই বোমা গুলি উদ্ধার করা হয়েছে।জানা গিয়েছে ময়ূরেশ্বর বিধানসভার অন্তর্গত রাংতাড়া গ্রামে বিজেপির বুথ সভাপতি জয়দেব চক্রবর্তীর বাড়ি থেকে বোমা উদ্ধার করা হয়েছে। এই ঘটনায় জয়দেব বাবু অভিযোগ করেছেন যে, তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতীরা রাতের অন্ধকারে সুযোগ নিয়ে একটি প্যাকেট ওই বোমা-গুলি ভরে তার বারান্দায় ঝুলিয়ে দিয়েছে।

সকালে উঠে তিনি এই বিষয়টি লক্ষ্য করে মল্লারপুর থানার খবর দিয়েছেন। ‌ পুলিশ এসে এই বোমা গুলিকে নিষ্ক্রিয় করেছে। এছাড়া বীরভূমের অন্যতম স্পর্শকাতর’ জায়গা নানুর বিধানসভার অন্তর্গত বনগ্রামে একটি কালভার্টের নীচে প্রায় ১৪ টি তাজা বোমা উদ্ধার করা হয়েছে। বম স্কোয়াড পৌঁছে এই বোমাগুলো নিষ্ক্রিয় করেছে। এছাড়াও জানা গিয়েছে সাঁইথিয়া থানার অন্তর্গত সিওর গ্রামেও একটি পুকুরের পাড় থেকে তিনটি তাজা বোমা উদ্ধার করা হয়েছে। আজ নির্বাচনের শেষ দফায় যাতে কোনরকম সন্ত্রাস না ছড়িয়ে পড়ে তার জন্য কড়া পর্যবেক্ষণ রাখছে নির্বাচন কমিশন।

Related Articles

Back to top button