নিউজপলিটিক্সরাজ্য

“তৃণমূল থেকে যারা বিজেপিতে গিয়েছেন তাদের সাথে বিজেপি মানিয়ে নিতে পারছে না।”- বিজেপি কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের বিরুদ্ধে সরব হলেন বিজেপি সাংসদ সুনীল মন্ডল

নিজস্ব প্রতিবেদন: একুশের ভোটে তৃণমূলের কাছে শোচনীয়ভাবে পরাজিত হয়েছে বিজেপি। বিজেপির এই পরাজয়ের পেছনে কেন্দ্রীয় হিন্দিভাষী নেতাদের আধিপত্যকে দায়ী করছেন রাজ্য বিজেপির নেতা নেত্রীরা। একুশের ভোটের প্রচার লগ্নে বাংলার মাটিতে বারবার ছুটে এসেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ সহ আরো বেশ কিছু কেন্দ্রীয় নেতা মন্ত্রীরা। কিন্তু বাংলার আপামর বাঙালি জনগণ হিন্দিভাষী নেতাদের বক্তব্য সঠিক ভাবে নিতে পারেনি বলে অভিযোগ করেছেন রাজ্যের বিজেপির শীর্ষ নেতারা।

সেই সাথে অনেকেই বলেছেন যে বাংলার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় কে প্রধানমন্ত্রীর ‘দিদি ও দিদি’ বলে কটাক্ষ ভালোভাবে গ্রহণ করেনি বাংলার মানুষজন। তাই বিজেপির ভরাডুবি হয়েছে বাংলার মাটিতে। বিজেপির পরাজয় এর পরেই রীতিমতো ঘর ভাঙতে শুরু করে দিয়েছে বিজেপির। একুশের ভোটের আগে দলে দলে লোকজন তৃণমূল থেকে ঢুকেছিলেন বিজেপিতে।

আরও পড়ুন-“শুভেন্দু অধিকারী আগে বাড়িতে গিয়ে তাঁর বাবাকে শেখান দলত্যাগ বিরোধী আইন কি জিনিস।”- শুভেন্দুকে কটাক্ষ কুণাল‌ ঘোষের।

বিজেপির হারের পর এবার বিজেপি থেকে তৃণমূলে প্রত্যাবর্তন করতে শুরু করেছেন দল বদলু নেতা কর্মীরা।এবার বিজেপির বিরুদ্ধে সরব হলেন আরেক তৃণমূল ত্যাগী বিজেপি সাংসদ। পূর্ব বর্ধমানের বিজেপি সাংসদ সুনীল মন্ডল বলেছেন,”আমরা যে সাংগঠনিক দল করে এসেছি সেই জায়গাটা আমরা পাচ্ছি না। শুভেন্দু আমাকে যা প্রতিজ্ঞা করেছিলো সেটা রাখতে পারেনি।

যারা তৃণমূল থেকে গিয়েছে, বিজেপি তাদের সাথে মানিয়ে নিতে পারছে না। বিজেপি হয়তো মনে করছে এদেরকে বিশ্বাস করা ঠিক হচ্ছে না। তথাগত, দিলীপ ঘোষ বলেছেন যে যারা ২০১৯ এর পরে এসেছেন তাঁরা আগে বিজেপি হোক তারপর তাদের কথা ভাববো। এই কথাটি উনারা খুবই ভুল বলেছেন।

আরও পড়ুন-বিধানসভায় মুকুলকে বড় দায়িত্ব দেওয়ার ভাবনা চিন্তা তৃণমূলের। এখনই বিধায়ক পদ ছাড়বেন না মুকুল রায়।

যারা বাংলায় প্রচারে এসেছিলেন তাদের সাথে ভাষাগত পার্থক্য হয়েছে। তাদের পলিটিক্যাল জ্ঞান‌ও ততটা সুদৃঢ় ছিলোনা। এই গ্রামে গঞ্জের মানুষ হিন্দি ওত বুঝবে কিভাবে ?”তৃণমূল সাংসদ কল্যান বন্দ্যোপাধ্যায় বলেছেন, “সুনীল মন্ডলের মতো লোক হলেন ধান্দাবাজ লোক।

ধান্দার জন্য উনারা বিজেপিতে যান। এখন উনারা তৃণমূলে ফেরার জন্য আঁকুপাঁকু করছেন।”

Related Articles

Back to top button