নিউজবিনোদন

অভিনেত্রী ত্বরিতাকে জন্মদিনের শুভেচ্ছা জানাতে গিয়েছিলেন। বাড়িতে ঢুকতে দেওয়া হলনা মদন মিত্রকে। কি বললেন তিনি?

নিজস্ব প্রতিবেদন: তিনি মদন মিত্র। রাজ্যের বহু তরুণ তরুণীরা তাঁর একনিষ্ঠ ভক্ত হয়ে গিয়েছে। সদা সর্বদা রঙিন মেজাজেই থাকতে দেখা যায় তৃণমূলের এই দোর্দন্ডপ্রতাপ মন্ত্রীকে। কিন্তু কখনোই তাঁকে মেজাজ হারাতে দেখা যায়নি।

তিনি সর্বদাই শান্ত , সংযত থাকেন। তবে তাঁকে আরো জনপ্রিয়তা দিয়েছে তাঁর একের পর এক ফেসবুক লাইভ। ফেসবুক লাইভে পরিপাটি পোশাকে তাঁকে প্রায়শ‌ই নানান বিষয়ে কথা বলতে দেখা যায়। সুসজ্জিত পোশাকের পাশাপাশি তার সানগ্লাস‌ও হল অন্যতম একটি ফ্যাশান।

আরও পড়ুন-“ভালোবাসার নতুন মানে শেখালে তুমি”- ছোট্ট দেবায়নের জন্য বার্তা দিলেন গায়িকা শ্রেয়া।

অনুরাগীদের মতো এখনও তাঁর মনে বসন্তের ছোঁয়া রয়েছে। ফেসবুক লাইভে কখনো গান আবার কখনো আবৃত্তিতে ডুবে থাকেন মদন মিত্র। কেন্দ্রীয় সরকারের সমালোচনা করতেও দেখা যায় তাঁকে।এ হেন মদন মিত্র অভিনেত্রী ত্বরিতা চট্টোপাধ্যায় এর জন্মদিনে তাঁকে শুভেচ্ছা জানাতে গিয়েছিলেন।

কিন্তু মদন মিত্র বলেছেন যে, ত্বরিতা এবং তাঁর স্বামী তথা তরুণকুমারের নাতি সৌরভ তাঁকে বাড়িতে ঢুকতে দেননি। কিন্তু সত্যি ঘটনাটি কি ? ব্যাপারটি লাইভ ভিডিওতে নিজেই খোলসা করেছেন মদন বাবু।মদন বাবু একটি লাইভ ভিডিওতে সৌরভ এবং ত্বরিতার সাথে উপস্থিত হয়ে বলেছেন যে, “আমি গত সোমবার ত্বরিতাদের বাড়ি গিয়েছিলাম ওদের জন্মদিনের শুভেচ্ছা জানাতে।

আরও পড়ুন-“দেশের আইন ব্যবস্থার উপর ভরসা করি, মিডিয়ার ট্রায়ালের দরকার নেই”- মন্তব্য শিল্পা শেঠির।

কিন্তু আমাকে তখন ওদের বাড়িতে ঢুকতে দেওয়া হয়নি। তাই বাধ্য হয়ে আমি চলে আসি। কতগুলো রাস্তার কুকুর আমাকে তাড়া করেছিল। আসলেই ব্যাপারটি হলো আমি রাত আড়াইটের সময় ওদের বাড়ি গিয়েছিলাম।

তাই ঢুকতে পারিনি।”আসলে এই বিষয়ে ত্বরিতা এবং সৌরভের সাথে মস্করা করেছেন কামারহাটির তৃণমূল বিধায়ক মদন মিত্র। সর্বদা রঙিন তিনি। মদন মিত্র বলেছেন যে, বর্তমানে ত্বরিতা তাঁর পছন্দের একজন অভিনেত্রী।

আরও পড়ুন-“নিঃস্বার্থ ভালোবাসা খুবই মূল্যবান। ভয়ে রয়েছি, ওকে ধরে রাখতে পারবো কি না”- আশঙ্কা করছেন নুসরত

এছাড়াও প্রযোজকদের কাছে মদন মিত্র অনুরোধ করেছেন যে, ত্বরিতার মতো মেয়েদের ইন্ডাস্ট্রিতে আর‌ও এগিয়ে নিয়ে যেতে । এছাড়া মদন বাবু বলেছেন যে, তিনি যদি উত্তম কুমারের পা ছুঁতে পারতেন তাহলে তিনি নিজেকে ধন্য মনে করতেন।

Related Articles

Back to top button