প্রেমিকা অঙ্কিতাকে জাপটে ধরে সারাজীবন পাশে থাকার আশ্বাস দিয়েছিলো সুশান্ত, হঠাৎ প্রকাশ্যে সেই ভিডিও

সুশান্তের মৃ-ত্যু-র পর সুশান্তের ও অঙ্কিতার সম্পর্কে অনেক কথাই বলেছেন তাঁদের দুজনের ঘনিষ্ঠ বন্ধু সন্দীপ সিং। সন্দীপ বলেছেন যে, “আজ একমাত্র অঙ্কিতাই আটকাতে পারতো সুশান্তর মৃ-ত্যু-র দিকে এগিয়া যাওয়াটাকে। ওদের ভালোবাসা নিখাদ ছিলো। সুশান্তের পছন্দের রান্না করতো অঙ্কিতা। এমনকি সুশান্তের সাথে সম্পর্ক থাকাকালীন একপ্রকার নিজের কেরিয়ার‌ই বিসর্জন দিতে বসেছিলেন অঙ্কিতা। অঙ্কিতা শুধু ওর প্রেমিকাই ছিলোনা।

আরও পড়ুন-“খুব তাড়াতাড়ি সুস্থ হও বোন”,বিজেপি সাংসদ লকেট চ্যাটার্জীর দ্রুত আরোগ্য কামনা করে টুইট করলেন অধীর চৌধুরী!!

সুশান্তর জীবনে মায়ের অভাব পূরণ করেছিলো ও। সুশান্তের সাথে সম্পর্ক বিচ্ছেদের পর সুশান্তের প্রতিটি ছবি রিলিজ হ‌ওয়ার দিন ও ভগবানের কাছে মানত রাখতো। সুশান্তের আ-ত্ম-হ-ত্যা- র দিন আমি নাগাড়ে অঙ্কিতাকে ফোন করে গেছি। কিন্তু অঙ্কিতা ফোন ধরেনি। একসময় আমি ওর বাড়ি যাই, তখন কান্নায় ভেঙে পড়ে আমাকে দুঃখে জড়িয়ে ধরে অঙ্কিতা। আমি শুধুমাত্র সুশান্ত আর অঙ্কিতার এই মিষ্টি সম্পর্ক টাকেই সারাজীবন স্মৃতির পাতায় রেখে দিতে চাই।

আরও পড়ুন- বাথটবে শুয়ে লাস্যময়ী নুসরত, মুহূর্তে সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল সেই লুকের ছবি, রইলো সেই ছবি

অঙ্কিতা সত্যিই সুশান্তকে ভালোবাসতো। এখনও অঙ্কিতার ফ্ল্যাটের দরজার নেমপ্লেটে সুশান্তের নাম জ্বলজ্বল করছে।”পবিত্র রিস্তা সিরিয়ালের সময় থেকেই প্রেমের বন্ধনে আবদ্ধ হয়েছিলেন সুশান্ত ও অঙ্কিতা।
এবার সামনে এসেছে সেই পবিত্র রিস্তা ধারাবাহিকের একটি রোমান্টিক মূহুর্তের ক্লিপিংস। এই ধারাবাহিক টা জি টিভিতে প্রায় পাঁচ বছর চলেছিলো। সুশান্ত-অঙ্কিতার জুটি সেই ধারাবাহিকের আকর্ষণের অন্যতম কেন্দ্রবিন্দু হয়ে দাঁড়িয়েছিলো।

আরও পড়ুন- একে নিন্মচাপের জের, তার ওপর পূর্ণিমায় ফুঁসছে দিঘা, উপচে পড়ছে বৃহৎ আকারের ঢেউ, সেই জলের তোড়ে ভেসে এল মৃ’তদেহ

মানব-অর্চনা নামের ওই জুটির রসায়ন এখনও দর্শকদের মুখে মুখে ফেরে। এবার সেই ধারাবাহিকের সুশান্ত-অঙ্কিতার একটি রোমান্টিক মূহুর্তের ভিডিও সামনে এসেছে, যেখানে অঙ্কিতাকে বুকে জড়িয়ে ধরে সারাজীবন তাঁর পাশে থাকার আশ্বাস দিচ্ছেন সুশান্ত। এই ভিডিওটি ইতিমধ্যেই বিরাট সাড়া ফেলে দিয়েছে সোশ্যাল মিডিয়ায়। অতীতের সেই রঙিন দিনের কথা স্মরণ করে আবেগে ভাসছেন বহু মানুষ। সুশান্ত পারেননি অঙ্কিতার পাশে সারাজীবন থাকতে। কালের ঘোর নিয়তি তাঁদের চলার পথ আলাদা করে দিয়েছিলো। সুশান্ত হারিয়ে গেলেন গাঢ় অন্ধকারে।

এখানে আপনার মতামত জানান