অভিষেককে দেখেই কেঁদে ফেললেন সুব্রত বক্সি। বললেন , “সব উজাড় করে দেবো।”

অভিষেককে দেখেই কেঁদে ফেললেন সুব্রত বক্সি। বললেন , “সব উজাড় করে দেবো।”

নিজস্ব প্রতিবেদন: গত শনিবার তৃণমূল ভবনে সাংগঠনিক বৈঠক করেছেন মুখ্যমন্ত্রী। জানা গিয়েছে ওই বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন জেলা সভাপতি, সাংসদ, পুর প্রশাসক এবং বিধায়করা । করোনা পরিস্থিতির জন্য দূরবর্তী জেলার প্রতিনিধিদের ভার্চুয়াল মাধ্যমে এই বৈঠকে অংশগ্রহণ করতে বলা হয়েছিলো। এই বৈঠকে বেশ কিছু সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

তার মধ্যে অন্যতম হল যুব তৃণমূলের সভাপতি পদ থেকে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের ইস্তফা। জানা গিয়েছে এবার তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক পদে আসীন হয়েছেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। তাঁর জায়গায় যুব তৃণমূলের সভাপতি পদে আসীন হতে চলেছেন তৃণমূলের আসানসোলের তারকা প্রার্থী সায়নী ঘোষ। এছাড়াও আরো বেশ কিছু রদবদল হয়েছে ।

আরও পড়ুন-“ফেসবুকে যখন তখন যা খুশি বলা যাবে না।”- ফেসবুক লাইভ প্রসঙ্গে মদন মিত্রকে ভর্ৎসনা করলেন মুখ্যমন্ত্রী।

সর্বভারতীয় তৃণমূল সম্পাদকের দায়িত্ব পাওয়ার পরেই, দলের তিন বর্ষীয়ান নেতার সাথে সাক্ষাৎ করেছেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। সুব্রত বক্সী, সুব্রত মুখোপাধ্যায় এবং পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের বাড়িতে গিয়ে তাদের আশীর্বাদ প্রার্থনা করেছেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। প্রথমেই ডায়মন্ড হারবারের তৃণমূল সাংসদ অভিষেক গতকাল রবিবার গিয়েছিলেন পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের বাড়িতে। সেখানে পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের থেকেই তিনি পরামর্শ গ্রহণ করেছেন।

আরও পড়ুন-যুব তৃণমূলের সাধারণ সম্পাদক হলেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়।

তার পরেই তিনি গিয়েছিলেন সুব্রত বক্সীর ভবানীপুরের বাড়িতে। সেখান থেকে বেরিয়ে তিনি গড়িয়াহাটে সুব্রত মুখোপাধ্যায় এর বাড়িতে যান।তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক পদে আসীন ছিলেন সুব্রত বক্সী। সেই দায়িত্বভার এখন অভিষেকের কাঁধে।

আরও পড়ুন-যুব তৃণমূলের রাজ্য সভাপতি হতে চলেছেন সায়নী ঘোষ

সুব্রত বক্সীর কাছে যাওয়া মাত্রই যথেষ্ট আবেগপ্রবণ হয়ে পড়েছিলেন সুব্রত বাবু। চোখে জল এসে যায় তার। অভিষেককে জড়িয়ে ধরে তিনি বলেন, “জীবনের সমস্ত কিছু তোকে উজাড় করে দেব।“সুব্রত মুখোপাধ্যায় অভিষেককে বলেছেন যে, “আমাদের সামনে একটাই লক্ষ্য, এবার দিল্লির মাটিতে শক্তি বৃদ্ধি করতে হবে।”