টিকার প্রথম ডোজ নিয়েও করোনায় প্রাণ হারালেন রাজ্যের স্বাস্থ্য অধিকর্তা গৌতম চৌধুরী।

টিকার প্রথম ডোজ নিয়েও করোনায় প্রাণ হারালেন রাজ্যের স্বাস্থ্য অধিকর্তা গৌতম চৌধুরী।

নিজস্ব প্রতিবেদন: সারা রাজ্য জুড়ে রীতিমতো ভয়াবহ পরিস্থিতির সৃষ্টি করেছে করোনা ভাইরাস। তবে গত কয়েকদিন ধরেই দৈনিক আক্রান্তের সংখ্যা কিছুটা হলেও কমেছে বলে জানা গিয়েছে। এখনো পর্যন্ত বাংলায় করোনা আক্রান্ত হয়েছেন মোট ১৩ লক্ষ ৯৪ হাজার ৭২৪ জন। মৃত্যু হয়েছে ১৫ হাজার ৮১৩ জনের। সুস্থ্য হয়েছেন ১৩ লক্ষ ৮ হাজার ৮৯৬ জন।

গত ২৪ ঘন্টায় আক্রান্ত হয়েছেন ৮,৯২৩ জন। গত ২৪ ঘন্টায় মৃত্যু হয়েছে ১৩৫ জনের। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় গত সোমবার বলেছেন যে, “সারা ভারতের মধ্যে এখনো টীকা দেওয়ায় শীর্ষস্থানে রয়েছে পশ্চিমবঙ্গ। এখনো পর্যন্ত পশ্চিমবঙ্গের ১ কোটি ৪১ লক্ষ মানুষকে ভ্যাকসিন দেওয়া হয়েছে। ভ্যাকসিনের প্রথম ডোজ দেওয়া হয়েছে ১.১ কোটি মানুষকে এবং দ্বিতীয় ডোজ দেওয়া হয়েছে ৪০ লক্ষ মানুষকে।

আরও পড়ুন-“এবার নাহয় মুখ্যমন্ত্রীকেই শোকজ করুন”- বললেন কেন্দ্রীয় সংস্কৃতি মন্ত্রকের প্রাক্তন সচিব

১১৪ কোটি টাকা খরচ করে মে মাসে ১৮ লক্ষ এবং জুন মাসে আরো ২২ লক্ষ ডোজ কিনেছে রাজ্য।“এর মধ্যেই এলো একটি দুঃসংবাদ। করোনায় আক্রান্ত হয়ে প্রাণ হারালেন রাজ্যের স্বাস্থ্যকর্তা গৌতম চৌধুরী। জানা গিয়েছে গতকাল বুধবার গভীর রাতে মেডিকা হসপিটালে তাঁর মৃত্যু হয়। করোনার প্রথম ডোজ নিয়েছিলেন গৌতম বাবু। কিন্তু তবুও বাঁচানো গেলো না তাঁকে।

আরও পড়ুন-‘বিজেপিতে আছে বলেই শুভেন্দুরা বেঁচে গিয়েছেন।’- শুভেন্দু অধিকারীকে আক্রমণ কুণাল ঘোষের।

গৌতম চৌধুরী ভিন রাজ্য থেকে বাংলায় টিকা নিয়ে আসা এবং সেই টিকা বাগবাজারের সেন্ট্রাল স্টোরে মজুত করার পর বিভিন্ন জেলায় বন্টন করার দায়িত্বে ছিলেন। যথেষ্ট দায়িত্বপূর্ণ ভাবেই নিজের কাজ সম্পাদন করতেন তিনি। কয়েকদিন আগে করোনায় আক্রান্ত হয়েছিলেন গৌতম বাবু। ভর্তি ছিলেন মেডিকা তে। অবস্থার অবনতি হ‌ওয়ায় তাঁকে ভেন্টিলেশনে দেওয়া হয়েছিলো। গতকাল গভীর রাতে তিনি প্রয়াত হন। তাঁর মৃত্যুতে শোকপ্রকাশ করেছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।