নিউজপলিটিক্সরাজ্যরেল

“অবিলম্বে চালু করুন লোকাল ট্রেন।”- হাওড়ার ডিআর‌এমের সাথে দেখা করে চিঠি দিলেন লকেট চট্টোপাধ্যায়

নিজস্ব প্রতিবেদন: করোনা আবহে বন্ধ হয়ে রয়েছে লোকাল ট্রেনের চলাচল। যে কয়েকটি স্টাফ স্পেশাল চলছে তাতে শুধু ওঠার অনুমতি রয়েছে রেল কর্মচারী, ব্যাঙ্ককর্মী, স্বাস্থ্যকর্মীদের। এদিকে রাজ্য জুড়ে চালু করা হয়েছে সরকারি এবং বেসরকারি অফিস গুলি। যার দরুণ অফিসে না যেতে পেরে যথেষ্ট সঙ্কটে পড়েছেন বহু মানুষ।

কর্মচারীদের যাতায়াতের ব্যবস্থা অফিসগুলোকে করতে বললেও বেশিরভাগ অফিস এখনো তাদের কর্মচারীদের যাতায়াতের ব্যবস্থা করতে পারেনি। যার দরুণ সংকটজনক পরিস্থিতির মধ্যে পড়েছে বিশেষ করে বেসরকারি অফিসের কর্মচারীরা। এইবার বহু মানুষ আওয়াজ তুলছেন যে অবিলম্বে লোকাল ট্রেন চালু হোক। সকলেই বলছেন বার, রেস্তোরাঁ খোলা থাকলে ট্রেন চালু হবে না কেন?

আরও পড়ুন-“উপনির্বাচনে বিজেপি ভয় পাচ্ছে কেন ? ওদের গণতন্ত্রে বিশ্বাস নেই।”- বিজেপিকে কটাক্ষ দিলীপ ঘোষের।

এই দাবি জানিয়ে গতকাল সকাল থেকে ধুন্ধুমার কান্ড ঘটে গিয়েছে সোনারপুর এবং শিয়ালদহ দক্ষিণ শাখার মল্লিকপুর স্টেশনে। গতকাল সকালে সোনারপুর স্টেশনে অফ ক্যানিং স্টাফ স্পেশাল ট্রেন আটকে দিয়ে অবরোধ শুরু করে দিয়েছেন নিত্যযাত্রীরা। ‌ সকলের দাবি অবিলম্বে চালাতে হবে লোকাল ট্রেন। ঘন্টা খানিক পরে রেল পুলিশ ওই অবরোধ উঠিয়ে দেয়।

তারপর আবার ওই ট্রেন পৌঁছে বারুইপুর শাখার মল্লিকপুর স্টেশনে, সেখানে পৌঁছানো মাত্র‌ই এক‌ই দাবিতে ওই স্টেশনেও ট্রেন আটকে অবরোধ শুরু করে দেয় বিক্ষুব্ধ নিত্যযাত্রীরা। এর পাশাপাশি ক্যানিং শাখার ঘুটিয়ারি স্টেশনেও অবরোধ শুরু হয়ে যায়।কিন্তু মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় স্পষ্ট করে জানিয়ে দিয়েছেন যে এই মুহূর্তে লোকাল ট্রেন চালু করা সম্ভব নয়।এই আবহের মধ্যে লোকাল ট্রেন চালু করার আর্জি জানিয়ে হাওড়া ডিভিশনের ডিআরএম সুমিত নারুলার সাথে সাক্ষাৎ করেছেন বিজেপি সাংসদ লকেট চট্টোপাধ্যায়।

আরও পড়ুন-রবীন্দ্রনাথের মূর্তির ফলকে রাজ্যের যুগ্মসচিব হিসাবে দেবাঞ্জন দেবের নাম। ভাঙলো প্রশাসন।

তিনি ডিআরএম কে লোকাল ট্রেন চালানোর আবেদন জানিয়ে একটি চিঠি দিয়েছেন।লকেট আর্জি জানিয়েছেন যে, “করোনার ভয়াবহ পরিস্থিতিতে লোকাল ট্রেন অনেকদিন ধরেই বন্ধ রয়েছে। বর্তমানে কয়েকটি স্টাফ স্পেশাল চলাচল করলেও সাধারণ মানুষ তাতে উঠতে পারছেন না। অনেকেই নিজের খরচা করে অফিস যেতে গিয়ে যথেষ্ট আর্থিক সংকটের সম্মুখীন হতে হচ্ছে।

সাধারণ মানুষের আর্থিক পরিস্থিতি অনেকটাই নিন্মগামী হয়েছে। তাই এই পরিস্থিতিতে কোভিড বিধি মেনে যদি লোকাল ট্রেন চালানো যায় তাহলে বহু মানুষ বাঁচবেন।”

Related Articles

Back to top button