প্রচারে মাস্ক পরা নিয়ে ভিন্নমত তারকা প্রার্থীদের

প্রচারে মাস্ক পরা নিয়ে ভিন্নমত তারকা প্রার্থীদের

নিজস্ব প্রতিবেদন: রাজ্যের বুকে ক্রমশ সন্ত্রাসের আবহ বৃদ্ধি করছে করোনা ভাইরাস। এই ভাইরাসের প্রভাবে সারা বাংলার মধ্যে ব্যাপক সংকটজনক পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে। তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় একুশের এই ভোটের আবহের মধ্যে বাংলার এই সংকটময় পরিস্থিতিতে বারবার কেন্দ্রীয় সরকারকে অনুরোধ করছেন পর্যাপ্ত ভ্যাকসিন এবং ওষুধ পাঠাতে। গতকালের পরিসংখ্যান অনুযায়ী একদিনে রাজ্যে করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন ৯ হাজার ৮১৯ জন।

২৪ ঘন্টায় মারা গিয়েছেন ৪৬ জন। এখনো পর্যন্ত এই ভাইরাসের কবলে পড়েছেন ৬ লক্ষ ৭৮ হাজার ১৭২ জন। এই ভাইরাস প্রাণ নিয়েছে ১০ হাজার ৬৫২ জনের। সুস্থ হয়েছেন ৬ লক্ষ ৯ হাজার ১৩৪ জন। বাংলায় তৃণমূল, বিজেপি এবং সিপিএম সংযুক্ত মোর্চা কোন বড় জনসভা করবে না বলে জানিয়েছে কিন্তু তবুও ছোট জনসভাগুলোতেও করোনা বিধি কিভাবে বলবৎ থাকবে , সে সম্পর্কে একটা প্রশ্নচিহ্ন থেকেই যাচ্ছে।এদিকে বাংলার একুশের ভোটে মাস্ক পরা, সোশ্যাল ডিসট্যান্সিং নিয়ে ভিন্নমত ব্যক্ত করছেন তারকা প্রার্থীরা।

বেশিরভাগ তারকারাই সোশ্যাল মিডিয়ায় সমগ্র দেশবাসী কে অনুরোধ করছেন এই বিপদজনক পরিস্থিতিতে মাস্ক পরতে এবং নির্দিষ্ট শারীরিক দূরত্ব মেনে চলতে। ‌ বেহালা পূর্বে প্রার্থী পায়েল সরকার এই ভয়াবহ আবহের মধ্যে মাস্ক পড়ার গুরুত্ব সকলের কাছে তুলে ধরেছেন, এবং তিনি মাস্ক বিতরণ করছেন তার প্রচারাভিযানে। কিন্তু তৃণমূল প্রার্থী তথা চিত্র পরিচালক রাজ চক্রবর্তী বলেছেন যে মানুষ তার সাথে হাত মেলাতে চান আলিঙ্গন করতে চান। সব সময় শারীরিক দূরত্ব মেনে চলা প্রচারাভিযানে সম্ভব হয় না। কিন্তু তবুও রাজ চক্রবর্তী মাস্ক পরেই প্রচারপর্ব সারছেন।

আরও পড়ুন-ষষ্ঠ দফা ভোটের আগেই হিংসা হানাহানি বাংলায়। অর্জুন সিং এর বাড়ির সামনে পড়লো বোমা।

যশ দাশগুপ্ত বর্তমানে সকলকে অনুরোধ করছেন সোশ্যাল ডিসটেন্সিং বজায় রাখতে এবং মাস্ক পরতে। বেহালা পশ্চিম কেন্দ্রের বিজেপি প্রার্থী শ্রাবন্তী চট্টোপাধ্যায় বলেছেন, প্রচারে বেরিয়ে মাস্ক দিয়ে মুখ ঢাকলে জনতার কাছ থেকে‌ সেই সাড়া পাওয়া যাবেনা। বাম তারকা প্রার্থী দেবদূত ঘোষ বলেছেন যে সবার আগে মানুষের সুরক্ষা। সকলকে মাস্ক পড়তে হবে এবং সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখতে হবে ।

আবার আসানসোল দক্ষিণের তারকা প্রার্থী সায়নী ঘোষ বলেছেন যে, এই বিপজ্জনক পরিস্থিতিতে নরেন্দ্র মোদী যদি বাংলার মাটিতে প্রচারাভিযান চালাতে পারেন তাহলে তারাও প্রচার অভিযান চালাতে পারবেন। ‌ সায়নী ঘোষ অবশ্য সোশ্যাল ডিসটেন্সিং মেনে চলছেন না । তিনি মিশে যাচ্ছেন জনমানুষের মধ্যে।তবে স্বাস্থ্য দপ্তর বারবার অনুরোধ করছে জনসাধারণকে যতটা সম্ভব ঘরে থাকতে, মাস্ক পরতে এবং স্যানিটাইজার ব্যবহার করতে এবং সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখতে।