মুকুল রায়ের বাড়িতে হঠাৎ উপস্থিত সৌমিত্র খাঁ। শুরু হল জল্পনা।

মুকুল রায়ের বাড়িতে হঠাৎ উপস্থিত সৌমিত্র খাঁ। শুরু হল জল্পনা।

নিজস্ব প্রতিবেদন: একুশের ভোটের আগে রাজ্যে পালাবদলের ইঙ্গিত পেয়ে তৃণমূল ছেড়ে বিজেপিতে আশ্রয় নিয়েছিলেন বেশ কিছু তৃণমূল নেতা নেত্রীরা। তারাই আবার তৃণমূলের জয়লাভের পর ১৮০ ডিগ্রি ঘুরে গিয়ে তৃণমূলে ফিরতে চাইছেন। দলবদলু বেশ কিছু নেতা নেত্রীরা আবার বিজেপির ছত্রছায়া ছেড়ে তৃণমূলে ফিরতে মরিয়া হয়ে উঠেছেন ‌। তৃণমূলের ফিরেছে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় কে চিঠি লিখেছেন প্রাক্তন তৃণমূল বিধায়ক সোনালী গুহ, প্রাক্তন তৃণমূল বিধায়ক দীপেন্দু বিশ্বাস সহ আরো বেশ কয়েকজন বিজেপি নেতা নেত্রীরা।

এদিকে বিজেপি নেতা তথা একসময়ের দাপুটে তৃণমূল নেতা মুকুল রায়ের অবস্থান নিয়েও যথেষ্ট চিন্তিত বিজেপি। আবার কয়েকদিন আগেই বিজেপির হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপ ছেড়ে বেরিয়ে গিয়েছেন বিষ্ণুপুরের বিজেপি সাংসদ সৌমিত্র খাঁ। বিষ্ণুপুরের রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষের বৈঠকে অনুপস্থিত ছিলেন সৌমিত্র খাঁ। এই প্রসঙ্গে তিনি বলেছিলেন যে লকডাউন এর কারণে তিনি দিলীপ ঘোষের ডাকা বৈঠকে উপস্থিত হননি।

আরও পড়ুন-“অগ্নিকুন্ডের উপর বসে রয়েছে বাংলা।”- ভাটপাড়ায় দুষ্কৃতীদের ছোঁড়া বোমার আঘাতে ট্যাক্সি চালকের মৃত্যুতে বললেন রাজ্যপাল।

কিন্তু এর পরেই তিনি বিধি নিষেধ উপেক্ষা করে গতকাল রবিবার সল্টলেকে মুকুল রায়ের বাড়িতে উপস্থিত হয়েছেন। এর ফলে জোর বৃদ্ধি পেয়েছে রাজনৈতিক জল্পনা। সৌমিত্র খাঁ যখন মুকুল রায়ের বাড়িতে যান তখন মুকুল পত্র শুভ্রাংশু রায় উপস্থিত ছিলেন বাড়িতে। সেখানে দীর্ঘক্ষন তাদের মধ্যে কথাবার্তা হয়।

আরও পড়ুন-“দিলীপ ঘোষের সামনেই বিক্ষোভটা হ‌ওয়া উচিৎ।”- চুঁচুড়ায় দিলীপ ঘোষের বিরুদ্ধে বিক্ষোভের প্রসঙ্গে ভাইরাল অডিও ক্লিপ।

এমনিতেই কয়েকদিন ধরে যথেষ্ট বেসুরো মুকুল রায় এবং তার পুত্র শুভ্রাংশু রায়। কয়েকদিন আগেই বিজেপিকে আত্মসমালোচনার পাঠ দিয়েছিলেন শুভ্রাংশু। তার অসুস্থ মাকে হাসপাতালে দেখতে যাওয়ার অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় এর যথেষ্ট প্রশংসা করেছেন শুভ্রাংশু রায়। দিলীপ ঘোষের সাথে কার্যত ঠান্ডা লড়াই বেঁধেছে মুকুলের।

আরও পড়ুন-হঠাৎ করেই বিজেপির হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপ ছাড়লেন বিজেপি সাংসদ সৌমিত্র খাঁ। শুরু জল্পনা।

এর ফলে হঠাৎ করে সৌমিত্র খাঁ এর আগমনকে ভালো চোখে দেখছে না বিজেপি নেতৃত্ব। তবে সৌমিত্র খাঁ জানিয়েছেন, “আমার সাথে মুকুলবাবুর বহুদিনের সম্পর্ক। উনি আমার রাজনৈতিক গুরু। ‌ কাকিমার শরীর খারাপ বলে আমি খোঁজখবর নিতে এসেছি। সেই সাথে মুকুলবাবুর সাথে রাজনৈতিক আলোচনায় সম্পন্ন হয়েছে।”