নিউজপলিটিক্সরাজ্য

আবার বিজেপির অস্বস্তি বাড়ালেন সৌমিত্র খাঁ।

নিজস্ব প্রতিবেদন: সৌমিত্র খাঁ কে নিয়ে বারবার দলীয় কোন্দল প্রকাশিত হচ্ছে রাজ্য রাজনীতিতে। সৌমিত্র খাঁ ঠিক কি চাইছেন তা তাবড় তাবড় রাজনীতিকরাও বুঝে উঠতে পারছেন না। এদিকে সৌমিত্র খাঁ এর বিরুদ্ধে এবার যুব মোর্চার সিংহভাগ কর্মীরাই অভিযোগ জানাতে শুরু করে দিয়েছেন। সোশ্যাল মিডিয়ায় বিজেপি রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ এবং বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীর সম্পর্কে যথেষ্ট তির্যক মন্তব্য করতে শুরু করেছিলেন।

যার জন্য সৌমিত্র খাঁ ‘র বিরুদ্ধে বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি জে পি নাড্ডার কাছে অভিযোগ জানিয়েছিলেন দিলীপ ঘোষ। এরপরেই নাড্ডা, সৌমিত্রের সাথে সাক্ষাৎ করে তাঁকে সাবধান করে দিয়েছিলেন। এদিকে সৌমিত্র তার পরেই দিলীপ ঘোষের কাছ থেকে ক্ষমা চেয়ে নিয়েছিলেন, যার ফলে তাদের মধ্যে উত্তেজনার আগুন প্রশমিত হয়েছিলো। কিন্তু এর পরে আবার অভিযোগ উঠেছে সৌমিত্রের বিরুদ্ধে।

আরও পড়ুন-অসুস্থতার জন্য এক মাস সময় চাইলেন শিশির অধিকারী।

দলের যুব মোর্চার কর্মীরা দিলীপ ঘোষের কাছে অভিযোগ করেছেন যে, দলে সভাপতি পদে থাকার সুযোগ নিয়ে রীতিমতো স্বেচ্ছাচারিতা চালাচ্ছেন সৌমিত্র খাঁ। তিনি রাজনৈতিক জগতে থাকতে দেবেন না বলে দিনরাত শাসানি দিচ্ছেন।কয়েকদিন আগেই তিনি বিজেপির এক নেত্রী যার নাম মৌমিতা সাহা, তাঁকে বিজেপি যুব মোর্চার রাজ্য সম্পাদক পদে নিয়োগ করেছিলেন সৌমিত্র খাঁ। এরপর যুব মোর্চার হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপে মৌমিতা সাহাকে সংযুক্ত করার নির্দেশ দিয়েছিলেন সৌমিত্র খাঁ।

আরও পড়ুন-ত্রিপুরার ঘটনাকে কেন্দ্র করে ক্ষোভ আছড়ে পড়ল জলপাইগুড়িতে। ভাঙচুর বিজেপির পার্টি অফিস। পোড়ানো হলো অমিত শাহের কুশপুতুল।

কিন্তু একজন সম্পূর্ণ অনভিজ্ঞ নেত্রীকে যুব মোর্চার রাজ্য সম্পাদক পদে বসানোয় দলের মধ্যে তীব্র অসন্তোষ তৈরি হয়। এরপরেই অফিস সেক্রেটারিকে সৌমিত্র নির্দেশ দিয়েছেন যে তাঁকে যেন অবিলম্বে অফিসিয়াল হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপের অ্যাডমিন করে দেওয়া হয়। এর পরেই অ্যাডমিন হতে তিনি তিনজনকে গ্রুপ থেকে বের করে দেন এবং পোস্টিং রাইটস অ্যাডমিনের জন্য সীমাবদ্ধ করে দেন।এরপরেই ক্ষুদ্ধ যুব মোর্চার কর্মীরা দিলীপ ঘোষের কাছে লিখিত অভিযোগ জানিয়েছেন।

আরও পড়ুন-দিলীপ ঘোষের সাথে মতানৈক্যের কারণে বিজেপি ছাড়ছেন আরো এক বিজেপি নেতা।

এই পরিপ্রেক্ষিতে সৌমিত্র খাঁ বলেছেন,”আমাদের দল গণতান্ত্রিক দল। যদি কেউ দিলীপ ঘোষের কাছে অভিযোগ জানিয়ে থাকেন, তাহলে তিনি সঠিক কাজ করেছেন। আমি যা বলার রাজ্য সভাপতির সামনে বলবো।”কিন্তু এবার দলীয় কর্মীদের বিক্ষোভের মুখে পড়লেন সৌমিত্র খাঁ।

এই বিষয়ে যথেষ্ট অস্বস্তিতে পড়েছে বিজেপি নেতৃত্ব।

Related Articles

Back to top button