“সরি, জানতাম না, এগুলো করোনার ওষুধ।”- চুরি যাওয়া ভ্যাকসিন‌ফেরত দিয়ে বললো চোর।

“সরি, জানতাম না, এগুলো করোনার ওষুধ।”- চুরি যাওয়া ভ্যাকসিন‌ফেরত দিয়ে বললো চোর।

নিজস্ব প্রতিবেদন: সমগ্র দেশ করোনার আঘাতে নাজেহাল। ক্রমাগত মৃত্যুর ভয়ে আশঙ্কায় কাহিল দেশবাসী। চারদিকে অরাজক পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে। ‌ বেশ কিছু জায়গায় অক্সিজেনের অভাবে হাহাকার পড়ে গিয়েছে ।‌ দিল্লি থেকে শুরু করে মহারাষ্ট্র, পশ্চিমবঙ্গ সমস্ত জায়গাতেই অক্সিজেনের অপ্রতুলতা চোখে পড়ছে। বাংলার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বাংলায় অক্সিজেন এবং করোনার ভ্যাকসিনের যোগানের অপ্রতুলতা কে কেন্দ্র করে বারবার বাক্যবাণে বিদ্ধ করেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীকে। দেশজুড়ে অক্সিজেনের আকাল দেখা দিয়েছে।

এই পরিস্থিতির মধ্যে ঝিন্ডের সিভিল হাসপাতাল থেকে চুরি গিয়েছিল করোনার অনেক ভ্যাকসিন। জানা গিয়েছে আলমারিতে থাকা টাকা পয়সা নেয়নি চোর। শুধুমাত্র সমস্ত ভ্যাকসিন নিয়ে চম্পট দিয়েছিল সে। এই ঘটনায় প্রবল আলোড়ন সৃষ্টি হয় হাসপাতাল জুড়ে। ‌ পুলিশ তদন্তে নেমে কোন সূত্র পায়নি। হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ অনুমান করেছিল এই ভ্যাকসিন বহুমূল্য চোরাই মার্কেটে বিক্রি করার জন্যই চুরি করে নিয়ে গিয়েছে চোর।

আরও পড়ুন-পাঁচমাসের গর্ভবতী করোনা যোদ্ধা ডি.এস.পি শিল্পা সাহুকে স্যালুট ভারতবাসীর!

অবশ্য শেষমেষ চোরের মধ্যে মানবিক বুদ্ধির উদয় হয়েছে। ‌ গতকাল নিজেই সমস্ত ভ্যাকসিন ফিরিয়ে দিয়েছে ওই চোর। ‌ সেই সাথে একটি চিঠিতে লিখেছে, “সরি জানতাম না যে এটা করোনার ওষুধ।” জানা গিয়েছে গতকাল দুপুরে পুলিশদের খাবার ডেলিভারি দেওয়ার বাহানা করে এক অজ্ঞাত পরিচয় ব্যক্তির একটি ব্যাগ রেখে যায় চায়ের দোকানে। ‌

অনেকক্ষণ পরে ওই ব্যক্তি ফিরে না আসায় চায়ের দোকানে ওই ব্যাগ খুলে দেখতে পান তার মধ্যে রয়েছে বেশ কিছু ওষুধ। পুলিশ ওই ব্যক্তিকে উদ্ধার করে। ‌ চিকিৎসকরা এই ওষুধ গুলি দেখে শনাক্ত করেন যে এগুলি করোনার ওষুধ। সঙ্গে সঙ্গে স্বস্তি আসে চিকিৎসকদের মনে। অনেকেই ওই চোরের মানবিকতা কে সাধুবাদ জানালেও পুলিশ এখনও তৎপর হয়ে রয়েছে অজ্ঞাত পরিচয় ওই চোরকে ধরার জন্য