নিউজটেক নিউজদেশবাজার দর

শীঘ্রই কমবে খাদ্য সামগ্রী সহ অন্যান্য সমস্ত জিনিস পত্রের দাম। আশ্বাস দিলো কেন্দ্রীয় সরকার।

নিজস্ব প্রতিবেদন: সারা দেশজুড়ে আতঙ্কের জাল বিস্তার করেছে করোনা ভাইরাস। এই ভাইরাসের কবলে পড়ে দেশের অর্থনীতি ভয়াবহ ভাবে ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছে। বহু মানুষের রুজি রোজগার বন্ধ হয়ে গিয়েছে। এর মধ্যেই ভয়াবহ হারে বৃদ্ধি পেয়েছে জ্বালানির দাম।

আর এই পেট্রোল ডিজেলের মূল্যবৃদ্ধির ফলে বিভিন্ন জিনিস পত্রের দাম যথেষ্ট পরিমাণে বেড়ে গিয়েছে। ভোজ্য তেলের দাম বৃদ্ধি পেয়েছে, আমদানিকৃত সবজি এবং সমস্ত জিনিসের দাম যথেষ্ট পরিমাণে বৃদ্ধি পেয়েছে। যার দরুন খাদ্য সামগ্রীর দাম বৃদ্ধি পাওয়ায় যথেষ্ট সংকটজনক পরিস্থিতিতে পড়েছেন সাধারণ মানুষ জন। এই পরিস্থিতিতে আশ্বাস বাণী শুনিয়েছেন কেন্দ্রের মুখ্য আর্থিক উপদেষ্টা কে ভি সুব্রহ্মণ্যম।

আরও পড়ুন-বাজারে আসতে চলেছে জিওর নতুন ফোন। জেনে নিন খুঁটিনাটি।

তিনি জানিয়েছেন যে, খুব শীঘ্রই সমস্ত অর্থনৈতিক কার্যকলাপ চালু করা হবে। এবারে সঠিক সময়ে বর্ষার আগমন ঘটেছে, যার জন্য কৃষি ক্ষেত্রে যথেষ্ট উন্নতি সাধিত হবে যার দরুন সর্ষের দাম অনেকটাই কমবে। নিয়ন্ত্রণে আসবে পাইকারি মুদ্রাস্ফীতি। প্রধানমন্ত্রী বিনামূল্যে রেশন দিচ্ছেন, যার দরুন দেশের চারদিকে পাইকারি মুদ্রাস্ফীতির প্রভাব পড়বে না বলে আশাবাদী আমরা।

আরও পড়ুন-আপনার কাছে ২৫ পয়সা থাকলে এই পদ্ধতিতে জমা করলে পাবেন দেড় লক্ষ টাকা।

গত মে মাসে লকডাউনে আর্থিক অচলাবস্থার দরুন পাইকারি বাজারে মুদ্রাস্ফীতির হার পৌঁছেছিল ১২.৯৪% তে, এটি ছাপিয়ে গিয়েছিল রিজার্ভ ব্যাংকের রেকর্ডকে। গত এপ্রিল মাসে এবং মার্চ মাসে মুদ্রাস্ফীতির হার দেখা গিয়েছিল ১০.৪৯% এবং ৭.৩৯% ।আর্থিক বিশ্লেষকেরা বলছেন পেট্রোলের মূল্য বৃদ্ধির জন্য এই মুদ্রাস্ফীতি দেখা গিয়েছিল। এমনিতেই বর্তমানে দেশের বিভিন্ন রাজ্যে পেট্রোলের দাম লিটার প্রতি ১০০ টাকা অতিক্রম করে গিয়েছে।

তাই এর প্রত্যক্ষ প্রভাব পড়েছে আর্থিক পরিস্থিতি উপরে। তবে এই পরিস্থিতি খুব শীঘ্রই নিয়ন্ত্রণে আসবে বলে আশাবাদী মুখ্য আর্থিক উপদেষ্টা ।

Related Articles

Back to top button