“সাদামাটা মনের কাঞ্চনকে কেউ ভুল বুঝিয়ে ব্যবহার করতে পারে।”- উদ্বেগ প্রকাশ করলেন রুদ্রনীল ঘোষ।

“সাদামাটা মনের কাঞ্চনকে কেউ ভুল বুঝিয়ে ব্যবহার করতে পারে।”- উদ্বেগ প্রকাশ করলেন রুদ্রনীল ঘোষ।

নিজস্ব প্রতিবেদন: রাজ্য রাজনীতি সরগরম কাঞ্চন মল্লিক এবং তাঁর স্ত্রী পিঙ্কি বন্দ্যোপাধ্যায়ের টানাপোড়েনকে কেন্দ্র করে। সদ্য নির্বাচিত উত্তরপাড়া তৃণমূল বিধায়ক কাঞ্চন মল্লিক এর বিরুদ্ধে থানায় অভিযোগ দায়ের করেছেন তার স্ত্রী পিঙ্কি বন্দ্যোপাধ্যায় ।গতকাল চেতনায় বান্ধবীকে নিয়ে পিঙ্কি বন্দোপাধ্যায় কে হেনস্থা করেছেন কাঞ্চন মল্লিক এমনটাই অভিযোগ করেছেন পিঙ্কি। নিউ আলিপুর থানায় অভিযোগ দায়ের করেছেন তিনি।

তিনি বলেছেন, “আমি আমার পরিবার খুবই আতঙ্কের মধ্যে দিয়ে দিন কাটাচ্ছি। শ্রীময়ী চট্টরাজ আমাকে অনেকবার ফোন করেছিল আমি উনার ফোন ধরিনি। এমনকি আমাকে হোয়াটসঅ্যাপে লিখে পাঠিয়েছে যে তুমি প্রস্তুত থেকো। বসুধা সিনেমাহলের সামনে আমাকে রাস্তার সামনে দাঁড়িয়ে কথা বলতে বাধ্য করার চেষ্টা করেছিল কাঞ্চন মল্লিক এবং তার বান্ধবী শ্রীময়ী চট্টরাজ।

আরও পড়ুন-“ওই মেয়েটাই আমার নাতনি কে ধাক্কা দিয়ে আজে বাজে কথা বলেছে।”- এবার শ্রীময়ীর বিরুদ্ধে সরব হলেন পিঙ্কির দিদি শাশুড়ি সাবিত্রী চট্টোপাধ্যায়।

আমি সেখানে কথা বলতে অস্বীকার করায় শ্রীময়ী চট্টরাজ আমাকে মারতে উদ্যত হয়, কাঞ্চন মল্লিক কোন প্রতিবাদ করেননি উল্টে উনি আমাকে জোর করে গাড়ি থেকে নামাতে চান। তাই আমি শ্রীময়ী চট্টরাজ এবং কাঞ্চন মল্লিকের বিরুদ্ধে নিউ আলিপুর থানায় এফআইআর দায়ের করি। আমি নিরাপত্তার অভাব বোধ করছি।”এদিকে স্ত্রী পিঙ্কি বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে পাল্টা অভিযোগ দায়ের করেছেন তৃণমূল বিধায়ক তথা অভিনেতা কাঞ্চন মল্লিক।

এই আবহে কাঞ্চন মল্লিক এর পাশে দাঁড়ালেন তার দীর্ঘদিনের বন্ধু বিজেপি প্রার্থী রুদ্রনীল ঘোষ। রাজনৈতিক মতাদর্শ আলাদা হলেও তাদের বন্ধুত্বের সম্পর্কে চিড় ধরেনি। প্রায়শই কাঞ্চন মল্লিক এবং রুদ্রনীল ঘোষ কে একসাথে দেখা যায় কোথাও না কোথাও। সম্প্রতি কাঞ্চন মল্লিক এবং তার স্ত্রীর এই টানাপোড়েনের বিষয়ে রুদ্রনীল বলেছেন, “আমি কখনও তাদের মধ্যে দাম্পত্য কলহ হতে পারে এটা ভাবতে পারিনি।

আরও পড়ুন-“ফাদার্স ডে তে ছেলেকে উপহার দিয়েছেন ৩ কোটির গাড়ি?” – কি বললেন সোনু সুদ?

তাদের জীবন খুবই সরল সাধারণ। এরকম যে তাদের মধ্যে হতে পারে তা কল্পনার বাইরে। কাঞ্চন নিজে মানুষ হিসেবে খুবই সরল সাধারণ। এই ঘটনা গুলিতে আমার মনে হচ্ছে কেউ হয়তো নিজের স্বার্থ চরিতার্থ করতে ভুল বুঝিয়ে কাঞ্চনকে ব্যবহার করতে চাইছে।

যদি সত্যি সত্যিই কাঞ্চনের জীবনে তৃতীয় কোনো নারী প্রবেশ ঘটে তাহলে আমি বলব তাকে অবশ্যই সরিয়ে রেখে স্ত্রীর সাথে সুখে শান্তিতে সংসার করা উচিৎ কাঞ্চনের। কিন্তু সেরকম কিছু হয়েছে তো বলে আমার মনে হচ্ছে না। আমি কাঞ্চনকে দীর্ঘদিন চিনি। ওদের সম্পর্ক আবার স্বাভাবিক হয়ে যাক এই কামনাই করছি।”