“এখনো পর্যন্ত ছোটো দোকানদারেরা জিএসটি বুঝতে পারছেন না”- গোয়ালপোখরের জনসভা থেকে বিজেপিকে বিঁধলেন রাহুল গান্ধী

“এখনো পর্যন্ত ছোটো দোকানদারেরা জিএসটি বুঝতে পারছেন না”- গোয়ালপোখরের জনসভা থেকে বিজেপিকে বিঁধলেন রাহুল গান্ধী

নিজস্ব প্রতিবেদন: বাংলার মাটিতে নিজেদের বাঁধন আরো দৃঢ় করার লক্ষ্যে সর্বশক্তি দিয়ে নিজেদের নিয়োজিত করেছে বিজেপির শীর্ষ নেতারা। বিজেপির কেন্দ্রীয় নেতা মন্ত্রীরা বারবার ছুটে আসছেন বাংলার মাটিতে। ‌ যেকোনো মূল্যে তৃণমূলের হাত থেকে বাংলাকে ছিনিয়ে নিতে বদ্ধপরিকর তারা। ‌ বাংলার আকাশে-বাতাসে টানটান উত্তেজনা এই নির্বাচনকে ঘিরে। ‌ এদিকে বাম সংযুক্ত মোর্চাও এবারে আশাবাথী যে তারা বিজেপি এবং তৃণমূল কে হারিয়ে নবান্নের সিংহাসন দখল করবে।

চারটি দফার ভোট সম্পন্ন হয়ে গিয়েছে। ‌ এখনো বাকি রয়েছে চারটি দফা। বিজেপির শীর্ষ নেতারা এবারে আত্মবিশ্বাসের বলে বলীয়ান হয়ে বলছেন, বাংলার বুকে এবার তাদের সরকার গঠিত হবে। অপরদিকে তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলছেন, বিজেপিকে তিনি ১০-০ গোলে হারাবেন।আজ রাজ্যের মাটিতে পা রেখেছেন কংগ্রেস নেতা রাহুল‌ গান্ধী। তিনি কড়া ভাষায় আরমণ শানিয়েছেন বিজেপির বিরুদ্ধে। তিনি বলেছেন, “কেন্দ্রীয় সরকার জিএসটি লাগু করেছে।

আরও পড়ুন-“সময় মতো টীকা দেয়নি কেন্দ্র। মোদীর জন্যেই আজ করোনার দ্বিতীয় ঢেউ আছড়ে পড়েছে।”- প্রধানমন্ত্রীকে আক্রমণ মমতার

পাঁচ আলাদা‌ আলাদা জিএসটি। ২৮% ট্যাক্স। স্মল মিডিয়াম বিজনেসের ট্যাক্স, ছোট দোকানদারদের ট্যাক্স। আজ পর্যন্ত ছোট দোকানদারেরা জিএসটি বুঝতে পারেননি। কোন গরীব মানুষকে যদি গিয়ে জিজ্ঞাসা করেন যে নোট বন্দি তে কি আপনাদের লাভ হয়েছে, তিনি হাত জোড় করে বলবেন, না হয়নি। ট্যাক্স কোথায় যায় ? নরেন্দ্র মোদীর পাঁচ দশজন বন্ধু আছে তাদের কাছে যায়। এখান থেকে অনেক লোক যান বাইরের রাজ্যে কাজ করতে।

এখানে তো আপনাদের কাজ পাওয়া যায়না। না মোদীজী দেন, না মমতাজী দেন। আর যেটুকু কাজ পাওয়া যায় তার জন্য আগে আপনাদের টাকা দিতে হয়। কাটমানি দিতে হয়। এটা প্রথম রাজ্য যেখানে কাজ করার আগে ডিপোজিট মানি দিতে হয়। মমতাজী বলেছেন ভোটের সময় খেলা হবে। আপনি আগে বলুন এখানে রাস্তা কবে হবে ? খেলা হলে তো‌ রাস্তাতেই হবে? নাটক চলছে। করোনার সময়ে নরেন্দ্র মোদী বলছেন থালা বাজাও, ঘন্টা বাজাও।”