‘বিজেপিতে আছে বলেই শুভেন্দুরা বেঁচে গিয়েছেন।’- শুভেন্দু অধিকারীকে আক্রমণ কুণাল ঘোষের।

‘বিজেপিতে আছে বলেই শুভেন্দুরা বেঁচে গিয়েছেন।’- শুভেন্দু অধিকারীকে আক্রমণ কুণাল ঘোষের।

নিজস্ব প্রতিবেদন: আলাপন বন্দ্যোপাধ্যায় কে কেন্দ্র করে উথাল পাথাল হয়েছে রাজ্যের রাজনৈতিক পরিস্থিতি। দিল্লির নির্দেশে পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যসচিবের পদ থেকে অবসর নিয়ে দিল্লি যাননি আলাপন বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি মুখ্যসচিব পদে থেকে অবসর গ্রহণ করেছেন। বর্তমানে আলাপন বন্দ্যোপাধ্যায় কে রাজ্যের মুখ্য উপদেষ্টা হিসেবে নিয়োগ করেছেন মুখ্যমন্ত্রী। এরপরেই আলাপন বন্দ্যোপাধ্যায় কেন প্রধানমন্ত্রী ডাকা বৈঠকে উপস্থিত হননি সেই মর্মে শোকজ নোটিশ পাঠিয়েছে কেন্দ্রীয় সরকার।

কলাইকুন্ডা তে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সাথে গিয়েছিলেন তৎকালীন মুখ্যসচিব আলাপন বন্দ্যোপাধ্যায়। সেখানে গিয়ে তিনি মুখ্যমন্ত্রী সাথেই বৈঠক থেকে বেরিয়ে এসেছিলেন। এই ঘটনাটিকে কেন্দ্র করে যথেষ্ট চাঞ্চল্য সৃষ্টি হয়েছিল রাজ্যের রাজনৈতিক পটভূমিতে। বিরোধী দলের নেতা-নেত্রীরা তীব্র নিন্দা করেছেন মুখ্যমন্ত্রী এবং রাজ্যের মুখ্য সচিবের। আলাপন ইস্যুতে শুভেন্দু অধিকারী টুইট করে বলেছিলেন, ‘শৃঙ্খলা ভঙ্গের জন্য বিদায় মুখ্য সচিবের বিরুদ্ধে অবিলম্বে ব্যবস্থা নেওয়া হোক। প্রাকৃতিক দুর্যোগের সময় সরকারি আদেশ অমান্য করেছেন তিনি।

আরও পড়ুন-মানুষের ঘরে ঘরে দুধ পৌঁছে দেওয়ার কথা বলেই ট্রোলড্ হলেন দিলীপ ঘোষ।

সাধারণ মানুষকে সহযোগিতা না করার জন্য তার বিরুদ্ধে কঠোর পদক্ষেপ গ্রহণ করা উচিত।‘শুভেন্দু অধিকারীর এই টুইটের বিরুদ্ধে পাল্টা দিয়েছেন তৃনমূলের মুখপাত্র কুনাল ঘোষ। কুনাল ঘোষ বলেছেন, ‘সারদা ও নারদা কান্ডে শুভেন্দু অধিকারী কে অবিলম্বে গ্রেপ্তার করা দরকার। আজ বিজেপি আছে বলে শুভেন্দু অধিকারী বেঁচে গিয়েছে। আজ শুভেন্দু অধিকারীর যদি সরকারি টাকার খেয়াল থাকতো তাহলে কেন্দ্রীয় বাহিনীর নিরাপত্তা তিনি নিতেন না। কেন্দ্রীয় বাহিনীর মাইনে কি শুভেন্দু অধিকারী দেন? আগে এই বিষয়ে উপযুক্ত ব্যাখ্যা দিন তারপর আলাপন বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে কথা বলতে আসবেন।’