মুকুল রায়ের বিধায়ক পদ খারিজের আবেদন জানিয়ে বিধানসভার অধ্যক্ষকে চিঠি দিলেন শুভেন্দু অধিকারী।

মুকুল রায়ের বিধায়ক পদ খারিজের আবেদন জানিয়ে বিধানসভার অধ্যক্ষকে চিঠি দিলেন শুভেন্দু অধিকারী।

নিজস্ব প্রতিবেদন: বিজেপি থেকে দীর্ঘ চার বছরের সম্পর্ক শেষ করে তৃণমূলে প্রত্যাবর্তন করেছেন মুকুল রায়। বিজেপি থেকে দাঁড়িয়ে তিনি কৃষ্ণনগর উত্তর কেন্দ্রে জয়লাভ করেছিলেন। বিধায়ক পদে আসীন হয়েছিলেন মুকুল রায়। কিন্তু ফলাফল ঘোষণা হওয়ার দেড় মাস পরেই তিনি আবার যোগ দিয়েছেন তৃণমূলে।

আর মুকুলের তৃণমূলে প্রত্যাবর্তনে হঠাৎ করেই রাজনৈতিক সমীকরণ যেন ওলট পালট হয়ে গিয়েছে বিজেপির। বিজেপি থেকে মুকুলের হাত ধরে তৃণমূলে পা বাড়িয়ে রয়েছেন বহু নেতা, কর্মীরা এমনটাই বলছেন মুকুল রায়। এদিকে মুকুল রায় কে আটকাতে রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী রাজনৈতিক লড়াইয়ের প্রাঙ্গণে উত্তীর্ণ হয়েছেন। মুকুল রায় কে রোখার জন্য নিজেদের রণকৌশল সাজাচ্ছে বিজেপি।

আরও পড়ুন-“যারা অন্যদল থেকে নিজের ইচ্ছায় তৃণমূলে এসেছেন, তাঁদের আমরা আমন্ত্রণ জানাইনি”- বললেন তৃণমূল নেতা সুখেন্দু শেখর রায়

মুকুল রায়ের বিরুদ্ধে শীঘ্রই দলত্যাগ বিরোধী আইন লাগু করার হুঁশিয়ারি দিয়েছিলেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। তিনি বলেছিলেন তিনি দলত্যাগ বিরোধী আইন লাগু করার লক্ষ্যে বিধানসভার স্পীকার বিমান বন্দোপাধ্যায় কে চিঠি দেবেন। অবশেষে গতকাল বিধানসভার স্পীকারকে মুকুলের বিধায়কপদ খারিজের দাবীতে চিঠি দিয়েছেন শুভেন্দু অধিকারী।বিজেপি বিধায়ক মনোজ টিগ্গা, বিধানসভার স্পীকারের সচিবালয়ে গিয়ে এই চিঠি দিয়ে এসেছেন বলে জানা গিয়েছে।

আরও পড়ুন-“শিশির অধিকারী এবং সুনীল মন্ডলের অবস্থান জানতে পাঠানো হয়েছে নোটিশ”- জানালেন লোকসভার অধ্যক্ষ।

এই চিঠিতে দাবী করা হয়েছে যে, গত সপ্তাহে বৃহস্পতিবার বিজেপি ত্যাগ করে তৃণমূলে যোগদান করেছেন মুকুল রায়, তিনি কৃষ্ণনগর উত্তরের বিজেপি বিধায়ক পদে আসীন ছিলেন। তাই যেহেতু তিনি বর্তমানে তৃণমূলে যোগদান করেছেন, তাই তাঁর বিধায়ক পদ খারিজ করা হোক।এই প্রসঙ্গে বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী গতকাল বলেছেন, “মুকুল রায়ের বিধায়ক পদ খারিজের দাবিতে সমস্ত প্রক্রিয়া সম্পন্ন হয়েছে।

আরও পড়ুন-“পুরনো চাল ভাতে বাড়ে।”- হেরে যাওয়ার পর বুঝতে পারলেন বিজেপির কেন্দ্রীয় নেতারা।

আজ যেহেতু বিধানসভার রিসিভ সেকশন বন্ধ রয়েছে তাই আগামীকাল সকাল ১১ টা নাগাদ আমরা আবার বিধানসভায় যাবো। যদি আগামীকাল শনিবার‌ও রিসিভ সেকশন বন্ধ থাকে তাহলে আমরা বিধানসভার অধ্যক্ষ কে ইমেইল পাঠাবো।”কিন্তু তার পরেই জানা গিয়েছে যে বিধানসভার রিসিভ সেকশন এই চিঠি গ্রহণ করেছে।