নিউজপলিটিক্সরাজ্য

“শুভেন্দু অধিকারী আগে বাড়িতে গিয়ে তাঁর বাবাকে শেখান দলত্যাগ বিরোধী আইন কি জিনিস।”- শুভেন্দুকে কটাক্ষ কুণাল‌ ঘোষের।

নিজস্ব প্রতিবেদন: গতকাল রাজ্যপাল জগদীপ ধনখড়ের সাথে দেখা করেছিলেন শুভেন্দু অধিকারী। পশ্চিমবঙ্গে খুব শীঘ্রই যাতে দলত্যাগ বিরোধী আইন কার্যকর হয় তার জন্য আর্জি জানিয়েছেন তিনি। শুভেন্দু বলেছেন,”রাজ্যে বিগত ১০ বছর দলত্যাগ বিরোধী আইন লাগু করা যায়নি। মুকুল রায় দল বদল করেছেন।

আমরা চাইছি তিনি শীঘ্রই বিধায়ক পদ থেকে ইস্তফা দিন। তিনি যদি এটা না করেন তাহলে আমরা আগামীকাল স্পিকারের কাছে দলত্যাগ বিরোধী আইন কার্যকর করার জন্য লিখিতভাবে আর্জি জানাবো। বিজেপির সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক ভূপেন্দ্র যাদব এবং কেন্দ্রীয় মন্ত্রী রবিশঙ্কর প্রসাদ এই বিষয়টি পর্যবেক্ষণ করছেন। আমরা আশা রাখছি তারা এই বিষয়টির খুব শীঘ্রই মীমাংসা করবেন।

আরও পড়ুন-আজ দুপুরে হঠাৎ পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের বাড়িতে হাজির হলেন মুকুল রায়।

না হলে আমরা আইনি সাহায্য নেব।”বিজেপি নেতৃত্ব জানিয়েছে যে, বামফ্রন্ট এবং কংগ্রেস বিধায়করা তৃণমূলে যোগ দান করলেও বিধানসভার স্পিকার এখনো দলত্যাগ বিরোধী আইন কার্যকর করেননি। তাই এখনও পর্যন্ত তাঁরা বিধায়ক পদে আসীন হয়েছেন। তাই মুকুল রায়ের ক্ষেত্রেও এই এক‌ই ঘটনা ঘটতে চলেছে বলে মনে করা হচ্ছে।

তাই এই ঘটনা যাতে না ঘটে তার জন্য বিজেপি আইনি সাহায্য নেবে।এই মন্তব্যের পরিপ্রেক্ষিতে শুভেন্দু অধিকারীর দিকে কটাক্ষের তীর ছুঁড়ে দিয়েছেন কুণাল ঘোষ। তিনি বলেছেন,”শুভেন্দু অধিকারী দলত্যাগ বিরোধী আইন নিয়ে এত জ্ঞান কাকে দিচ্ছেন ? আগে বাড়িতে গিয়ে নিজের বাবাকে শেখান।

আরও পড়ুন-২০২৪ এর লোকসভা ভোটে লড়তে আইপ্যাকের কৌশলেই ভরসা রাখছেন তৃণমূলের রথী মহারথীরা।

যদি তার দলত্যাগ বিরোধী আইন নিয়ে এত গভীর জ্ঞান থাকে, তাহলে অবিলম্বে তার বাড়িতে গিয়ে তার বাবাকে সেখানেই দলত্যাগ বিরোধী আইন কি জিনিস ! তৃণমূলের খেয়ে , তৃণমূলের পরে, মুখ্যমন্ত্রী সহায়তায়, তৃণমূল কর্মীদের আবেগের উপর ভিত্তি করে লোকসভার সাংসদ হলেন, তারপরে বিজেপিতে যোগদান করলেন, আর তাঁর ছেলে এখানে জ্ঞান বিতরণ করে বেড়াচ্ছেন। কোন পরিবার যে এরকম দু’মুখো সাপের নীতি ব্যবহার করতে পারে এনাদের না দেখলে বিশ্বাস করা কঠিন।”

Related Articles

Back to top button