নিউজপলিটিক্সরাজ্য

একুশের ভোটে কেন বিজেপি হেরেছিলো, ব্যাখ্যা দিলেন শোভন চট্টোপাধ্যায়।

নিজস্ব প্রতিবেদন: শোভন চট্টোপাধ্যায়। বাংলার রাজনৈতিক পটভূমিতে যাকে ঘিরে বর্তমানে বিতর্কের শেষ নেই। শোভন চট্টোপাধ্যায় এবং বৈশাখী বন্দ্যোপাধ্যায় বাংলার বুকে বড়োসড়ো বিতর্কের সূত্রপাত ঘটিয়েছেন।২০১৯ সালে তৃণমূলের সঙ্গ ত্যাগ করে বিজেপিতে নাম লিখিয়েছিলেন শোভন চট্টোপাধ্যায় এবং বৈশাখী বন্দ্যোপাধ্যায়। বিজেপিতে গুরুত্বপূর্ণ পদ দেওয়া হয়েছিল শোভন চট্টোপাধ্যায় কে।

কলকাতার প্রাক্তন মেয়র শোভন চট্টোপাধ্যায় চেয়েছিলেন’ একুশের ভোটে বিজেপির প্রার্থী হয়ে তার নিজের কেন্দ্র বেহালা পূর্ব থেকে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে। কিন্তু বিজেপি হাইকমান্ড তাঁকে বেহালা পশ্চিম থেকে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে নির্দেশ দেয়। বিজেপি হাইকমান্ডের এই সিদ্ধান্তের বিরোধীতা করে বান্ধবী বৈশাখী বন্দোপাধ্যায় কে নিয়ে বিজেপি ত্যাগ করেন শোভন চট্টোপাধ্যায়। কিন্তু তিনি তৃণমূলে এখনো নাম লেখাননি।

আরও পড়ুন-‘বিজেপি দরদী’ বিচারপতির নিরপেক্ষতা নিয়ে প্রশ্ন তুললেন কুণাল ঘোষ

আসলে মুখ্যমন্ত্রীর যথেষ্ট প্রশংসা করলেও বর্তমানে তাকে ঘিরে যে বিতর্কের সৃষ্টি হয়েছে এবং যেভাবে তাঁর পরকীয়া ঘিরে শোভনের নেগেটিভ পাবলিসিটি হচ্ছে তাতে শোভনকে তৃণমূলে নিতে ইতস্তত করছেন তৃণমূল শীর্ষ নেতারা।শোভন চট্টোপাধ্যায় জানিয়েছেন বাংলায় বিজেপির পরাজয়ের কারণ গুলি সম্পর্কে। তিনি বলেছেন, “নির্বাচনের সময় বাংলার বিজেপি শীর্ষ নেতারা রাজনৈতিক পরিস্থিতি সম্পর্কে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ কে যে সমস্ত কিছু বুঝে গিয়েছিলেন তার সম্পূর্ণ ভ্রান্ত ছিল। কেন্দ্রীয় নেতৃত্বকে ভ্রান্ত ধারণা দেওয়ার জন্যই বাংলায় বিজেপির ভরাডুবি ঘটেছে।

আরও পড়ুন-“সম্পত্তি হাতিয়েছে এবার শোভনের প্রাণ নেবে বৈশাখী।”- প্রশাসনের দ্বারস্থ হতে চলেছেন রত্না চট্টোপাধ্যায়।

কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের কাছে ভ্রান্ত ধারণা পৌঁছানোর জন্য বাংলায় নির্বাচনের রণকৌশন সঠিকভাবে নির্ণয় করা সম্ভব হয়নি। ভিন রাজ্য থেকে বাংলায় যে সমস্ত নেতারা এসেছিলেন তাদের সাথে বৈঠকে বাংলার বিজেপি নেতারা অবাস্তব তথ্য পরিবেশন করতেন। এর ফলে বাংলায় বিজেপি পর্যুদস্ত হয়েছে। আমার পছন্দ মত আসন না দেওয়ার জন্য যথেষ্ট অপমানিত হয়েছিলাম।

ভোটে যে সমস্ত প্রার্থীরা হেরেছিল তাদের সকলকে পছন্দের আসন দেওয়া হয়েছিল কিন্তু আমার ক্ষেত্রে এটা হয়নি।”

Related Articles

Back to top button