নিউজপলিটিক্সরাজ্য

নিজেদের গর বাঁচানোর জন্য দিলীপ ঘোষ সহ রাজ্যের পাঁচ সাধারণ সম্পাদককে নিয়ে বৈঠকে বসছেন শিবপ্রকাশ

নিজস্ব প্রতিবেদন: একুশের ভোটের আগে বিজেপিতে দলে দলে নাম লিখিয়েছিলেন তৃণমূল থেকে আসা নেতা নেত্রীরা। তাদের মধ্যে বেশ কয়েকজনকে টিকিট দেওয়া নিয়ে গেরুয়া শিবিরে যথেষ্ট বিক্ষোভের সূত্রপাত হয়েছিল। বিক্ষোভের আগুনে ঘি পড়েছিল যখন শুভেন্দু অধিকারী কে বিরোধী দলনেতা নির্বাচন করা হয়। বিজেপির মধ্যে আদি বিজেপি এবং নব্য বিজেপির একটি বিভাগ লক্ষ্য করা গিয়েছে।

আদি বিজেপি বনাম নব্য বিজেপির একটা ঠান্ডা লড়াই জারি রয়েছে বলে মনে করছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা। আদি বিজেপির বহু নেতা এবং সর্মথকরা শুভেন্দুর নেতৃত্বে কাজ করতে রাজি হচ্ছেন না । এই আবহে আবার বিজেপির বিরুদ্ধে সুর চড়াচ্ছে বিজেপির বেশ কয়েকজন নেতা নেত্রীরা। দলবদলুরা আবার তৃণমূল মুখো হচ্ছেন।

আরও পড়ুন-নির্বাচনী প্রচারে উস্কানিমূলক মন্তব্যের দরুণ মিঠুনকে ভার্চুয়ালি জিজ্ঞাসাবাদ করলো মানিকতলা থানা।

ইতিমধ্যেই বিজেপি ছেড়ে তৃণমূলে চলে গিয়েছেন বেশ কয়েকজন নেতা নেত্রীরা এবং সেইসাথে তৃণমূলে চলে গিয়েছে বিজেপির হাজার হাজার কর্মী সমর্থক। এই পরিস্থিতিতে পদ্মশিবিরে ঘনিয়ে এসেছে দুর্যোগের কালো মেঘ। মুকুল রায়ের আবার তৃণমূলের প্রত্যাবর্তনের পর এই বিজেপির আশঙ্কার আগুনে ঘি পড়েছে। যার দরুন এবার ক্রাইসিস ম্যানেজমেন্ট বৈঠক ডাকতে চলেছে রাজ্য বিজেপি নেতৃত্ব।

আরও পড়ুন-“বিজেপিতে যোগদান করেননি শিশির অধিকারী”- মন্তব্য দিলীপ ঘোষের।

এই বৈঠকে অংশগ্রহণ করবেন কেন্দ্রীয় বিজেপি নেতা শিবপ্রকাশ। আজ বিজেপি রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ সহ রাজ্যের ৫ বিজেপির সাধারণ সম্পাদক কে এই বৈঠকে উপস্থিত থাকতে বলা হয়েছে। শুভেন্দু অধিকারী সহ দিলীপ ঘোষ এবং অন্যান্য বিজেপির নেতারা বারবার অভিযোগ করেছেন যে ভোট পরবর্তী হিংসাত্মক ঘটনায় তাদের বহু কর্মীরা তৃণমূলের হাতে আক্রান্ত হয়েছেন, বহু কর্মীরা ইতিমধ্যেই ঘরছাড়া হয়েছেন। তাই এই সময় সংগঠন কে অবিলম্বে বাঁচাতে হবে।

আরও পড়ুন-অধীর চৌধুরী কে দেওয়া প্রতিশ্রুতি রাখলেন প্রধানমন্ত্রী। বহরমপুর-কল্যাণীতে শুরু করালেন করোনা হাসপাতাল তৈরির কাজ।

তাই এই আপৎকালীন বৈঠক ডাকা হয়েছে। এই বৈঠকে বিজেপি কর্মীদের পাশে কিভাবে দাঁড়িয়ে তাদের সুরক্ষা দেওয়া যায় সেই সমস্ত বিষয় নিয়ে আলোচনা হতে পারে।বিজেপি নেতৃত্ব আশঙ্কা করছে যে মুকুল রায়ের হাত ধরে অনেকেই আবার তৃণমূলের প্রত্যাবর্তন করতে পারেন অথবা বিজেপিতে অনেক আগে থেকেই থাকা অনেক নেতা-নেত্রীরাও তৃণমূলের নাম লেখাতে পারেন। মুকুল রায় নিজেও দাবি করেছিলেন যে বিজেপির অনেকের সাথেই তাঁর কথা হয়েছে।

তাই তৃণমূলের চাণক্য মুকুল রায় কে কিভাবে আটকানো যায় সেই বিষয় নিয়ে কেন্দ্রীয় মন্ত্রী শিব প্রকাশের ডাকা এই বৈঠকে সবিস্তারে আলোচনা হতে পারে বলে মনে করছে রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা।

Related Articles

Back to top button