আর্থিক দুর্নীতিতে জড়িয়ে গেল শুভেন্দু অধিকারীর ঘনিষ্ঠ রাখাল বেরার নাম। জেল হেফাজতের নির্দেশ শিয়ালদহ আদালতের।

আর্থিক দুর্নীতিতে জড়িয়ে গেল শুভেন্দু অধিকারীর ঘনিষ্ঠ রাখাল বেরার নাম। জেল হেফাজতের নির্দেশ শিয়ালদহ আদালতের।

নিজস্ব প্রতিবেদন: ইয়াসের বিপর্যয়ের পর মুখ্যমন্ত্রী সহ তৃণমূলের অন্যান্য নেতা নেত্রীদের নিশানায় রাজ্যের প্রাক্তন সেচমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী এবং রাজীব বন্দ্যোপাধ্যায়। তৎকালীন সময়ে রাজ্যের নদীগুলির বাঁধ সারানোর টাকা নিয়ে তাঁরা দুর্নীতি করেছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। মুখ্যমন্ত্রী প্রশ্ন তুলেছেন যে মাত্র কয়েক বছর আগেই বানানো বাঁধ কিভাবে ইয়াসের দাপটে এত সহজে ভেঙে পড়লো ?এই আবহের মধ্যেই আবার শুভেন্দু অধিকারীর ঘনিষ্ঠ রাখাল বেরার বিরুদ্ধে অভিযোগ উঠেছে যে, তিনি এক ব্যক্তির কাছ থেকে সেচ দপ্তরে চাকরি পাইয়ে দেওয়ার নামে টাকা নিয়েছেন।এই আর্থিক দুর্নীতি মামলায় ইতিমধ্যেই পুলিশ গ্রেপ্তার করেছে রাখাল বেরাকে ।

শিয়ালদহ আদালত অভিযুক্তকে আগামী ১২ ই জুন পর্যন্ত পুলিশি হেফাজতে পাঠিয়েছে।গত শনিবার মামলার প্রারম্ভেই সরকারি আইনজীবী আবেদন জানিয়েছিলেন ধৃত রাখাল বেরাকে ১৪ দিনের পুলিশি হেফাজতে রাখা হোক। তিনি বলেছিলেন, “এই আর্থিক দুর্নীতি মামলায় অনেকেই জড়িয়ে রয়েছে।তাই অভিযুক্তকে আরো জেরা করে বিভিন্ন তথ্য প্রমাণ মিলতে পারে।

আরও পড়ুন-মুকুল রায়ের বাড়িতে হঠাৎ উপস্থিত সৌমিত্র খাঁ। শুরু হল জল্পনা।

“রাখালের আইনজীবী বলেছেন যে, “রাজনৈতিকভাবে সম্পূর্ণ পরিকল্পনা করে রাখাল বেরাকে ফাঁসানো হচ্ছে। তিনি নির্দোষ। দুই বছর আগেই এই ঘটনা ঘটেছে।হঠাৎ করে এইসময় রাখাল বেরাকে কেন গ্রেফতার করা হল ? রাখাল বেরার স্বাস্থ্য পরিস্থিতি যথেষ্ট উদ্বেগজনক।

আরও পড়ুন-“অগ্নিকুন্ডের উপর বসে রয়েছে বাংলা।”- ভাটপাড়ায় দুষ্কৃতীদের ছোঁড়া বোমার আঘাতে ট্যাক্সি চালকের মৃত্যুতে বললেন রাজ্যপাল।

যিনি রাখাল বাবুকে চাকরির জন্য টাকা দিয়েছেন তিনি এই টাকা কিভাবে দিয়েছেন এবং কার মাধ্যমেই বা দিয়েছেন এটা এখনো পরিষ্কার নয় । তাই রাখাল বাবুকে জামিন দেওয়া হোক।“কিন্তু শিয়ালদহ আদালতের বিচারক তারপরেই নির্দেশ দিয়েছেন যে ধৃত রাখাল বেরাকে আগামী ১২ ই জুন পর্যন্ত পুলিশি হেফাজতে রাখা হবে‌।”