নিউজপলিটিক্স

“সজলের গ্রেপ্তারি তৃণমূলের মস্তানি”- বিজেপি নেতা সজল ঘোষের গ্রেপ্তারে মন্তব্য শুভেন্দু অধিকারীর

নিজস্ব প্রতিবেদন: মুচিপাড়া সংঘর্ষ কান্ডে বিজেপি নেতা সজল ঘোষ কে গতকাল গ্রেফতার করতে গিয়েছিল মুচি পাড়া থানার পুলিশ। কিন্তু সজল ঘোষ দরজা খোলেন নি। এরপর তার বাড়ির দরজা লাথি মেরে ভেঙে দিয়ে সজল ঘোষ কে গ্রেফতার করে মুচি পাড়া থানার পুলিশ। এই দৃশ্যটি সোশ্যাল মিডিয়ায় যথেষ্ট ভাইরাল হয়ে যায়। সজল ঘোষ ক্যামেরার সামনে চিৎকার করে বলতে থাকেন যে তাকে রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে ফাঁসানো হয়েছে ।

এই ঘটনাটিকে কেন্দ্র করে যথেষ্ট চাপানউতোর শুরু হয়ে গিয়েছে তৃণমূল এবং বিজেপির মধ্যে। বিজেপি রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ অভিযোগ করেছেন যে, “সজল কি একটা অপরাধী? বাড়ির দরজা ভেঙে পুলিশ তাকে গ্রেফতার করেছে। ভয় দেখিয়ে এই সমস্ত কান্ড করছে রাজ্য পুলিশ।” এবার সজলের বাড়ির দরজা ভেঙ্গে তাকে গ্রেপ্তার করার বিষয়টি পরিপ্রেক্ষিতে শাসকদলের বিরুদ্ধে আক্রমণ শানিয়েছেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী।

আরও পড়ুন –“বিজেপির টিকিটে ভোটে দাঁড়ালে অবশ্যই জিতবো”- আবার মুকুল রায়ের মুখ দিয়ে বের হল বেফাঁস মন্তব্য

তিনি মানবাধিকার কমিশনের রিপোর্ট উদ্ধৃত করে মন্তব্য করেছেন, “পশ্চিমবঙ্গে আইনের শাসন নয় শাসকের আইন জারি রয়েছে।” গতকাল সন্ধ্যা নাগাদ সজল ঘোষের স্ত্রীর সাথে ফোনে কথা বলেছেন শুভেন্দু অধিকারী। তারপর তিনি রাত দশটা নাগাদ সজলের বাড়িতে পৌঁছে তার বাবা প্রদীপ ঘোষ এবং তার স্ত্রীর সাথে কথা বলেছেন। তিনি আশ্বাস দিয়েছেন যে এই সঙ্কট মুহূর্তে তিনি সজল ঘোষের পরিবারের সাথে রয়েছেন। শুভেন্দু অধিকারী সজল ঘোষের পরিবারের উদ্দেশ্যে বলেছেন,

“বাংলায় একনায়কতন্ত্র কায়েম করতে বদ্ধপরিকর তৃণমূল সরকার। এর জন্য গণতান্ত্রিক আন্দোলন করা প্রয়োজন। ‌ আমরা জানি সজল সুবিচার পাবে। পুলিশের বিরুদ্ধে অভিযোগ করার জন্য পরামর্শ দিচ্ছি। সজলের বাড়ির দরজা ভেঙে ঢোকা এবং তাকে বেআইনি ভাবে গ্রেফতার করার বিরুদ্ধে আইনি লড়াইয়ে পরিবারের পাশে থাকবে রাজ্য বিজেপি।”

আরও পড়ুন –স্বাধীনতা দিবসের দিন ভিক্টোরিয়ায় উড়তে চলেছে ১৫০ ফুটের ভারতের পতাকা

এছাড়াও পুলিশের বিরুদ্ধে অভিযোগ করে শুভেন্দু অধিকারী বলেছেন, “পুলিশ যদি বাগনানে নির্যাতিতার অপরাধীদের এইভাবে গ্রেপ্তার করত তাহলে বুঝতাম তারা তাদের দায়িত্ব পালন করেছে। এরাই আবার ত্রিপুরায় গিয়ে গণতন্ত্রের বুলি আউড়াচ্ছে। বাড়িতে মহিলারা থাকেন, সজল ঘোষের বাবা প্রদীপ ঘোষ অসুস্থ। সেখানে লাথি মেরে দরজা ভেঙ্গে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এটা মস্তানি ছাড়া আর কিছু বলা যায় না। এটা মানবাধিকার লঙ্ঘন বলেই আমি মনে করছি। এর বিরুদ্ধে আমরা কড়া প্রতিবাদ জানাবো।”

Related Articles

Back to top button