“করোনা মোকাবিলায় উত্তীর্ণ সহ বেশ কয়েকটি জায়গায় সেফ হোম হচ্ছে।”- বললেন ফিরহাদ হাকিম।

“করোনা মোকাবিলায় উত্তীর্ণ সহ বেশ কয়েকটি জায়গায় সেফ হোম হচ্ছে।”- বললেন ফিরহাদ হাকিম।

নিজস্ব প্রতিবেদন: বাংলার মাটিতে উদ্বেগজনক হারে বৃদ্ধি পেয়েছে করোনা মহামারী। এই মহামারীর কবলে পড়ে এখনো পর্যন্ত বাংলার মাটিতে বহু মানুষ প্রাণ হারিয়েছেন। তার উপরে একুশের ভোটে রাজনৈতিক জনসমাবেশ গুলিতে ব্যাপকহারে জনজোয়ার দেখা দিচ্ছে, যার ফলে আরো সংক্রমণ বৃদ্ধি পেয়েছে করোনার। এই পরিস্থিতিতে, নির্বাচনে ভোটের তিনটি দফা এক দফাতেই সম্পন্ন করার জন্য নির্বাচন কমিশনকে অনুরোধ করেছিলো তৃণমূল।

কিন্তু নির্বাচন কমিশন রাজি হয়নি।ভোটের এই আবহে বাংলায় যথেষ্ট বেড়েছে আক্রান্তের সংখ্যা। হসপিটাল গুলিতে চাপ বাড়ছে করোনা রোগীর। এমতাবস্থায় পুর নগর উন্নয়নমন্ত্রী ফিরহাদ হাকিম গতকাল আলিপুরের উত্তীর্ণ ভবনে বৈঠক করেছেন তার শীর্ষ আধিকারিকদের সাথে। ‌ ওই বৈঠকে স্বনামধন্য চিকিৎসকরা উপস্থিত ছিলেন।ফিরহাদ হাকিম জানিয়েছেন যে, রাজ্যের ভয়াবহ পরিস্থিতি তৈরি হতে চলেছে অনেকগুলি সেফ হোম এবং কোয়ারেন্টাইন সেন্টার।

আরও পড়ুন-“রিপোর্ট কার্ড দেখে আমাদের ভোট দিন”- জনসভা থেকে আহ্বান মমতার

তিনি বলেছেন যে আলিপুরের উত্তীর্ণ ভবনে প্রায় ৪০০ টি শয্যাবিশিষ্ট সেফ হোম তৈরি করা হবে। এছাড়াও গীতাঞ্জলি স্টেডিয়ামেও ২০০ টি শয্যা বিশিষ্ট সেফ হোম তৈরি করা হবে। সেফ হোমগুলিতে মোতায়েন থাকবে দশটি অ্যাম্বুলেন্স।ফিরহাদ হাকিম বলেছেন,”এখন পরিস্থিতি অনুযায়ী আমরা কলকাতায় দুই থেকে আড়াই হাজার পেশেন্ট রাখতে পারবো। অনেক জায়গাতেই আমরা কোয়ারেন্টাইন সেন্টার চালু করছি।

গরিব মানুষদের জন্য কোয়ারেন্টাইন সেন্টার করে দিয়েছি। ‌সেখানেও চার পাঁচশো সিট রয়েছে। সেখানে খাবার দাবার সবকিছুই ঠিকঠাকভাবে দেওয়া হবে। উত্তীর্ণ তে আমরা সেন্ট্রাল রিসেপশন রাখছি, সেখানে দশটি অ্যাম্বুলেন্স থাকবে যা রোগীকে সোজা নিয়ে এসে কোয়ারেন্টাইনে ঢুকিয়ে দেবে।”