নিউজপলিটিক্সরাজ্য

“রাজীব আমার ছোটো ভাইয়ের মতো। দেরী হয়েছে কিন্তু তবুও ওর বোধোদয় হয়েছে।

নিজস্ব প্রতিবেদন: রাজ্য বিজেপিতে ধরছে ভাঙন। তৃণমূল থেকে বিজেপিতে আসা নেতারা আবার বেসুরো হয়ে ঝুঁকছেন বিজেপির দিকে। ইতিমধ্যে বিজেপির দলবদলু নেতা সোনালী গুহ, দীপেন্দু বিশ্বাস তৃণমূলে ফিরতে চেয়ে চিঠি দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে। আজ তৃণমূল ভবনে বৈঠক হতে চলেছে দলবদলুদের ঘরে ফেরানোর জন্য।

সেখানে উপস্থিত হয়ে গিয়েছেন মুকুল রায় এবং তাঁর পুত্র শুভ্রাংশু রায়। এছাড়াও রাজীব বন্দোপাধ্যায় এবং প্রবীর ঘোষাল‌ও তৃণমূলে ফিরতে চেয়ে পা বাড়িয়ে রয়েছেন। বিজেপির ঘরে এই ভাঙনে রীতিমতো শঙ্কিত রাজ্য বিজেপির কর্মকর্তারা। তবে সরাসরি তাঁরা এই বিষয়টি প্রকাশ করছেন না।

আরও পড়ুন-মুকুলের গৃহত্যাগে পাল্লা ভারী হল কার ? মুকুল না শুভেন্দুর? উঠলো জল্পনা

বিজেপি রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ বলেছিলেন যে, “দুই একজন দল থেকে যেতেই পারেন। তাই বলে দলের কোনো ক্ষতি হবে না। ” কিন্তু এই দুই একজন থেকে যে এত সংখ্যায় বিজেপির নেতা কর্মীরা তৃণমূলে নাম লেখাবেন তা হয়তো ভাবতে পারেনি রাজ্য বিজেপি শীর্ষ নেতারা।তৃণমূলের প্রাক্তন সেচমন্ত্রী রাজীব বন্দ্যোপাধ্যায় বিজেপিতে যোগদান করে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ছবি নিয়ে কাঁদতে কাঁদতে বেরিয়ে এসেছিলেন।

আরও পড়ুন-“আমাদের লড়াই করার মানসিকতা ভাঙতে পারবেন না।”- টুইট করে মুকুল রায়কে খোঁচা দিলেন বিজেপি সাংসদ সৌমিত্র খাঁ।

ডোমজুড় থেকেই বিজেপির হয়ে লড়াই করে বিপুল ভোটে হেরেছেন তিনি। হেরে গিয়ে বিজেপির বিরুদ্ধে অনেক সময়েই সোচ্চার হতে দেখা গিয়েছিলো রাজীব বন্দ্যোপাধ্যায় কে। কয়েকদিন আগেই তিনি মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় কে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর কটাক্ষ করার বিরুদ্ধে সোশ্যাল মিডিয়ায় পোস্ট করেন। তারপর থেকেই তাঁর তৃণমূলে ফেরার জল্পনা জোরদার হয়।

আরও পড়ুন-“বাংলায় বিজেপির কোন জায়গা নেই”- বললেন তৃণমূলের সাধারণ সম্পাদক কুণাল ঘোষ।

বর্তমান রাজ্যের কলকাতার পুর প্রশাসক ফিরহাদ হাকিম রাজীব বন্দ্যোপাধ্যায়ের পাশে দাঁড়িয়েছেন। তিনি বলেছেন,”রাজীব আমার ছোট ভাইয়ের মতো। ও যদি তৃণমূলের ফিরতে চায় তাহলে বলবো ভালো লক্ষণ। ওঁর শুভ চিন্তার উদ্ভব ঘটেছে।

দেরিতে হলেও রাজীবের যে বোধ উদয় হয়েছে তা খুবই ভালো। কিন্তু তৃণমূলে ফিরতে চেয়ে রাজীব এখনো কোনো চিঠি দেয়নি। ও হঠাৎ কেন বিজেপিতে যোগদান করেছিল তাই এখনও পর্যন্ত ধোঁয়াশা। তবে দল ত্যাগীদের কাকে ফেরানো হবে সে নিয়ে ওয়ার্কিং কমিটি বৈঠকে সিদ্ধান্ত নেবে।”

Related Articles

Back to top button