রেল নিলো বড় সিদ্ধান্ত- বড় ভো’গান্তির শি’কা’র হতে পারে হাওড়া-শিয়ালদা শাখার ট্রেন যাত্রীরা!

শৌভিক বাগ:ভারতীয় রেলে বেশ কিছু ক্ষেত্রে বেসরকারীকরণ শুরু হয়ে গিয়েছে। রেল এই বেসরকারীকরণের প্রসঙ্গে যুক্তি দিয়েছে যে, এর ফলে ভারতীয় রেলে প্রচুর টাকার বিনিয়োগ আসবে। আরো সুদৃঢ় হবে যাত্রী স্বাচ্ছ্যন্দ এবং যাত্রী সুরক্ষা। তার পাশাপাশি এই বেসরকারীকরণ প্রক্রিয়ার মাধ্যমে সৃষ্টি হবে প্রচুর কর্মসংস্থান। প্যাসেঞ্জার ট্রেন বেসরকারীকরণের উদ্যোগ নিচ্ছে ভারতীয় রেল। রেল জানিয়েছে এর দ্বারা ভারতীয় রেলে আরো অত্যাধুনিক পরিকাঠামো গড়ে উঠবে।

এবং এর ফলে রক্ষণাবেক্ষণের খরচ কমবে। রেলযাত্রার সময়‌ও বাঁচবে।এই লক্ষ্যেই এবার ১০৯ টি রুটের মোট ১৫১ টি সুপার ফাস্ট প্যাসেঞ্জার ট্রেনের পরিচালনার দ্বায়িত্ব বেসরকারী ক্ষেত্রের হাতে তুলে দেওয়া হচ্ছে। ভারতীয় রেলের প্রায় ১২ টি ক্লাস্টারে ১০৯ টি রুটকে ভাগ করা হয়েছে। এই বেসরকারী হাতে তুলে দেওয়া ফাস্ট প্যাসেঞ্জার ট্রেনগুলিতে মোট ১৬ টি কামরা থাকবে এবং এর সর্বোচ্চ গতি হবে ১৬০ কিমি/ঘন্টা।এবার ভারতীয় রেল আরেকটি উল্লেখযোগ্য ঘোষণা করেছে।

আরও পড়ুন- অনলাইনে বিনামূল্যে দেখতে পাবেন সুশান্তের ‘দিল বেচারার’ সম্পূর্ণ সিনেমা, কবে কিভাবে দেখতে পাবেন?

রেলের নতুন টাইমটেবিল নির্ধারণ করতে চলেছে ভারতীয় রেল। তবে নতুন নির্দেশিকায় যাত্রীবাহী ট্রেনগুলো কোন কোন স্টেশনে থামবে বা বা কখন যাত্রা শুরু করবে সেই ব্যাপারগুলো উল্লেখ করা হয়নি।জানা গিয়েছে যে, রেলের নতুন নিয়মসূচি চালু করতে চলেছে রেল কর্তৃপক্ষ। এই মহামারির প্রকোপে ট্রেন চলাচল করলে ট্রেনে একটি স্টেশনে কতজন যাত্রী উঠলেন বা কতজন যাত্রী নামলেন সেই বিষয়টি দেখেই পরবর্তী স্টেশনে ট্রেন থামিয়ে যাত্রী তোলা হবে কি না সেই সিদ্ধান্ত নেবে রেল।

সব স্টেশনে ট্রেন থামানো না হলে ট্রেনের গতি আরো বাড়ানো যাবে বলে মনে করছে ভারতীয় রেল । তাছাড়া রেল জানিয়েছে একটি স্টেশনে দাঁড়িয়ে চলতে শুরু করা পর্যন্ত প্রায় সাড়ে তিনশো টাকার বেশী বাড়তি বিদ্যুৎ খরচ হয়। যদি সব স্টেশনে ট্রেন না দাঁড়ায় তাহলে, এর ফলে গন্তব্যস্থলে পৌঁছাতে আরো কম সময় লাগবে ট্রেনগুলির।

আরও পড়ুন-বড় খবর- ব্যায়সঙ্কোচ কমাতে রেলে এবার বাতিল, করোনায় বড় ধা’ক্কা খেলো…

কিন্তু এবার বাংলার শিয়ালদহ এবং খড়গপুর শাখার বেশ কিছু ট্রেন এর ফলে সবকটি স্টেশনে দাঁড়াতে না’ও পারে। কারণ অলাভজনক স্টেশনগুলিতে ট্রেন দাঁড়াবে না বলেই নির্দেশ এসেছে। কিছু লোকাল ট্রেনগুলিও এর আওতায় এসেছে। যার ফলে সঙ্কটের মধ্যে পড়তে পারেন শিয়ালদহ , খড়গপুর শাখার অনেক যাত্রীরাই।

এখানে আপনার মতামত জানান