“জ্বালানির করের টাকায় করোনায় মৃতদের পরিবারগুলিকে ক্ষতিপূরণ দিক কেন্দ্রীয় সরকার”- কেন্দ্রীয় সরকারের বিরুদ্ধে সুর চড়ালেন রাহুল গান্ধী।

“জ্বালানির করের টাকায় করোনায় মৃতদের পরিবারগুলিকে ক্ষতিপূরণ দিক কেন্দ্রীয় সরকার”- কেন্দ্রীয় সরকারের বিরুদ্ধে সুর চড়ালেন রাহুল গান্ধী।

নিজস্ব প্রতিবেদন: দিন দিন অত্যাধিক হারে বৃদ্ধি পাচ্ছে জ্বালানির দাম। বিভিন্ন রাজ্যে আশঙ্কাজনকভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে পেট্রোল , ডিজেলের দাম। যার প্রভাব পড়ছে অন্যান্য নিত্যনৈমিত্তিক দ্রব্যগুলির উপরে। জ্বালানির দাম বৃদ্ধি পাওয়ায় বেড়েছে সরষের তেল সহ অন্যান্য আমদানিকৃত পণ্যের মূল্য।

‌ একই করোনার প্রভাবে দেশের অর্থনীতি টালমাটাল খাচ্ছে। বহু মানুষ কর্মসংস্থান হারিয়েছেন। এই আবহের মধ্যে পেট্রোল-ডিজেলের মূল্য বৃদ্ধিতে সমাজে অত্যন্ত সংকটজনক পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে। এই পরিস্থিতির পরিপ্রেক্ষিতে কেন্দ্রীয় সরকারকে আক্রমণ করেছেন কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধী।

আরও পড়ুন-“আলাপনের ক্ষেত্রে কেন্দ্রীয় সরকারের হস্তক্ষেপের কোনো প্রয়োজন নেই।”- আলাপন ইস্যুতে তাঁর পক্ষ নিলেন অধীর চৌধুরী।

তিনি বলেছেন,”পেট্রোল ডিজেল থেকে কোটি কোটি টাকা কর আদায় করছে কেন্দ্রীয় সরকার। তাই এই করের টাকায় করোনায় মৃতদের ক্ষতিপূরণের ব্যবস্থা করুক কেন্দ্রীয় সরকার। করোনায় যারা মারা গিয়েছে তাদেরও করের টাকা রয়েছে এই পেট্রোল ডিজেলের উপর বসানো করে। তাই কোটি কোটি টাকা যে পেট্রোল ডিজেলের উপরে কর হিসাবে আদায় করা হচ্ছে তা দিয়েই করোনায় মৃতদের দেখভালের জন্য একটা তহবিল গঠন করা হোক।

করোনার তৃতীয় ঢেউ আসতে চলেছে। তাই এখন কেন্দ্রীয় সরকারের উচিৎ বিরোধীদের কথা শোনা। কিন্তু কেন্দ্রীয় সরকার এটা করতে রাজী নয় কখনোই। এই তৃতীয় ঢেই সারা ভারতের বুকে আরো ভয়াবহ পরিস্থিতির সৃষ্টি করবে।

আরও পড়ুন-ভোট কুশলী প্রশান্ত কিশোরের পরামর্শমতো বিরোধী দলগুলোকে নিয়ে আজ বৈঠক ডেকেছেন শরদ পাওয়ার।

দেশের মধ্যে শুধুমাত্র অক্সিজেনের অভাবে বহু মানুষের মৃত্যু ঘটেছে। কিন্তু দেশের মধ্যে বর্তমানে অক্সিজেনের কোনো ঘাটতি নেই বলে দাবী করছে কেন্দ্রীয় সরকার। তাই কেন্দ্রীয় সরকারকে করোনার এই আবহে সাহায্য করার জন্যেই কংগ্রেস এই ‘মিস ম্যানেজমেন্ট’ শ্বেতপত্র প্রকাশ করেছে। যখন সারা দেশে করোনা ছড়িয়ে পড়ছিলো তখন প্রধানমন্ত্রী ব্যস্ত ছিলেন ভোটের প্রচারে।

দিনের পর দিন উনি পেট্রোল , ডিজেলের দাম বাড়িয়ে চলেছেন। কোনো পদক্ষেপ গ্রহণ করছেন না। সাধারণ মানুষের অবস্থা দিন দিন আরও দুর্বিষহ হয়ে উঠেছে। কিন্তু প্রধানমন্ত্রী তাঁর মার্কেটিংয়ে ব্যস্ত হয়ে রয়েছেন।”