নিউজ

হাজতবাস পরীমনির। আদালত নাকচ করলো জামিনের আবেদন।

নিজস্ব প্রতিবেদন: বাংলাদেশের বিখ্যাত নায়িকা শামসুন্নাহা স্মৃতি ওরফে পরীমনির বাড়িতে তল্লাশি চালিয়ে উদ্ধার করা হয়েছে ৩০ টি বিদেশী মদের বোতল, এলএসডি নেশার জন্য ব্যবহৃত ব্লটিং কাগজ, এবং কিছু নিষিদ্ধ মাদকদ্রব্য। বাংলাদেশের পুলিশ গ্রেফতার করেছে তাঁকে। গত বুধবার ৪ দিনের রিমান্ড শেষে ঢাকার হাকিম আদালত থেকে সিআইডি কার্যালয়ে নিয়ে যাওয়া হয়েছে পরীমনিকে।

সেখানেই তিনি হঠাৎ চিৎকার করে সাংবাদিকদের উদ্দেশ্যে কাঁদতে কাঁদতে বলেন, “আমাকে সম্পূর্ন ফাঁসানো হচ্ছে, আমাকে কোন কথা বলতে দেওয়া হচ্ছে না। সাংবাদিকরা আপনারা কি করছেন? আপনারা সত্য খবর প্রকাশিত করুন।” আজ আবার আদালতে পেশ‌ করা হয়েছিলো অভিনেত্রী পরীমনিকে। তাঁর বিরুদ্ধে সমস্ত অভিযোগ প্রমাণিত হলে তাঁর সর্বোচ্চ ৫ বছরের হাজতবাস হতে পারে বলে আশঙ্কা করছেন পরীমনির ভক্তরা।

আরও পড়ুন –লক্ষীর ভান্ডার প্রকল্পে গুরুত্বপূর্ণ ঘোষণা করলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।

এর আগে তাঁকে বুধবার থেকে দু’দিন পুলিশী হেফাজতে রাখার নির্দেশ দিয়েছিলো বাংলাদেশের আদালত। ইতিমধ্যেই পরীমনির আইনজীবীরা তাঁর জামিনের জন্য আবেদন জানিয়েছিলেন। ইতিমধ্যেই বাংশাদেশের অনেক বিশিষ্টজনেরাই পরীমনির পাশে দাঁড়িয়েছেন। বাংলাদেশ সিনেমা জগতের অনেক শিল্পীরাও পরীমনির স্বপক্ষে স‌ওয়াল করেছেন। কিন্তু আজ পরীমনির জামিনের আবেদন নাকচ করে আবার তাঁকে জেল হেফা-জতে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছে বাংলাদেশ আদালত।

পরীমনির আইনজীবী আবেদন করেছিলেন যে “পরীমনি প্যানিক অ্যাটাকের রোগী, তাঁকে দীর্ঘক্ষণ হাজতে রাখলে তাঁর প্রাণসংশয় হতে পারে। তাই চিকিৎসার স্বার্থে তাঁকে মুক্তি দেওয়া উচিৎ।” কিন্তু পরীমনির জামিনের বিরোধিতা করে সিআইডি পরিদর্শক গোলাম মোস্তাফা বলেন , “আসামীকে জেল হেফা-জতে রাখাই শ্রেয়, তিনি মুক্ত হলে পালিয়ে যেতে পারেন, ইতিমধ্যেই তাঁর কাছ থেকে নানান তথ্য পাওয়া গিয়েছে। তাঁকে জামিন দেওয়া হলে তদন্তে বাধার সৃষ্টি হতে পারে।” অবশেষে পরীমনির জামিনের আবেদন নাকচ করে তাঁকে জেল হেফাজতে পাঠান ঢাকা হাকিম আদালতের বিচারক ধীমানচন্দ্র মন্ডল।

Related Articles

Back to top button