“রাজনৈতিক বিষয়ে কথা হয়েছে জে পি নাড্ডার সাথে”- বৈঠকের শেষে বঙ্গভঙ্গ বিতর্ক এড়িয়ে গেলেন সৌমিত্র খাঁ

“রাজনৈতিক বিষয়ে কথা হয়েছে জে পি নাড্ডার সাথে”- বৈঠকের শেষে বঙ্গভঙ্গ বিতর্ক এড়িয়ে গেলেন সৌমিত্র খাঁ

নিজস্ব প্রতিবেদন: বঙ্গভঙ্গের পরিপ্রেক্ষিতে বিরোধীদের নিশানায় বিজেপি। আলিপুরদুয়ারের বিজেপি সাংসদ জন বারলা কয়েকদিন আগেই পৃথক উত্তরবঙ্গের দাবিতে স‌ওয়াল করেছেন। তিনি বলেছেন “উত্তরবঙ্গের মানুষকে চিরটা কাল তৃণমূল সরকার বঞ্চিত করে এসেছে। তাই উত্তরবঙ্গ কে আলাদা রাজ্য রূপে গড়ে তুললে উত্তরবঙ্গের মানুষ সুখ-সমৃদ্ধির দেখা পাবেন।”

এই মন্তব্যে যথেষ্ট চাঞ্চল্য দেখা দিয়েছে বাংলার রাজ্য রাজনীতিতে। ‌জন বারলার এই মন্তব্যের পরিপ্রেক্ষিতে তার বিরুদ্ধে দিনহাটা থানায় অভিযোগ দায়ের করেছে তৃণমূল। এই আবহে ঠিক এরকমই একটি মন্তব্য করে বিজেপির অস্বস্তির আগুনে ঘি ঢেলেছেন বিজেপি সাংসদ সৌমিত্র খাঁ। জন বারলার মতো তিনিও এবার রাঢ়বঙ্গকে ভেঙে আলাদা রাজ্যের প্রসঙ্গ উত্থাপন করেছেন।

আরও পড়ুন-শরদ পাওয়ারের বাড়িতে সিপিএম, আপ, তৃণমূল সহ বৈঠকে ৮ দল।

এরপরে বিজেপির অস্বস্তি আরো কয়েকগুণ বাড়িয়ে জন বারলার হাত ধরেছেন উত্তরবঙ্গের আরো দুই বিজেপি বিধায়ক। মাটিগাড়া নকশালবাড়ির বিজেপি বিধায়ক আনন্দময় বর্মন , ডাবগ্রাম ফুলবাড়ীর বিজেপি বিধায়ক শিখা চট্টোপাধ্যায় উত্তরবঙ্গের বিভাজনের দাবিতে সরব হয়েছেন। বিজেপি শীর্ষ নেতারা দলের দুই সাংসদ জন বারলা এবং সৌমিত্র খাঁ কে সতর্ক করেছে যে পৃথক রাজ্যের দাবি কখনোই তোলা যাবে না।এই পরিস্থিতিতে সৌমিত্র খাঁ কে তলব করেছিলেন বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি জে পি নাড্ডা।

আরও পড়ুন-“পাঞ্জাব ভেঙেও তো হরিয়ানা হয়েছে”- এবার বঙ্গভঙ্গ বিষয়ে মুখ খুললেন তথাগত রায়

তার সাথে সন্ধে আটটা নাগাদ বৈঠক করেছেন সৌমিত্র খাঁ। এই বৈঠকের পর এই তিনি সংবাদমাধ্যমের কাছে বলেছেন, “নাড্ডাজীর সাথে রাজনৈতিক বিষয়ে কথা হয়েছে। যেহেতু আমি দিল্লিতে এখন রয়েছি তাই আমি উনার সাথে দেখা করতে চেয়েছিলাম উনি আমাকে সময় দিয়েছেন।” তবে বঙ্গভঙ্গের এই বিষয়ে কোন রকম কথা বলেননি সৌমিত্র খাঁ।

এদিকে অবিলম্বে সৌমিত্র খাঁ কে দিল্লি থেকে রাজ্যে ফিরে আসার নির্দেশ দিয়েছে রাজ্য বিজেপি।