নিউজপলিটিক্সরাজ্য

রাজ্যে ভোট পরবর্তী হিংসায় পুলিশের রিপোর্টে নেই ৬০% মামলা

নিজস্ব প্রতিবেদন: একুশের ভোটে তৃণমূলের জয়লাভের পর রাজ্যে ভোট পরবর্তী সন্ত্রাসের আবহের সৃষ্টি হয়েছে। বিজেপি বারবার অভিযোগ করেছে যে তাদের নেতাকর্মীদের উপরে অকথ্য অত্যাচার চালাচ্ছে তৃণমূলের কর্মী সমর্থকরা। ‌ এছাড়াও রাজ্যের বহু জায়গায় বিজেপি কর্মীদের মারধর এবং অনেক বিজেপি মহিলা কর্মীকে ধর্ষণের ঘটনা ঘটেছে। ‌ এই মর্মে জাতীয় মানবাধিকার কমিশন রাজ্যে ভোট পরবর্তী হিংসা শিকার মানুষজনের সাথে কথা বলে এবং সার্বিক পরিস্থিতি খতিয়ে দেখে একটি রিপোর্ট জারি করেছে সেই রিপোর্টে উল্লেখ রয়েছে যে রাজ্যে ব্যাপকভাবে ভোট-পরবর্তী সন্ত্রাসের ঘটনা ঘটেছে।

‌ এছাড়াও এই রিপোর্টে পুলিশ এবং প্রশাসনের ভূমিকা নিয়ে যথেষ্ট প্রশ্নচিহ্ন তুলেছে মানবাধিকার কমিশন। মানবাধিকার কমিশনের রিপোর্টে ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে রাজ্য রাজনীতিতে। ‌ তৃণমূল রাজ্য সরকার এই রিপোর্টকে সম্পূর্ণ উদ্দেশ্যপ্রণোদিত এবং বিভ্রান্তিকর বলে আখ্যা দিয়েছে।রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তে তৃণমূলের অত্যাচারের বিবরণ উপস্থাপিত করে কলকাতা হাইকোর্টে একটি জনস্বার্থ মামলা দায়ের করা হয়েছে।

আরও পড়ুন-“বিজেপি – তৃণমূল এক নয়”- অফিসিয়ালি ঘোষণা আলিমুদ্দিনের।

এই মামলার শুনানিতে গতকাল অভিযোগকারীদের আইনজীবী আদালতে বলেছেন যে,”রাজ্যে ভোট পরবর্তী হিংসাত্মক পরিস্থিতিতে খুন এবং ধর্ষণ নিয়ে রাজ্য পুলিশের ভূমিকায় যথেষ্ট প্রশ্নচিহ্নের সৃষ্টি হয়েছে। রাজ্য পুলিশ যে রিপোর্ট জারি করেছে তার সাথে জাতীয় মানবাধিকার কমিশনের রিপোর্টের অন্তত ৬০% পার্থক্য বর্তমান। পুলিশ জানিয়েছে যে বাংলায় কোন ধর্ষণের ঘটনা ঘটেনি। অথচ এদিকে বারবার ধর্ষিতাদের মামলা প্রত্যাহার করার জন্য প্রাণনাশের হুমকি দেওয়া হচ্ছে।

আরও পড়ুন-মহার্ঘ ভাতা ইস্যুতে সুপ্রিম কোর্টে যাওয়ার হুঁশিয়ারি দিলেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী।

‌ এই মামলা গুলিকে দায়ের করা হয়নি।”রাজ্য পুলিশ রিপোর্ট জারি করে জানিয়েছে ভোট-পরবর্তী হিংসায় খুন হয়েছে ২৯ জন মানুষ । কিন্তু জাতীয় মানবাধিকার কমিশনের রিপোর্ট বলছে অন্য রকম। মানবাধিকার কমিশনের রিপোর্টে রাজ্যে ভোট পরবর্তী হিংসাত্মক পরিস্থিতিতে ধর্ষিত হয়েছেন ১৪ জন মহিলা।

রাজ্যে ভোট পরবর্তী হিংসায় প্রাণ গিয়েছে ৫২ জনের। ওদিকে রাজ্য সরকারের আইনজীবী কপিল সিব্বল অভিযোগ করেছেন যে,”জাতীয় মানবাধিকার কমিশন যে কাজ করেছে তা সম্পূর্ণ আইন মেনে হয়নি।”

Related Articles

Back to top button