“বাংলার মানুষ তৃণমূলকে মাঠ থেকে বের করে দিয়েছে”- জনসভা থেকে তৃণমূলকে কটাক্ষ প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর

“বাংলার মানুষ তৃণমূলকে মাঠ থেকে বের করে দিয়েছে”- জনসভা থেকে তৃণমূলকে কটাক্ষ প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর

নিজস্ব প্রতিবেদন: রাজ্যের মাটিতে নিজেদের সর্বময় কর্তৃত্ব স্থাপনে সব রকমের প্রচেষ্টা চালাচ্ছে বিজেপির। একা মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে সম্মুখসমরে নেমেছেন বিজেপির তাবড় তাবড় নেতারা । বিজেপি প্রভাবশালী কেন্দ্রীয় মন্ত্রীরা বারবার জনসভা করে চলেছেন বাংলার মাটিতে। উত্তরপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথ থেকে শুরু করে, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ, প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিং, বিজেপির অধ্যক্ষ জে পি নাড্ডা সহ তাবড় তাবড় নেতারা বাংলার মাটিতে জনসভা করেছেন।

যেকোনো মূল্যে নবান্নের সিংহাসন হাসিল করতে বদ্ধপরিকর বিজেপি। এদিকে বাংলার মাটি আরো দৃঢ় ভাবে ধরে রাখতে চাইছে তৃণমূল‌ও। মুখ্যমন্ত্রী বলেই দিয়েছেন তিনি এক ইঞ্চিও জমি ছাড়বেন না বিজেপিকে। এদিকে বাংলার বুকে বিজেপিকে জেতানোর একাই দায়িত্ব নিজের কাঁধে তুলে নিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। বাংলার ইতিহাসে এই প্রথম, ভারতের প্রধানমন্ত্রী বারবার ছুটে আসছেন বাংলার মাটিতে।

আরও পড়ুন-বারাসাতে প্রধানমন্ত্রীর সভা হতে চলেছে। কিন্তু বাতিল হয়ে গেল মুখ্যমন্ত্রীর রাজনৈতিক কর্মসূচি।

আজ বর্ধমানের জনসভায় এসে উপস্থিত হয়েছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। ওই জনসভা থেকে তিনি তীব্র কটাক্ষ করেছেন তৃণমূলকে।মোদী বলেছেন, “ভাইপোর হাতে তৃণমূল কোম্পানিকে তুলে দেওয়ার পরিকল্পনা করছেন দিদি, কিন্তু দিদির এই পরিকল্পনা সাধারণ মানুষের ধারণায় এসে গিয়েছে, তাই এবার তৃণমূলকে মাঠের বাইরে বের করে দিতে চলেছে বাংলার মানুষ। বাংলার মানুষ চায় বিকাশ, নারী সুরক্ষা, উপযুক্ত শিক্ষা, শান্তির পরিবেশ।

আরও পড়ুন-“বাংলা তৃণমূলের দুঃশাসন চায়না, পিসি ভাইপোর হিংসার খেলা চায়না”- বর্ধমানের জনসভা থেকে হুঙ্কার মোদীর

বাংলার মানুষ পরিবর্তন চায়, তৃণমূলের দুঃশাসন চায়না, পিসি ভাইপোর হিংসার খেলা চায়না। তৃণমূল তফসিলীদের ভিখারি বলেছে, তফসিলি ভাইদের অপমান করেছে। প্রথম চার দফা ভোটে তৃণমূল পুরো সাফ হয়ে গিয়েছে, তাই দিদির এত হতাশার উদ্রেক হয়েছে। বাংলার বুকে উস্কানি দিচ্ছেন মুখ্যমন্ত্রী। তাঁর উস্কানিতেই সন্ত্রাসের ঘটনা গুলি ঘটছে। মানুষ এবার শান্তিতে থাকতে চায়। তাই এবারের চতুর্থ দফার ভোটে একশো পেরিয়ে গিয়েছে বিজেপি।”