“বামেদের সাথে জোট করায় মানুষ বিশ্বাস করেনি।”- সোনিয়া গান্ধীকে চিঠি দিলেন কংগ্রেস নেতা শংকর মালাকার।

“বামেদের সাথে জোট করায় মানুষ বিশ্বাস করেনি।”- সোনিয়া গান্ধীকে চিঠি দিলেন কংগ্রেস নেতা শংকর মালাকার।

নিজস্ব প্রতিবেদন: একুশের বিধানসভা ভোটে বাংলা থেকে কার্যত নিশ্চিহ্ন হয়ে গিয়েছে বাম সংযুক্ত মোর্চা। অভীষ্ট লক্ষ্য পূরণের জন্য বামফ্রন্ট আইএসএফ এবং কংগ্রেস জোট বেঁধে লড়াই করতে নেমেছিল তৃণমূল কংগ্রেস এবং বিজেপির বিরুদ্ধে। তরুণ ব্রিগেডকে এবারে মুখ করে জনসমক্ষে উপস্থাপিত করেও বাংলায় মুখ থুবড়ে পড়েছে বাম সংযুক্ত মোর্চা। আর সংযুক্ত মোর্চার এই ভরাডুবির পর কংগ্রেসের অন্দরে যথেষ্ট বিক্ষোভের সূত্রপাত ঘটেছে ।

কংগ্রেস নেতা অধীর চৌধুরীকে তীব্র ভর্ৎসনা করেছে কংগ্রেস শীর্ষ নেতৃত্ব।উত্তরবঙ্গের মাটিতে একটাও আসন লাভ করতে পারেনি কংগ্রেস। মাটিগাড়া নকশালবাড়িতে হারের মুখ দেখেছেন বর্ষীয়ান কংগ্রেস নেতা শংকর মালাকার। হারের কারণ প্রসঙ্গে পর্যালোচনা করার জন্য সোনিয়া গান্ধীকে চিঠি দিয়েছেন শংকর মালাকার।

আরও পড়ুন-“ফেসবুকে যখন তখন যা খুশি বলা যাবে না।”- ফেসবুক লাইভ প্রসঙ্গে মদন মিত্রকে ভর্ৎসনা করলেন মুখ্যমন্ত্রী।

তিনি এই চিঠিতে আবেদন করেছেন যে, “রাজ্যে কংগ্রেসের ভরাডুবি জন্য কোন কমিটির সাথে আমি কথা বলতে রাজি নই। আমি সরাসরি আপনাদের সাথে পর্যালোচনা করতে ইচ্ছুক। শংকর মালাকার জানিয়েছেন যে কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধীর সাথে তার ফোনে কথোপকথন হয়েছে। শংকর মালাকার বলেছেন, “সিপিএমের সাথে যখন জোট গঠন করা হয় তখন শীর্ষ নেতৃত্ব আমাদের কোন কথা শোনেনি আমাদের মতামত জানতে চায়নি।

আরও পড়ুন-কোচবিহারে বিজেপির পঞ্চায়েত সদস্যরা যোগ দিলেন তৃণমূলের।

এখন হেরে যাওয়ার পর স্ক্রিনিং কমিটি আমাদের কাছে হারের কারণ সম্পর্কে জানতে চাইছে। তখন আমাদের মতামত না জেনে এখন কারণ জানতে চাওয়া হচ্ছে। জেলা নেতৃত্বের কোন মতামত নেয়নি শীর্ষ নেতৃত্ব। বামেদের সাথে জোট মানুষের মধ্যে ভরসা জোগাতে পারেনি তাই মানুষ বিশ্বাস করতে পারেনি।”