“বাংলায় রাষ্ট্রপতি শাসন জারি না হলে কখনোই শান্তি ফিরবে না”- আবার সরব হলেন দিলীপ ঘোষ

“বাংলায় রাষ্ট্রপতি শাসন জারি না হলে কখনোই শান্তি ফিরবে না”- আবার সরব হলেন দিলীপ ঘোষ

নিজস্ব প্রতিবেদন: একুশের ভোট পরবর্তী আবহে উত্তপ্ত বাংলা। ইতিমধ্যেই বাংলায় ভোট পরবর্তী আবহে হিংসাত্মক পরিস্থিতির পরিপ্রেক্ষিতে সুপ্রিমকোর্টের দায়ের হয়েছে জনস্বার্থ মামলা। বিরোধী নেতা শুভেন্দু অধিকারী স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ এবং প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সাথে বৈঠক করে রাজ্যের ভোট পরবর্তী হিংসাত্মক পরিস্থিতি নিয়ে বেশ কিছু আলোচনা করেছিলেন। জল্পনা হয়েছিল যে তিনি বাংলায় রাষ্ট্রপতি শাসন জারি করার আবেদন করেছিলেন ওই বৈঠকে।

এরপরেই ফিরে এসে কয়েকদিন আগেই ৫০ জন বিধায়ক সহ বাংলায় হিংসাত্মক পরিস্থিতি এবং আইন শৃঙ্খলার অবনতির বিষয়ে অভিযোগ জানাতে গিয়েছিলেন রাজ্যপালের কাছে। তাদের অভিযোগ শোনার পরেই রাজ্যপাল‌ও দিল্লি গিয়েছিলেন। সেখানে তিনি বেশ কয়েকজন কেন্দ্রীয় বিজেপি নেতা এবং স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের সাথে দেখা করেছেন।দিল্লি গিয়ে শুভেন্দু অধিকারী প্রধানমন্ত্রী এবং অমিত শাহের সাথে বৈঠকে জানিয়েছিলেন যে বাংলায় এখনো পর্যন্ত বহু বিজেপি কর্মী ঘরছাড়া হয়ে রয়েছেন।

আরও পড়ুন-“উত্তরপ্রদেশে মোদীর ভোটপ্রচারের ফলেই আছড়ে পড়বে করোনার তৃতীয় ঢেউ।

অনেক ক্ষেত্রেই ঘরে আবার ফিরে আসতে হলে তাদের মোটা টাকা জরিমানা দিয়ে তবেই ঘরে ঢুকতে হচ্ছে। আবার অনেক সময় তাদেরকে ঘরে ঢোকার পর আক্রমণ করছে তৃণমূল কর্মী সমর্থকরা। এদিকে গতকাল আবার শুভেন্দু অধিকারীকে জরুরি তলব করেছে দিল্লির শীর্ষ নেতৃত্ব।রাজ্যপাল জগদীপ ধনখড়‌ও বাংলার মাটিতে ভোট পরবর্তী হিংসার পরিপ্রেক্ষিতে যথেষ্ট সরব হয়েছিলেন।

এবার এই বিষয়ে আবার সরব হয়েছেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ। তিনি বর্তমানে উত্তরবঙ্গ সফরে গিয়েছেন। গতকাল মালদা জেলা সদর দপ্তর থেকে যোগ দিবসে অংশগ্রহণ করেছিলেন তিনি। সেখানেই তিনি বাংলায় ভোট পরবর্তী হিংসাত্মক পরিস্থিতি সম্পর্কে সরব হয়ে বলেছেন,”লুঙ্গী বাহিনী প্রকাশ্যে ট্রেন‌, বাস জ্বালিয়ে দিলো।

আরও পড়ুন-“আইএস‌এফের সাথে আমাদের কোনো জোট নেই।”- ঘোষণা করে দিলেন অধীর চৌধুরী।

সরকার কোনো পদক্ষেপ গ্রহণ করলো না। দেশদ্রোহীদের এখানে প্রশ্রয় দেওয়া হচ্ছে। একজন বিদেশি নাগরিককে দলের প্রধান পদাধিকারী বানানো হয়েছে। রাজ্য সরকারের এই কুশাসন দেখেই উত্তরবঙ্গের মানুষ উত্তরবঙ্গ কে আলাদা রাজ্য হিসেবে গড়ে তোলার দাবি তুলছেন। ‌ বিজেপি কর্মীদের মিথ্যা মামলায় জড়ানো হচ্ছে।

কেউ প্রতিবাদ করলেই তাকে আক্রমণ করা হচ্ছে। গোটা রাজ্যে উগ্রপন্থীরা নিশ্চিন্ত আশ্রয় গ্রহণ করছে, কিন্তু তাদের গায়ে রাজ্য সরকার হাত দেবে না কারণ তারাই রাজ্য সরকারের ভোটব্যাঙ্ক। তাই বাংলায় রাষ্ট্রপতি শাসন জারি না করলে কখনোই শান্তি ফিরবে না।”