“একদিকে পিসি ভাইপো, অন্যদিকে নরেন্দ্র মোদী অমিত শাহ ঘুরে ঘুরে প্রচার করে বেড়াচ্ছেন।”- করোনা আবহে তৃণমূল-বিজেপি কে আক্রমণ অধীর চৌধুরীর।

“একদিকে পিসি ভাইপো, অন্যদিকে নরেন্দ্র মোদী অমিত শাহ ঘুরে ঘুরে প্রচার করে বেড়াচ্ছেন।”- করোনা আবহে তৃণমূল-বিজেপি কে আক্রমণ অধীর চৌধুরীর।

নিজস্ব প্রতিবেদন: একদিকে সারা ভারতের বুকে প্রবল সন্ত্রাস চালাচ্ছে করোনাভাইরাস। আবার অন্যদিকে একুশের ভোট ঘিরে যথেষ্ট উন্মাদনায় মেতেছেন বাংলার মানুষজন। কিন্তু করোনার এই আবহে নির্বাচনী প্রচারে অত্যধিক জনসমাগমে আরো আশঙ্কা বাড়ছে ভাইরাস ছড়িয়ে পড়ার । ইতিমধ্যেই পশ্চিমবঙ্গের বুকে করোনা প্রাণ নিয়েছে ১০ হাজার ৬৫২ জন মানুষের। প্রতিদিন লাফিয়ে লাফিয়ে বাড়ছে আক্রান্তের সংখ্যা।

এই আবহে যাতে তিনদফার ভোট এক দফাতেই সম্পন্ন করে দেওয়া যায় তার জন্য নির্বাচন কমিশনে অনুরোধ জানিয়েছিলেন মুখ্যমন্ত্রী। কিন্তু নির্বাচন কমিশন তার এই অনুরোধে কর্ণপাত করেনি। তৃণমূল ঘোষণা করেছে যে বাংলার মাটিতে আর কোনো বড় জনসভা করবে না তারা। বাম সংযুক্ত মোর্চা আগেই ঘোষণা করেছিল যে, তারাও আর কোন জনসভা বাংলায় করবে না পরিবর্তে তারা সোশ্যাল মিডিয়ায় প্রচার করবে এবং বাড়ি বাড়ি প্রচার করবে।প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী গতকাল সন্ধ্যায় বলেছেন, “লকডাউন হলো করণা মোকাবিলার শেষ অস্ত্র।

আরও পড়ুন-কাঁচ, প্লাস্টিক, স্টিলে এক সপ্তাহের‌ও বেশী সময় বেঁচে থাকতে সক্ষম করোনা ভাইরাস।

করোনা মোকাবিলায় পর্যায়ে শ্রমিকরা অযথা আতঙ্কিত হবেন না। ‌ সকলে বাড়িতে থাকার চেষ্টা করুন।”প্রধানমন্ত্রীর এই মন্তব্যকে কটাক্ষ করেছেন বিরোধী দলের নেতারা। তৃণমূল নেতা সৌগত রায় বলেছেন, “প্রধানমন্ত্রী লকডাউন করতে চাইছেন, কিন্তু আমরা চাই না যে লকডাউন করে আবার পর্যায়ে শ্রমিকরা গতবারের মতো ভয়াবহ পরিস্থিতির মধ্যে পড়ুক। আমরা চাই কেন্দ্র সরকার আরো অতিরিক্ত ভ্যাকসিন বাংলায় পাঠাক।‌

গতবারে ডোনাল্ড ট্রাম্প আসার জন্য দেরি করেছিলেন নরেন্দ্র মোদী, এবারে পশ্চিমবঙ্গে ভোটের প্রচার এর জন্য দেরি করছেন।”প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি অধীর রঞ্জন চৌধুরী বলেছেন, “প্রধানমন্ত্রী এবং তার দল আগেই প্রচারের কাজ বন্ধ করুক, মিটিং-মিছিল বন্ধ করুক , তারপরে তিনি জ্ঞান দেবেন। ‌ আমরা মিটিং মিছিল বন্ধ করে দিয়েছি। কিন্তু একদিকে পিসি ভাইপো আর অন্যদিকে মোদী অমিত শাহ জেলায় জেলায় ঘুরে ঘুরে প্রচার করে বেড়াচ্ছেন।”