রাজ্যের আইন শৃঙ্খলার ব্যবস্থার বিরুদ্ধে একরাশ অভিযোগ তুলে রাজ্যপালের সাথে আবার সাক্ষাৎ করলেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী।

রাজ্যের আইন শৃঙ্খলার ব্যবস্থার বিরুদ্ধে একরাশ অভিযোগ তুলে রাজ্যপালের সাথে আবার সাক্ষাৎ করলেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী।

নিজস্ব প্রতিবেদন: রাজ্যপাল জগদীপ ধনখড় গিয়েছিলেন দিল্লিতে। তিনি বলেছেন দিল্লিতে তিনি প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী এবং স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের সাথে গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক সম্পন্ন করতে যাচ্ছেন। কিন্তু তিনি দিল্লিতে যাওয়ার পরেই রাজ্যপালকে ব্যাপক আক্রমণ করেছেন রাজ্যের তৃণমূল নেতা মন্ত্রীরা। গত মঙ্গলবার সন্ধ্যায় দিল্লির উদ্দেশ্যে র‌ওনা দিয়েছিলেন রাজ্যপাল।

রাষ্ট্রপতি রামনাথ কোবিন্দের সাথে তিনি দেখা করেছেন। রাজ্যের আইন শৃঙ্খলার অবনতি হয়েছে এই মর্মে তিনি রাষ্ট্রপতি কে একটি রিপোর্ট দিয়েছেন। ‌ এরপর তিনি দেখা করেছেন কয়লা মন্ত্রী এবং সংস্কৃতি মন্ত্রীর সাথে। গত বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা সাতটায় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের সাথে তিনি বৈঠক সম্পন্ন করেছেন। ‌

আরও পড়ুন-“ওটা হল বঙ্গভঙ্গ দিবস”- পশ্চিমবঙ্গ দিবসের পরিপ্রেক্ষিতে শুভেন্দু অধিকারী কে কটাক্ষ তৃণমূলের।

জানা গিয়েছে দীর্ঘক্ষন এই বৈঠকে রাজ্যপাল সবিস্তারে বাংলা মাটিতে হিংসাত্মক পরিস্থিতি এবং আইন শৃঙ্খলার অবনতি সম্পর্কে অমিত শাহের সাথে আলোচনা করেছেন এবং অমিত শাহের হাতে একটি রিপোর্ট তুলে দিয়েছেন। রাজ্যের বর্তমান আইন শৃঙ্খলা অবনতি, ভোট পরবর্তী হিংসাত্মক পরিস্থিতি এবং প্রশাসনে নীরব ভূমিকা নিয়ে অমিত শাহ কে অভিযোগ জানিয়েছেন রাজ্যপাল।এর আগে রাজ্যপালের কাছে ৫০ জন বিধায়কদের নিয়ে বাংলার আইন শৃঙ্খলার অবনতি সম্পর্কে এবং ভোট পরবর্তী সন্ত্রাস সম্পর্কে অভিযোগ জানিয়েছিলেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী।

আরও পড়ুন-উত্তরবঙ্গের বঞ্চনা নিয়ে সরব হলেন শুভেন্দু অধিকারী। কি বললেন তিনি ?

আবার গতকাল ঠিক এক‌ই অভিযোগ নিয়ে রাজভবনে রাজ্যপালের সাথে দেখা করেছেন শুভেন্দু অধিকারী। গতকাল রাজ্যে ভোট পরবর্তী হিংসাত্মক পরিস্থিতির প্রসঙ্গে আবার রাজ্যপালের সাথে সাক্ষাৎ করলেন শুভেন্দু অধিকারী। তিনি রাজ্যপালের কাছে অভিযোগ করেছেন যে, “একুশের ভোটের ফলাফল বেরোনোর পর থেকেই রাজ্যের বিজেপি নেতা কর্মীদের উপরে আক্রমণ চালিয়ে যাচ্ছে তৃণমূল কর্মী সমর্থক রা। পুলিশ প্রশাসন এ বিষয়ে সম্পূর্ণ নীরব ভূমিকা পালন করছে।

আরও পড়ুন-মুকুলের পরামর্শ অনুযায়ী উত্তরবঙ্গে সংগঠন মজবুত করতে রণনীতি সাজাচ্ছে তৃণমূল

এমনকি কলকাতা পুলিশ কলকাতার বুকে যে সমস্ত ঘটনা ঘটছে ভোট পরবর্তী হিংসার আবহে সেই সম্পর্কে কোনো ব্যবস্থা গ্রহণ করছে না। বিজেপি নেতা কর্মীদের মিথ্যে মামলায় ফাঁসিয়ে দিচ্ছে তৃণমূল নেতা কর্মীরা। আমি অবিলম্বে আপনার কাছে আবেদন করছি যে ভোট পরবর্তী হিংসার পরিপ্রেক্ষিতে আপনার হস্তক্ষেপ প্রয়োজন।”