“একমাত্র মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়‌ই প্রধানমন্ত্রীকে আটকানোর ক্ষমতা রাখেন।”- মুখ্যমন্ত্রীর স্তুতি অধীর চৌধুরীর।

“একমাত্র মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়‌ই প্রধানমন্ত্রীকে আটকানোর ক্ষমতা রাখেন।”- মুখ্যমন্ত্রীর স্তুতি অধীর চৌধুরীর।

নিজস্ব প্রতিবেদন: স্বাধীনতার পূর্ববর্তী সময়ে থেকে ভারতের মাটিতে দাপিয়ে রাজনীতি করে আসা কংগ্রেস খাতাই খুলতে পারেনি একুশের ভোটে। এমনকি কংগ্রেসের গড় মুর্শিদাবাদে রীতিমতো ধরাশায়ী কংগ্রেস। বামফ্রন্টের সাথে আইএস‌এফ এবং কংগ্রেসের মহাজোট বাংলায় কোনো প্রভাব বিস্তার করতে পারেনি। এর ফলে এই মহাজোটের বিরোধিতা করে সরব হয়েছে কংগ্রেস কর্মী সমর্থকরা।

‌ কেন্দ্রীয় কংগ্রেসের বেশ কয়েকজন নেতা এর দায় চাপিয়ে দিয়েছেন অধীর রঞ্জন চৌধুরীর উপরে। প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতির নেতৃত্বে গত শনিবার প্রদেশ কংগ্রেসের প্রথম বৈঠক আয়োজিত হয়েছে কলকাতার মৌলালির প্রদেশ কংগ্রেসের সদরদপ্তর বিধান ভবনে। আসলে একুশের ভোটে মহাজোটের পর পরাজয় হলে দলীয় কর্মী সমর্থকদের মধ্যে ব্যাপক বিক্ষোভের সৃষ্টি হয়। সকলেই আইএস‌এফ এবং বামেদের সাথে জোট করার তীব্র সমালোচনা শুরু করেন।

আরও পড়ুন-“পুরভোটে বাম কংগ্রেসের জোট প্রসঙ্গে আমার কিছু বলার ক্ষমতা নেই।”- বললেন অধীর চৌধুরী।

আগেই বিজেপিকে রোখার জন্য বামফ্রন্টের সাথে জোট না করে তৃণমূলের সাথে জোট করার জন্য অধীর চৌধুরী কে পরামর্শ দিয়েছেন কংগ্রেসের এক কেন্দ্রীয় নেতা। একুশের ভোটে সংখ্যালঘু ভোটবাক্সের সিংহভাগ গিয়েছে মমতার সমর্থনে।এবার এই আবহে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের যথেষ্ট স্তুতি করলেন অধীর চৌধুরী। গত শনিবার কলকাতার বিধানসভা ভবনে একটি সাংবাদিক বৈঠকে প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি অধীর চৌধুরী বলেছেন,”এই পরিস্থিতিতে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীকে রোখার একমাত্র ক্ষমতা রয়েছে বাংলার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের।

আরও পড়ুন-ব্যক্তিগত দ্বন্দ্ব ভুলে আবার একসাথে মিটিং করলেন শতাব্দী-অনুব্রত।

কৌশলগত ভাবে বিজেপির রথের চাকা রোখায় একমাত্র সক্ষম মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। বিজেপির সাম্প্রদায়িকতাকে আটকানোর জন্যই বাংলার মুসলমানেরা দিদিকে ঢালাও ভোট দিয়েছে। বাংলার মানুষ জানেন যে একমাত্র প্রধানমন্ত্রীকে আটকাতে পারেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।”হঠাৎ এই পরিস্থিতিতে অধীর চৌধুরী মুখ্যমন্ত্রীর প্রশংসা করায় কংগ্রেসের সাথে বামফ্রন্টের আগামী দিনের জোট প্রসঙ্গে অনেকটাই ধোঁয়াশার সৃষ্টি হয়েছে।