নিউজ

পরিবারে সদস্য মাত্র ৭, মাস্ক মাত্র ১! সকলে ঘুরিয়ে ফিরিয়ে পরেন বাড়িতে!

নিজস্ব প্রতিবেদন :-করোনা কেড়ে নিয়েছে বহু মানুষের প্রাণ । এই মুহূর্তে দেশের যা অবস্থা তা সত্যিই খুব উদ্বেগজনক । পার্শ্ববর্তী দেশ গুলি আমাদের জন্য প্রার্থনা করছেন যাতে আমরা খুব সহজে আবার স্বাভাবিক জীবনে ফিরে আসতে পারি ।তার পাশাপাশি একের পর এক মৃত্যুসংবাদ আমাদেরকে দুর্বল করে তুলছে প্রতিনিয়ত । কিন্তু তবুও আমাদের জানা নেই কিভাবে থেকে রেহাই মিলবে । সত্যি কারো জানা নেই । এমতাবস্থায় আমরা একেবারে নিরুপায় ।

প্রতিদিন প্রায় কয়েক লক্ষ মানুষ আক্রান্ত হচ্ছে হাজার হাজার মানুষ প্রাণ হারাচ্ছে এর প্রভাবে। একটা চিতা নিভতে না নিকটেই জ্বলে উঠছে অন্য একটি চিতা । আস্ত একটা শরীর মিশে যাচ্ছে মুহূর্তের মধ্যে কালো ধোঁয়া হয়ে এই মহাবিশ্বে । এমতাবস্থায় মানুষকে যদি বাঁচতে হয় কিছুটা হলেও এর প্রভাব যদি কমাতে হয় তাহলে অতি অবশ্যই মাস্ক পরা দরকার । কারণ মাস্ক পড়লে অনেকাংশে ভাইরাসকে শরীরের মধ্যে প্রবেশ করা থেকে আটকানো সম্ভব ।

আরও পড়ুন-পিপিই কিট পড়ে হাসপাতালের কোভিড ওয়ার্ডেই বিয়ে করলেন নার্স!

কিন্তু সেই উপদেশকে বুড়ো আঙুল দেখিয়ে দেদার চলছে নিয়ম ভাঙার খেলা । কিন্তু কখনো যদি এমনটা হয় যে পরিবারে অনেক জন মানুষ কিন্তু মাস্ক রয়েছে একটি । বিশ্বাস হচ্ছে না তো ? কিন্তু এমনই ঘটেছে উত্তর দিনাজপুরের ।হরিরামপুরের এক অখ্যাত গ্রাম ছোটকড়ি। চাষবাস আর পশুপালনই এখানকার মানুষের প্রধান জীবিকা। গ্রামে ঘুরলেই স্পষ্ট দারিদ্রতার ছাপ। গ্রামে ঘুরতে ঘুরতেই দেখা গেল মাস্ক ছাড়াই অনেকে ঘুরে বেড়াচ্ছেন।

সেখানকার এক স্কুলের ছাত্রী জানিয়েছেন যে স্কুল থেকে পেয়েছিলেন শুধুমাত্র একটি মাস্ক বাড়িতে সদস্য সংখ্যা ৭ । কাজেই একজন যদি বাইরে বেরোই তাহলে অপরজনকে অপেক্ষা করতে হয় তার ফেরার । তবে সে সেই মাস্ক নিয়ে বাইরে বের হতে পারবেন ।। শুধুমাত্র একটি পরিবারের ঘটনা এমন কিন্তু নয় ।গোটা গ্রামজুড়ে একই চিত্র ফুটে উঠছে ।প্রশাসনের তৎপরতায় এবং সক্রিয়তা নিয়ে উঠেছে প্রশ্ন ।

তাহলে কি করোনা এর রুণা থেকে মৃত্যু ভয় নেই? এর উত্তরে গ্রামবাসী জানান যে মৃত্যু ভয় আছে জানি তবুও মাছ কেনার সামর্থ নেই । বারবার ব্যবহারের ফলে যে সমস্ত রয়েছে সেগুলো ফেটে যাচ্ছে । মাস্ক কেনার টাকা থেকে খাবার কিনে খাওয়া এখন তাদের প্রধান লক্ষ্য হয়ে দাঁড়িয়েছে ।

Related Articles

Back to top button