নিউজকলকাতাপলিটিক্সরাজ্য

“এক আধজন চলে গেলে যেতেই পারেন।”- মুকুল ইস্যুতে দিলীপের মন্তব্য নিয়ে চাঞ্চল্য রাজ্য রাজনীতিতে।

নিজস্ব প্রতিবেদন: করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন বিজেপির সভাপতি মুকুল রায়ের স্ত্রী। বর্তমানে বাইপাসের ধারে অ্যাপোলো হসপিটালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন তিনি। গত বুধবার বুধবার মুকুল রায়ের স্ত্রী কে দেখতে হাসপাতালে গিয়েছিলেন তৃণমূল সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। সেই সময়ে হাসপাতালে উপস্থিত ছিলেন না মুকুল রায়। শুভ্রাংশু রায়ের সাথে তখন কথা বলেছেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়।

গত বুধবার সন্ধ্যায় বাইপাসের ধারে ওই হাসপাতালে উপস্থিত হয়েছিলেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। তারপর কিছুক্ষণের মধ্যেই হাসপাতাল থেকে বেরিয়ে যান অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। এর পরেই গতকাল বৃহস্পতিবার মুকুল রায়ের স্ত্রী কৃষ্ণা রায়ক হাসপাতালে দেখতে গিয়েছিলেন বিজেপি রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ ।গত একমাসের মধ্যে বিজেপির কোনো নেতা মুকুল রায়ের স্ত্রী কে দেখতে হাসপাতালে যান নি।

আরও পড়ুন-“সাবালকদের ব্যর্থতা নাবালককেই দেখতে হয়।”- শুভেন্দু অধিকারীর মন্তব্যের পরিপ্রেক্ষিতে জবাব দিলেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়

ঠাৎ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের হাসপাতালে মুকুল রায়ের স্ত্রী কে দেখতে যাওয়ার পরেই উপস্থিত হয়েছেন দিলীপ ঘোষ। ফোন করেছেন প্রধানমন্ত্রী। কিন্তু এই আবহেই হঠাৎ বেসুরো হয়ে উঠেছেন মুকুল রায়। এমনিতেই বিজেপি রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ এবং মুকুল রায়ের ঠান্ডা লড়াইয়ের কথা কারোরই অজানা নয় । এই প্রসঙ্গে মুকুল রায় গতকাল বলেছেন, “প্রধানমন্ত্রী সকাল সাড়ে দশটা নাগাদ ফোন করে খোঁজ নিয়েছেন ।

আরও পড়ুন-“আমরা পূর্ণ লকডাউন করি নি।”- বললেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।

বাকি কে কেন দেখা করতে গিয়েছিলেন আমি সেটা জানি না। দিলীপ ঘোষ আমাকে ফোন করে হাসপাতালে যান নি। আমাকে কিছু জানান নি। তবে যারা আমার স্ত্রীর স্বাস্থ্য সম্পর্কে খোঁজখবর নিয়েছেন তাদের সকলকে আমি কৃতজ্ঞতা জানাই।” মুকুলের এই মন্তব্যে শুরু হয়েছে জোর জল্পনা। এর‌ই মধ্যে রাজ্য বিজেপি সভাপতি দিলীপ ঘোষ একটি মন্তব্য করে বিতর্কের আগুনে ঘি ঢেলে দিয়েছেন।

আরও পড়ুন-“কে কেন দেখা করতে গিয়েছিলেন জানিনা”- হাসপাতালে মুকুলের স্ত্রীকে দিলীপ ঘোষের দেখতে যাওয়া নিয়ে মন্তব্য মুকুলের।

তিনি বলেছেন, “এটা গণতান্ত্রিক একটি দেশ।এখানে যে পারে দল ছেড়ে দিতে পারে। একটা দলে এসেছিলেন আর একটা দলে চলে যাবেন। কিছু লোক স্বার্থ নিয়ে রাজনীতি করে। দলে হাজার হাজার লোক রয়েছে। তার মধ্যে এক আধজন চাইলে চলে যেতে পারেন ।”দিলীপ ঘোষের এই মন্তব্যে স্পষ্টত‌ই বোঝা যাচ্ছে যে দলের সঙ্গে এবার দূরত্ব গাঢ় হচ্ছে মুকুল রায়ের।

Related Articles

Back to top button