নিউজপলিটিক্সরাজ্য

খেলা হবে দিবসে বাংলাকে ৭৫ বছর আগের স্মৃতি মনে করিয়ে দিতে তৎপর বিজেপি।

নিজস্ব প্রতিবেদন: মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় আগামী ১৬ ই আগস্ট রাজ্য জুড়ে খেলা হবে দিবসের ঘোষণা করেছেন।এদিকে তৃণমূলের খেলা হবে দিবসের পাল্টা দিয়ে আগামী ১৩ ই আগস্ট থেকেই আসরে নামছে রাজ্য বিজেপি। ঐদিন বাংলার সমস্ত জেলায় কবাডি অথবা ফুটবল প্রতিযোগিতা আয়োজনের নির্দেশ দিয়েছে রাজ্য বিজেপি নেতৃত্ব। ‌ এছাড়াও আগামী ৯ ই আগস্ট থেকে আগামী ১৬ ই আগস্ট পর্যন্ত রাজ্যের মাটিতে নানান কর্মসূচি পালন করতে চলেছে বিজেপি।

‌ জানা গিয়েছে আগামী ৯ ই আগস্ট শহীদ দিবস পালন উপলক্ষে বিজেপির যুব মোর্চা মশাল মিছিল বার করবে। ‌ ওই দিনে বিজেপির তফশিলি মোর্চা বিশ্ব আদিবাসী দিবস পালন করবে। আগামী ১০ ই আগস্ট রাজ্যজুড়ে সমস্ত মনীষীদের মূর্তি যেখানে যেখানে স্থাপন করা আছে সেই সমস্ত মূর্তি পরিষ্কারের উদ্যোগ গৃহীত হয়েছে। এরপর আগামী ১১ ই আগস্ট ভোট পরবর্তী হিংসায় মৃত বিজেপি কর্মীদের বাড়ি যাবেন বিজেপি নেতৃত্বরা, এবং সেইসাথে রাজ্যের সমস্ত জায়গায় একটি করে গাছ পুঁতবেন তারা।

আরও পড়ুন-রাজ্যে বন্যায় মৃতদের পরিবারকে আর্থিক সাহায্য প্রধানমন্ত্রীর

এরপর আগামী ১২ ই আগস্ট বিজেপির মহিলা মোর্চার উদ্যোগে রাজ্যের সর্বোচ্চ আইন অমান্য আন্দোলন হবে। আগামী ১৩ ই আগস্ট হবে ক্রীড়া প্রতিযোগিতা। ‌আগামী ১৪ ই আগস্ট রাজ্যের ছটি গুরুত্বপূর্ণ শহরে একটি আলোচনা পর্ব সম্পন্ন হবে। ‌ পরদিন ১৫ ই আগস্ট পালিত হবে স্বাধীনতা দিবস।

শেষদিন অর্থাৎ আগামী ১৬ ই আগস্ট রাজ্যের সর্বত্র ‘পশ্চিমবঙ্গ বাঁচাও দিবস’ পালন উপলক্ষে রাজ্যের প্রতিটি জেলায় মিছিল বার করবে বিজেপি কর্মী সমর্থকরা।রাজ্যসভার সংসদ তথা বিজেপি নেতা স্বপন দাশগুপ্ত টুইট করে লিখেছেন যে, “গত ১৯৪৬ সালে এই ১৬ ই আগস্ট দিনটিতেই নারকীয় গণহত্যা দ্য গ্রেট ক্যালকাটা কিলিং ঘটনাটি ঘটেছিলো। বর্তমানে পশ্চিমবঙ্গে খেলা হবে স্লোগানটি বিরোধীদের উপর হিংসার প্রতীকে রূপান্তরিত হয়েছে।”প্রথম থেকেই এই খেলা হবে দিবসের বিরোধিতা করে আসছে বিজেপি।

আরও পড়ুন-“বাড়িতে বসে থাকার জন্য আপনাদের ভোটে জেতানো হয়নি”- দলীয় বিধায়কদের হুঁশিয়ারি দিলেন অনুব্রত মণ্ডল

৭৫ বছর আগের কলকাতার হিন্দু গণহত্যার বিষয়টি তারা বারবার মনে করিয়ে দিতে চাইছে তৃণমূল কে। বিজেপির সাধারণ সম্পাদক সায়ন্তন বসু বলেছেন, “আমরা তৃণমূলকে টক্কর দেওয়ার জন্য আমাদের কর্মসূচি পালন করছি না। ১৯৪৬ সালে বাংলার মাটিতে কি ধরনের হত্যাযজ্ঞ চলেছিল তা বর্তমান প্রজন্মকে মনে করিয়ে দেওয়ার জন্যই আমরা এই কর্মসূচি পালন করছি।”তবে তৃণমূল জানিয়েছে যে, ‘১৯৮০ সালে মোহনবাগান এবং ইস্টবেঙ্গল ম্যাচ ঘিরে সংঘর্ষে ১৬ জনের মৃত্যু হয়েছিল, এই দিনটিকে উদ্দেশ্য করেই তৃণমূল খেলা হবে দিবস পালন করছে।’

Related Articles

Back to top button