নিউজপলিটিক্সরাজ্য

উত্তরবঙ্গ থেকে ফিরেই রাজ্যপাল CAG অডিটের হুঁশিয়ারি দিলেন রাজ্য প্রশাসনকে

নিজস্ব প্রতিবেদন: রাজ্যপালের দিল্লি সফর এবং তারপরেই উত্তরবঙ্গ সফর ঘিরে যথেষ্ট বিতর্কের সূত্রপাত হয়েছে বাংলায়। রাজ্যপালকে কার্শিয়াং থেকে দার্জিলিং যাওয়ার পথে দেখানো হয়েছে কালো পতাকা। তাঁকে গো ব্যাক স্লোগান‌ও দেওয়া হয়েছে। কয়েকদিন আগেই আলিপুরদুয়ারের বিজেপি সভাপতি জন বারলা পৃথক উত্তরবঙ্গের দাবিতে সোচ্চার হয়েছেন।

তিনি বলেছেন “উত্তরবঙ্গের মানুষকে চিরটা কাল তৃণমূল সরকার বঞ্চিত করে এসেছে। তাই উত্তরবঙ্গ কে আলাদা রাজ্য রূপে গড়ে তুললে উত্তরবঙ্গের মানুষ সুখ-সমৃদ্ধির দেখা পাবেন।”এই মন্তব্যে যথেষ্ট চাঞ্চল্য দেখা দিয়েছে বাংলার রাজ্য রাজনীতিতে। ‌ বিজেপির নেতারা জন বারলার এই দাবী সমর্থন না করলেও তাঁরা সকলেই একমত যে তৃণমূল সরকার উত্তরবঙ্গের মানুষের সাথে কেবলমাত্র বঞ্চনাই করে এসেছে।

আরও পড়ুন-ভোট-পরবর্তী হিংসার অভিযোগ জানাতে সল্টলেকের মানবাধিকার কমিশনের শিবিরে পড়লো লম্বা লাইন।

এই ঘটনার পরেই রাজ্যপাল উত্তরবঙ্গ সফরে গিয়েছিলেন। ‌ রাজ্যপাল দার্জিলিংয়ে পৌঁছে দার্জিলিংয়ের রাজভবনে তিনি দেখা করেছেন জন বারলা সহ কুমারগ্রামের ৯ জন প্রতিনিধির সাথে। কিন্তু তিনি জানিয়েছেন যে তারা সকলেই দেখা করে ভোট পরবর্তী হিংসার অভিযোগ করেছেন রাজ্যপালের কাছে।রাজ্যপাল যখন দার্জিলিংয়ে উপস্থিত ছিলেন তখন তার সাথে রাজভবনে দেখা করে বেশ কিছু সংগঠন আলাদা গোর্খাল্যান্ডের দাবি নিয়ে রাজ্যপালের কাছে স্মারকলিপি জমা দিয়েছেন।

আরও পড়ুন-করোনার দ্বিতীয় ঢেউয়ে কি কমেছে প্রধানমন্ত্রীর জনপ্রিয়তা?

এদিকে রাজ্যপাল আগেই বলেছিলেন, “পাহাড়ের বুকে টানা এক দশক ধরে কোনো গণতন্ত্র নেই। জিটিএর কোনো অডিট রিপোর্ট জমা পড়ছে না। পাহাড়ে হয়নি কোনো পঞ্চায়েত নির্বাচন‌ও।”রাজ্যপাল জানিয়েছেন,”সেই ২০১৭ সালে পাহাড়ে জিটিএর কোনোরকম অডিট হয়নি।

আমার ক্ষমতা প্রয়োগ করে CAG এর মাধ্যমে যাতে স্পেশাল অডিট করানো যায় তার জন্য আমি ব্যবস্থা করছি। আমার কাছে কোটি কোটি টাকা কারচুপির অভিযোগ জমা পড়েছে। আমি ব্যবস্থা নেবো।”

Related Articles

Back to top button